প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৫
গাজা যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি বিনিময়ে ইসরায়েল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকলে কাসসাম চুক্তির মানবে
ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখা ইজ আল-দিন আল-কাসসাম ব্রিগেড (আল-কাসসাম) জানিয়েছে, তারা গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি বিনিময়ের জন্য সম্মত চুক্তির সময়সূচি মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তবে তা নির্ভর করবে ইসরায়েলও সেই চুক্তি পুরোপুরি মেনে চলছে কিনা তার ওপর। এক বিবৃতিতে আল-কাসসাম আরও উল্লেখ করেছে, তারা শুরু থেকেই গণহত্যা বন্ধের বিষয়ে আগ্রহী ছিল, কিন্তু ইসরায়েলের "নাৎসি সরকার" প্রতিশোধ এবং নৃশংসতার আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে সব ধরনের শান্তি প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে।আল-কাসসাম ব্রিগেড সোমবার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে যুদ্ধবিরতি চুক্তি এবং সংশ্লিষ্ট সময়সূচি মেনে চলার ঘোষণা দেয়। বিবৃতিতে কাসসাম জোর দিয়ে বলেছে, "এই চুক্তিতে পৌঁছানো আমাদের জনগণের দৃঢ়তা এবং প্রতিরোধ যোদ্ধাদের অবিচল থাকার ফসল।" তবে তাদের অঙ্গীকার স্পষ্টত শর্তাধীন: "আমরা ঘোষণা করছি যে আমরা এই চুক্তির প্রতি এবং সংশ্লিষ্ট সময়সূচির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকব, যতক্ষণ পর্যন্ত না শত্রুও তাই করে।"কাসসাম আরও দাবি করেছে যে প্রতিরোধ সর্বদা গণহত্যা বন্ধ করতে আন্তরিক ছিল এবং যুদ্ধের প্রথম মাস থেকেই তারা এর জন্য চেষ্টা চালিয়েছিল। কিন্তু ইসরায়েল সংকীর্ণ রাজনৈতিক হিসাব এবং তার "নাৎসি সরকারের" চরম প্রতিহিংসা ও বর্বরতার আকাঙ্ক্ষা মেটাতে সমস্ত প্রচেষ্টা বানচাল করে দিয়েছে।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েল সামরিক চাপ দিয়ে তাদের জিম্মিদের উদ্ধার করতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে, যদিও তাদের গোয়েন্দা শ্রেষ্ঠত্ব এবং বিপুল সামরিক শক্তি রয়েছে। অবশেষে, তারা আলোচনার মাধ্যমে এবং জিম্মি বিনিময় চুক্তির মাধ্যমেই জিম্মিদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে—যা শুরু থেকেই প্রতিরোধকারীরা ওয়াদা করেছিল।আল-কাসসামের মতে, "নাৎসি দখলদারদের পক্ষে বহু মাস আগেই তাদের বেশিরভাগ জিম্মিকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব ছিল।" কিন্তু তারা তা না করে কালক্ষেপণ ও অহংকার করেছে। এর ফলস্বরূপ, তাদের ব্যর্থ সামরিক চাপের নীতির কারণে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নিজেরাই তাদের কয়েক ডজন জিম্মিকে হত্যা করেছে। এই বিবৃতি ইসরায়েলি সরকারের উপর যুদ্ধবিরতির আলোচনার ব্যর্থতা এবং জিম্মিদের জীবনের ঝুঁকি বাড়ানোর অভিযোগ এনেছে।
কপিরাইট © ২০২৬ কওমী টাইমস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত