প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৫
জিম্মিদশা থেকে মুক্ত আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, তুরস্কের সহায়তায় নিরাপদে ইস্তাম্বুলে
বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী ড. শহিদুল আলমকে অবশেষে অবৈধ ইসরাইলি দখলদার বাহিনীর জিম্মিদশা থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। 'ফ্রিডম ফ্লোটিলা’র ‘কনশানস’ জাহাজে থাকা অবস্থায় বুধবার (৮ অক্টোবর) ভোরে ইসরাইলি বাহিনী তাকে আটক করেছিল। মুক্তির পর শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে তিনি তুরস্কের ইস্তাম্বুলে পৌঁছেছেন। প্রধান উপদেষ্টার অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাকে দেশে ফেরাতে দ্রুত সহযোগিতার জন্য তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেপ এরদোয়ানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং শুক্রবার (১০ অক্টোবর) এক ফেসবুক পোস্টে নিশ্চিত করেছে যে, ইসরাইল থেকে মুক্ত হয়ে শহিদুল আলম টার্কিশ এয়ারলাইন্সের (টিকে ৬৯২১) একটি ফ্লাইটে ইস্তাম্বুলের উদ্দেশে রওনা হন এবং স্থানীয় সময় দুপুর আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে সেখানে নিরাপদে অবতরণ করেন। ইস্তাম্বুলে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ মিজানুর রহমান তাকে স্বাগত জানান।গত বুধবার (৮ অক্টোবর) ভোরে ফ্লোটিলার ‘কনশানস’ জাহাজে অবস্থানকালে ড. শহিদুল আলমসহ জাহাজের সব সাংবাদিক, স্বাস্থ্যকর্মী ও ক্রু সদস্যকে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলি দখলদার বাহিনী অপহরণ করে আটক করে। শহিদুল আলমের আটকের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জর্ডান, মিশর ও তুরস্কে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোকে দ্রুত তার মুক্তির জন্য ওইসব দেশের পররাষ্ট্র দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। দূতাবাসগুলো ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রেখে তার মুক্তির বিষয়ে তৎপর ছিল।বিশিষ্ট আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলমকে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের অবৈধ আটকাদেশ থেকে মুক্ত করে দ্রুত দেশে প্রত্যাবর্তনে সহযোগিতার জন্য প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেপ এরদোয়ানকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এই দ্রুত মুক্তি কূটনৈতিক তৎপরতা ও তুরস্কের সহযোগিতার ফল হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই মুক্তির মধ্য দিয়ে ড. শহিদুল আলম দুই দিনের বন্দিদশার পর স্বস্তি পেলেন।
কপিরাইট © ২০২৬ কওমী টাইমস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত