প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
সৌদি আরবের নাজরানে হুথিদের ড্রোন হামলা: জবাবে ২৪ ঘণ্টায় যৌথ বাহিনীর ৮১টি সামরিক অভিযান
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান শহরের বিমানবন্দর এবং রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি তেল স্থাপনায় চালকহীন আকাশযান বা ড্রোন (ইউএভি) দিয়ে হামলা চালিয়েছে।হুথি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে জানান, তাদের সশস্ত্র বাহিনী দুটি সামরিক ড্রোন ব্যবহার করে এই হামলা পরিচালনা করে। তিনি দাবি করেন, প্রথম ড্রোনটি নাজরান বিমানবন্দরে শত্রুপক্ষের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল লক্ষ্যবস্তুতে এবং দ্বিতীয় ড্রোনটি আরামকোর একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হয়। সারি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরব কর্তৃক ইয়েমেনের সায়াদা প্রদেশের আকাশসীমা বারবার লঙ্ঘনের উপযুক্ত জবাব হিসেবেই এই সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় হুথি বাহিনী যেকোনো সীমানা লঙ্ঘনের কঠোর জবাব দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।অন্যদিকে, এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইয়েমেনের সরকারি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজিদ আব্দুল্লাহ আল-নাজিলি জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থানরত হুথি লক্ষ্যবস্তুগুলোর বিরুদ্ধে গত ২৪ ঘণ্টায় যৌথ বাহিনী অন্তত ৮১টি ব্যাপক সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে।উক্ত অভিযানে হুথিদের বেশ কয়েকজন মাঠপর্যায়ের কমান্ডার ও যোদ্ধা নিহত হয়েছে এবং তাদের বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম, যানবাহন ও হামলার উৎস ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেন আল-নাজিলি। তিনি বলেন, "সাধারণ বেসামরিক মানুষ ও জাতীয় সম্পদের ওপর হুথিদের ধারাবাহিক সন্ত্রাসী তৎপরতার জবাবেই এই পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।" তিনি আরও অভিযোগ করেন, হুথি বিদ্রোহীরা কৌশলগতভাবে বেসামরিক এলাকাগুলোকে নিশানা বানিয়ে সাধারণ ইয়েমেনি জনগণের অবরুদ্ধ দশা ও দুর্ভোগকে বহুগুণ বাড়িয়ে তুলছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ