প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্প: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০৩, আহত ১,৬৬৬
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের ফ্লোরেস অঞ্চলে কয়েকদিন আগে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০৩ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন ১ হাজার ৬৬৬ জন। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার কর্মকর্তার বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদ সংস্থা আন্তারা এ তথ্য জানিয়েছে। ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি হাজারো মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের ফ্লোরেস অঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০৩ জনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার স্থানীয় সংবাদ সংস্থা আন্তারার প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ ভূমিকম্পে আহত হয়েছেন ১ হাজার ৬৬৬ জন।ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার কর্মকর্তা বার্টন পাঙ্গাইতানের বরাত দিয়ে আন্তারা জানিয়েছে, ভূমিকম্পে নিহত ও আহতের সংখ্যা আগের হিসাবের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০ আগস্ট পর্যন্ত সর্বশেষ সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ছিল ৭৫ জন এবং আহতের সংখ্যা ছিল ৯০৭ জন।এর আগে ১৫ আগস্ট ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পের পর ওই অঞ্চলে ২ হাজার ৭০০টিরও বেশি আফটারশক বা পরবর্তী কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী আফটারশকের মাত্রা ছিল ৬.২।ভূমিকম্পের প্রভাবে ফ্লোরেস অঞ্চলে ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সরকারি হিসাবে ৯০০টিরও বেশি বাড়ি সম্পূর্ণ বা গুরুতরভাবে ধসে পড়েছে। এছাড়া ১ হাজার ৩০০টিরও বেশি বাড়ি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।ভূমিকম্পের কারণে প্রায় ৫ হাজার মানুষকে তাদের বাড়িঘর থেকে সরিয়ে নিয়ে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।এদিকে ভূমিকম্পের পর সৃষ্ট ভূমিধসের কারণে ফ্লোরেস অঞ্চলের বিভিন্ন আবাসিক এলাকার মধ্যে যোগাযোগকারী সড়কগুলোর একটি বড় অংশ বন্ধ হয়ে গেছে। ভূমিধসে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সড়কের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে।ভূমিকম্পের পর ধারাবাহিক আফটারশক এবং ভূমিধস নতুন করে ঝুঁকি তৈরি করায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধারকাজ ও দুর্গতদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ক্ষয়ক্ষতির হিসাব ও হতাহতের সংখ্যা পর্যালোচনা করছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ