প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
জনগণই রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি পুনব্যক্ত করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, বর্তমান সরকার জনগণের রায়কে সর্বোচ্চ সম্মান দিয়ে তাদের কল্যাণে গৃহীত প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে। রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করাই এই সরকারের মূল লক্ষ্য।বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বটি ছিল তথ্যবহুল ও তাৎপর্যপূর্ণ।প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মূল রাজনৈতিক দর্শন তুলে ধরে বলেন, "আমরা বিশ্বাস করি, এদেশের জনগণই সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো কোনো নিছক নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয়, বরং এটি আমাদের অঙ্গীকার। বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে সেই প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের প্রাথমিক ধাপগুলো সফলভাবে শুরু করে দিয়েছে।"সংসদে জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ যাদের নির্বাচিত করেছেন, তাদের মাধ্যমেই প্রতিটি উন্নয়নমূলক কর্মসূচি ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সংসদে উত্থাপন করা হবে। এর ফলে রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।অতীতের রাজনৈতিক দলগুলোর সমালোচনা করে সংসদ নেতা বলেন, "অনেকেই অতীতে ফাঁকা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, কিন্তু আমরা জনগণের কাছে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা তুলে ধরেছিলাম। গত নির্বাচনে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং ‘কৃষক কার্ড’-এর মতো কল্যাণমুখী উদ্যোগগুলোর প্রতি জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন এটিই প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষ ইতিবাচক ও কার্যকর পরিবর্তন চায়।"বক্তব্যের শেষে দেশের জনগণের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আশ্বস্ত করেন যে, সরকার জনগণের আস্থার পূর্ণ মর্যাদা দেবে। তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, "জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং তাদের অধিকার সুরক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে।"
কপিরাইট © ২০২৬ কওমী টাইমস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত