জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। স্থানীয় সময় সোমবার সকালে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তিনি বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং জাতিসংঘের সহযোগিতা কামনা করেন।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস মহাসচিবকে অবহিত করেন যে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারা সুদৃঢ় করবে। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার বিষয়টি তুলে ধরেন। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মো. শফিকুল আলম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
এর আগে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মীদের সঙ্গেও বৈঠক করেন ড. ইউনূস। নিউইয়র্কের এক হোটেলে আয়োজিত এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রবার্ট এফ. কেনেডি হিউম্যান রাইটস-এর চেয়ারম্যান কেরি কেনেডি নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দল।
সেখানে প্রধান উপদেষ্টা আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি, চলমান সংস্কার উদ্যোগ এবং মানবাধিকার উদ্বেগ মোকাবেলার পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেন। তিনি জানান,
গত বছর সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের তদন্তে জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিসকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, যার প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে।
জোরপূর্বক গুমের ঘটনাগুলো তদন্তে একটি বিশেষ কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন এখনো পাওয়া না গেলেও নিয়মিত অগ্রগতির আপডেট পাওয়া যাচ্ছে।
গুমের শিকার ব্যক্তিরা তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করছেন।
ড. ইউনূস বলেন, “আমরা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়া একটি ব্যবস্থা দিয়ে শুরু করেছিলাম। তবে এখন জনগণের আস্থা ফেরাতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। স্থানীয় সময় সোমবার সকালে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তিনি বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং জাতিসংঘের সহযোগিতা কামনা করেন।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস মহাসচিবকে অবহিত করেন যে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারা সুদৃঢ় করবে। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার বিষয়টি তুলে ধরেন। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মো. শফিকুল আলম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
এর আগে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মীদের সঙ্গেও বৈঠক করেন ড. ইউনূস। নিউইয়র্কের এক হোটেলে আয়োজিত এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রবার্ট এফ. কেনেডি হিউম্যান রাইটস-এর চেয়ারম্যান কেরি কেনেডি নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দল।
সেখানে প্রধান উপদেষ্টা আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি, চলমান সংস্কার উদ্যোগ এবং মানবাধিকার উদ্বেগ মোকাবেলার পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেন। তিনি জানান,
গত বছর সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের তদন্তে জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিসকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, যার প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে।
জোরপূর্বক গুমের ঘটনাগুলো তদন্তে একটি বিশেষ কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন এখনো পাওয়া না গেলেও নিয়মিত অগ্রগতির আপডেট পাওয়া যাচ্ছে।
গুমের শিকার ব্যক্তিরা তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করছেন।
ড. ইউনূস বলেন, “আমরা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়া একটি ব্যবস্থা দিয়ে শুরু করেছিলাম। তবে এখন জনগণের আস্থা ফেরাতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”

আপনার মতামত লিখুন