প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গভীর রাতে ২ মসজিদের ট্রান্সফরমার চুরি, ভোগান্তিতে মুসল্লিরা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় গভীর রাতে একই সাথে দুটি গ্রামের মসজিদের বিদ্যুৎ সংযোগের ট্রান্সফরমার খুলে ভেতরের মূল্যবান সরঞ্জাম চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (৯ আগস্ট) গভীর রাতে উপজেলার টিঘরিয়া ও নোয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর ফলে ফজরের নামাজের সময় চরম বিপাকে পড়েন মুসল্লিরা এবং নোয়াপাড়া এলাকার বেশ কিছু পরিবার বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে।চলতি লোডশেডিং ও রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় দুটি ধর্মীয় উপাসনালয়ে এই অনাকাঙ্ক্ষিত চুরির ঘটনা ঘটেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা কসবা উপজেলার টিঘরিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশের খুঁটিতে থাকা বিদ্যুৎ সংযোগের ট্রান্সফরমারটি নামিয়ে ফেলে। এরপর এর ভেতরের মূল্যবান তামার তার ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম খুলে নিয়ে মূল বক্স ও অকেজো অংশগুলো ফেলে রেখে যায়। ভোরে ফজরের নামাজের জন্য মুসল্লিরা মসজিদে এসে বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তির মুখে পড়েন।একই রাতে প্রায় একই কায়দায় উপজেলার নোয়াপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ট্রান্সফরমার থেকেও মূল্যবান সরঞ্জাম চুরি করে নেয় দুর্বৃত্ত চক্রটি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নোয়াপাড়া মসজিদের ওই ট্রান্সফরমারটি থেকে শুধু মসজিদই নয়, আশপাশের বেশ কয়েকটি সাধারণ পরিবারও বিদ্যুৎ সংযোগ পেত। চুরির এই ঘটনায় মসজিদটির পাশাপাশি পরিবারগুলোও অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।পবিত্র উপাসনালয় লক্ষ্য করে পরপর দুটি চুরির ঘটনায় স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাহীনতা ও বিদ্যুৎ চুরির ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন এলাকাবাসী।ঘটনার পরপরই কসবা জোনাল অফিসে বিষয়টি অবহিত করা হলে পল্লী বিদ্যুতের কসবা সদর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. ফিরোজ হোসেন জানান, খবর পাওয়ার পর পরই ঘটনাস্থলে দ্রুত টেকনিক্যাল টিম পাঠানো হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ও কারিগরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এলাকাবাসী ও মুসল্লিদের দাবি—অবিলম্বে এই দুষ্কৃতকারীদের শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনর্বহাল করে মসজিদের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে দিতে হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ