প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৫
শহিদুল আলমসহ গাজা অভিমুখী মানবাধিকার নৌবহরের কর্মীরা কেৎজিয়েত কারাগারে
ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ ও গাজায় নৌ অবরোধ ভাঙার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন-এর নৌবহর থেকে আটক আলোকচিত্রী শহিদুল আলমসহ বহু আন্তর্জাতিক অধিকারকর্মীকে ইসরায়েলের berüchtigte কেৎজিয়েত কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সহিংস আচরণের অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ও দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল আলম গাজা অভিমুখী ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন-এর নৌযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন, যার উদ্দেশ্য ছিল গাজার ওপর ইসরায়েলি নৌ অবরোধ ভাঙা ও মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।বুধবার (৮ অক্টোবর) ইসরায়েলি সেনারা নৌবহরে হামলা চালিয়ে সব অধিকারকর্মী ও নাবিককে আটক করে। পরবর্তীতে তাঁদের আশদোদ বন্দরে নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ার পর কেৎজিয়েত কারাগারে স্থানান্তর করা হয়—যা ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় আটককেন্দ্র এবং দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগে কুখ্যাত।মানবাধিকার সংস্থা আদালাহ জানিয়েছে, আটক কর্মীরা জাহাজ দখলের পর থেকেই ইসরায়েলি বাহিনীর শারীরিক ও মানসিক সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। তাঁদের অনেককে মারধর, অপদস্থ ও জুলুম করা হয়েছে।থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা নামের আরেক সংগঠন জানিয়েছে, ফ্লোটিলা থেকে ইসরায়েল বেআইনিভাবে ১৪৫ জনকে অপহরণ করেছে, যাদের অনেকেই এখন কেৎজিয়েত কারাগারে কঠিন পরিস্থিতিতে রয়েছেন। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সাংবাদিক, চিকিৎসক, মানবাধিকারকর্মী ও বিভিন্ন দেশের সংসদ সদস্যও রয়েছেন।ইতোমধ্যে ফ্রান্স, বেলজিয়াম ও আয়ারল্যান্ডের কয়েকজন পার্লামেন্ট সদস্যকে ইসরায়েল থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।এর আগে গত সপ্তাহে গাজা অভিমুখী অন্য নৌবহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা থেকে ৪৭৯ জনকে আটক করেছিল ইসরায়েল, যাদের মধ্যে সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও ছিলেন।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, এইসব অভিযানে ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন ও সমুদ্রচুক্তি লঙ্ঘন করছে। আজ বৃহস্পতিবার আটক কর্মীদের মুক্তির বিষয়ে আদালতে শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তাঁদের পূর্ণ আইনি অধিকার পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
কপিরাইট © ২০২৬ কওমী টাইমস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত