রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কওমী টাইমস
সর্বশেষ
ইসরায়েলি অবরোধের কবলে জর্ডানের গুদামে আটকে আছে গাজার আহত শিশুদের ৯ শতাধিক হুইলচেয়ার

ইসরায়েলি অবরোধের কবলে জর্ডানের গুদামে আটকে আছে গাজার আহত শিশুদের ৯ শতাধিক হুইলচেয়ার

ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর অব্যাহত বিমান হামলা ও স্থল অভিযানে গাজায় গুরুতর আহত শিশুদের চিকিৎসার জন্য পাঠানো ৯০০টিরও বেশি বিশেষায়িত হুইলচেয়ার দীর্ঘ এক বছর ধরে জর্ডানের গুদামে ধুঁকছে। অস্ট্রেলিয়ার একাধিক ত্রাণ সংস্থা এসব হুইলচেয়ার পাঠালেও ইসরায়েলের কঠোর অবরোধ এবং অনুমোদন না দেওয়ার কারণে এগুলো অবরুদ্ধ গাজায় প্রবেশ করতে পারছে না। ফলে হাত-পা হারিয়ে চরম শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার হওয়া হাজার হাজার ফিলিস্তিনি শিশু চিকিৎসাসেবা ও চলাচলের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলায় আহত শিশুদের শারীরিক সহায়তার জন্য অস্ট্রেলিয়া থেকে পাঠানো ৯০০টিরও বেশি হুইলচেয়ার জর্ডানের হাশেমাইট চ্যারিটেবল অর্গানাইজেশনের (JHCO) গুদামে পড়ে থেকে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক কর্তৃপক্ষের কঠোর বিধিনিষেধ এবং ছাড়পত্র দিতে অস্বীকৃতির কারণে গত প্রায় এক বছর ধরে এসব চিকিৎসা সরঞ্জাম আটকে রয়েছে।অস্ট্রেলীয় সম্প্রচার মাধ্যম এবিসি (ABC)-র এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নিউ সাউথ ওয়েলস ভিত্তিক সংস্থা 'কিডস অন হুইলস্ অ্যালায়েন্স' এবং পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া ভিত্তিক 'হুইলচেয়ার্স ফর কিডস'-এর যৌথ উদ্যোগে দুই দফায় এসব সরঞ্জাম জর্ডানে পাঠানো হয়। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি এবং অক্টোবরে জর্ডানের বন্দরে পৌঁছানোর পর থেকেই এগুলো গাজায় পাঠাতে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েলি কো-অর্ডিনেশন অব গভর্নমেন্ট অ্যাক্টিভিটিস ইন দ্য টেরিটরিস (COGAT)।প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতেই এসব হুইলচেয়ার মানবিক ত্রাণের বহরে যুক্ত করার জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল। তবে ইসরায়েলের COGAT কর্তৃপক্ষ এই অজুহাতে আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করে যে, উক্ত ত্রাণ বহরে কোনো চিকিৎসা সরঞ্জাম কিংবা ওষুধ অন্তর্ভুক্ত করার অনুমতি নেই। গত ১৯ মাস ধরে এই আবেদনটিকে ‘অপেক্ষমাণ’ (Pending) তালিকায় ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে, যার কারণে জর্ডানের ওই সংস্থাকে নতুন করে আবেদন করার সুযোগও দেওয়া হচ্ছে না।গাজার ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংসস্তূপে ভরা দুর্গম ভূখণ্ডের কথা মাথায় রেখে এই হুইলচেয়ারগুলো বিশেষ প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয়েছিল। এগুলো অত্যন্ত টেকসই এবং শিশুদের দৈহিক বৃদ্ধির সাথে সাথে সামঞ্জস্য রেখে ব্যবহারের উপযোগী। প্যালেস্টাইন অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের চিকিৎসক ড. আবদুল্লাহ আল-বালাবি বলেন, 'এই হুইলচেয়ারগুলো সাধারণ প্রতিবন্ধী শিশুদের চলাচলের হাতিয়ার, এগুলো কোনো নিরাপত্তার হুমকি নয়। অথচ ইসরায়েল এগুলোকেও অবরুদ্ধ করে রেখে গাজার শিশুদের সঙ্গে চরম নিষ্ঠুরতা দেখাচ্ছে।'জাতিসংঘের শিশুকোষ (ইউনিসেফ)-এর তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ১১ হাজারেরও বেশি শিশু জীবন পরিবর্তনকারী গুরুতর জখমের শিকার হয়েছে, যাদের দীর্ঘমেয়াদী পুনর্বাসন ও চিকিৎসার প্রয়োজন। কিন্তু আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (HRW) সতর্ক করে জানিয়েছে, ইসরায়েল তথাকথিত 'দ্বিমুখী ব্যবহার' (Dual-use)-এর ভিত্তিহীন অজুহাত তুলে কৃত্রিম অঙ্গ, এক্স-রে মেশিন, চশমা, ওয়াকার ও হুইলচেয়ারের ব্যাটারির মতো জরুরি সরঞ্জাম গাজায় ঢুকতে দিচ্ছে না। এমনকি তাবু, ভ্রাম্যমাণ টয়লেট এবং শিশুদের ডায়াপারের মতো মৌলিক জীবন রক্ষাকারী সামগ্রীও ইসরায়েলি অবরোধের কারণে আটকে আছে।
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম

চেঙ্গিস খানের নাতির ইসলাম গ্রহণ: ইতিহাসের যে বাঁক বদলে স্বস্তি পেয়েছিল মুসলিম বিশ্ব

চেঙ্গিস খানের নাতির ইসলাম গ্রহণ: ইতিহাসের যে বাঁক বদলে স্বস্তি পেয়েছিল মুসলিম বিশ্ব

পারমাণবিক বোমার চেয়েও শক্তিশালী অস্ত্র এখন ইরানের হাতে: দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট

পারমাণবিক বোমার চেয়েও শক্তিশালী অস্ত্র এখন ইরানের হাতে: দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট

ইয়েমেনের তাইজে সামরিক অগ্রগতির দাবি সেনাবাহিনীর, হুথিদের সঙ্গে তীব্র সংঘাত

ইয়েমেনের তাইজে সামরিক অগ্রগতির দাবি সেনাবাহিনীর, হুথিদের সঙ্গে তীব্র সংঘাত

মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য অন্তর্ভুক্তি: দক্ষিণ এশিয়ায় তৈরি হচ্ছে এক শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয়

মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য অন্তর্ভুক্তি: দক্ষিণ এশিয়ায় তৈরি হচ্ছে এক শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয়

ভারতে মুসলিমদের হালাল গোশতের দোকানে নিহাং শিখদের বাধা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন

ভারতে মুসলিমদের হালাল গোশতের দোকানে নিহাং শিখদের বাধা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন

কওমি সনদে নতুন চাকরির সুযোগ, ছয় শিক্ষা বোর্ডের সনদ স্বীকৃত

কওমি সনদে নতুন চাকরির সুযোগ, ছয় শিক্ষা বোর্ডের সনদ স্বীকৃত

বিশ্ববিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা মালদ্বীপে ৯ মাস কাজী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন

বিশ্ববিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা মালদ্বীপে ৯ মাস কাজী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন

তাবলিগ জামাত হারাল প্রবীণ মুরুব্বী মাওলানা এহসানুল হককে

তাবলিগ জামাত হারাল প্রবীণ মুরুব্বী মাওলানা এহসানুল হককে

ভারতে জুলাই জুড়েই চলল সংখ্যালঘু নির্যাতন: প্রতিদিন গড়ে ২টি হামলা, শীর্ষে উত্তর প্রদেশ

ভারতে জুলাই জুড়েই চলল সংখ্যালঘু নির্যাতন: প্রতিদিন গড়ে ২টি হামলা, শীর্ষে উত্তর প্রদেশ

মক্কার আকাশে হুথি ড্রোন ভূপাতিতের ভাইরাল ভিডিওটি ভুয়া, আসলে ২০২৫ সালের মদিনার ভিডিও

মক্কার আকাশে হুথি ড্রোন ভূপাতিতের ভাইরাল ভিডিওটি ভুয়া, আসলে ২০২৫ সালের মদিনার ভিডিও

পুরোনো স্মৃতি নাকি ভূ-রাজনীতি: হিজাজ রেলওয়ে কি ইউরোপ-উপসাগরকে যুক্ত করতে নতুন রূপ পাচ্ছে?

পুরোনো স্মৃতি নাকি ভূ-রাজনীতি: হিজাজ রেলওয়ে কি ইউরোপ-উপসাগরকে যুক্ত করতে নতুন রূপ পাচ্ছে?

ভারতে 'জয় শ্রী রাম' বলতে অস্বীকার করায় ১২ বছরের শিশু ও তার চাচার ওপর উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হামলা

ভারতে 'জয় শ্রী রাম' বলতে অস্বীকার করায় ১২ বছরের শিশু ও তার চাচার ওপর উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হামলা

তুরস্কে বিশ্বের প্রাচীনতম শান্তিচুক্তির নতুন খণ্ড উদ্ধার, বর্তমান সংঘাতের যুগে ঐতিহাসিক এক বার্তা

তুরস্কে বিশ্বের প্রাচীনতম শান্তিচুক্তির নতুন খণ্ড উদ্ধার, বর্তমান সংঘাতের যুগে ঐতিহাসিক এক বার্তা

ইয়েমেনি ওলামাদের জাতীয় ঐক্য ও হুতিদের বুদ্ধিবৃত্তিক চরমপন্থা মোকাবিলার আহ্বান

ইয়েমেনি ওলামাদের জাতীয় ঐক্য ও হুতিদের বুদ্ধিবৃত্তিক চরমপন্থা মোকাবিলার আহ্বান

আফগানিস্তানের ঘোরে ২৫ টনেরও বেশি মাদক তৈরির কাঁচামাল ধ্বংস করলো তালেবান সরকার

আফগানিস্তানের ঘোরে ২৫ টনেরও বেশি মাদক তৈরির কাঁচামাল ধ্বংস করলো তালেবান সরকার

ইসলামাবাদে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন নতুন সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. রাজেহ বিন তামি আল-বাকা মি

ইসলামাবাদে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন নতুন সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. রাজেহ বিন তামি আল-বাকা মি

দক্ষিণ এশিয়ায় ইসলামোফোবিয়ার বিরুদ্ধে জোরালো পদক্ষেপের আহ্বান শেহবাজ শরিফের

দক্ষিণ এশিয়ায় ইসলামোফোবিয়ার বিরুদ্ধে জোরালো পদক্ষেপের আহ্বান শেহবাজ শরিফের

ডেরা ইসমাইল খানে পুলিশ চেকপয়েন্টে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: নারী ও শিশুসহ নিহত ১১, আহত অন্তত ২০

ডেরা ইসমাইল খানে পুলিশ চেকপয়েন্টে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: নারী ও শিশুসহ নিহত ১১, আহত অন্তত ২০

সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আসিম মুনিরের বৈঠক, মক্কা রক্ষায় যৌথ প্রতিরক্ষা জোরদারের ঘোষণা

সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আসিম মুনিরের বৈঠক, মক্কা রক্ষায় যৌথ প্রতিরক্ষা জোরদারের ঘোষণা

বিজেপির ক্ষমতায় আসার পর পশ্চিমবঙ্গে খ্রিস্টানদের ওপর ৬০টি হামলা ও নির্যাতন: রিপোর্ট

বিজেপির ক্ষমতায় আসার পর পশ্চিমবঙ্গে খ্রিস্টানদের ওপর ৬০টি হামলা ও নির্যাতন: রিপোর্ট

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
লিংক কপি করা হয়েছে!

পুরোনো স্মৃতি নাকি ভূ-রাজনীতি: হিজাজ রেলওয়ে কি ইউরোপ-উপসাগরকে যুক্ত করতে নতুন রূপ পাচ্ছে?

বিশ্ব বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের আভাস দিয়ে পুনরুজ্জীবিত হতে যাচ্ছে উসমানীয় (অটোমান) আমলের ঐতিহাসিক 'হিজাজ রেলওয়ে'। গত ৯ জুন রিয়াদে তুর্কি পরিবহন ও অবকাঠামো মন্ত্রী আব্দুলকাদির উরালোগলু এবং সৌদি পরিবহন মন্ত্রী সালেহ বিন নাসের আল-জাসেরের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে রেলওয়ে ও লজিস্টিক খাতে সহযোগিতা সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য তুরস্ক, সিরিয়া, জর্ডান ও সৌদি আরবকে নিরবচ্ছিন্ন রেল সংযোগে আবদ্ধ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের পণ্য, জ্বালানি ও যাত্রী তুরস্ক হয়ে সহজে ইউরোপে পৌঁছে দেওয়া।কেবল হজ যাত্রা নয়, এখন লক্ষ্য বাণিজ্য ও ভূ-রাজনৈতিক নিরাপত্তা১৯০০ থেকে ১৯০৮ সালের মধ্যে তৎকালীন উসমানীয় সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদের উদ্যোগে নির্মিত হিজাজ রেলওয়ে মূলত দামেস্ক থেকে মদীনা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। সেসময় এর মূল উদ্দেশ্য ছিল হাজিদের কয়েক মাসের দীর্ঘ ও বিপজ্জনক পথ অতিক্রম করার বদলে মাত্র কয়েক দিনের আরামদায়ক ভ্রমণের সুযোগ করে দেওয়া। একই সঙ্গে এটি উসমানীয় কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আরব প্রদেশগুলোর প্রশাসনিক ও সামরিক বন্ধন জোরদার করেছিল।তবে বর্তমানে এই ঐতিহাসিক পথটি এক সম্পূর্ণ ভিন্ন ও নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি। আজকের দিনে এই পথের গুরুত্ব কেবল আধ্যাত্মিক বা ঐতিহাসিক স্মৃতিতে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি হয়ে উঠেছে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপদ বাণিজ্য পথ। লোহিত সাগর, বাবেল মানদেব ও হরমুজ প্রণালীর মতো সমুদ্রপথগুলোতে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সামরিক সংঘাত বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্ব বাণিজ্যের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়েছে। এই সমুদ্রিক নির্ভরতা কমানো এবং বিকল্প স্থলপথ তৈরি করাই এখন তুরস্ক ও সৌদি আরবের প্রধান কৌশলগত লক্ষ্য।ঐতিহাসিক সংযোগের আধুনিক রূপতুর্কি ও সৌদি সংবাদমাধ্যমে এই চুক্তিকে অত্যন্ত ইতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হচ্ছে। তুর্কি সংবাদমাধ্যমে জোর দেওয়া হয়েছে যে এটি কেবল দুটি দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি করবে না, বরং সমগ্র ইউরোপ ও উপসাগরীয় অঞ্চলের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করবে। তুর্কি পরিবহন মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ২০১২ সালের আগে দুই দেশের মধ্যে বার্ষিক পরিবহন সংখ্যা পৌঁছাত ২০ হাজারে। সাম্প্রতিক অঞ্চলের নানা অস্থিতিশীলতার কারণে তা কমে গেলেও এবার সেই পুরানো পরিসংখ্যানকে পেছনে ফেলে নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, সৌদি আরবের 'ভিশন ২০৩০'-এর অন্যতম লক্ষ্য হলো দেশকে তিন মহাদেশের সংযোগস্থলে একটি বৈশ্বিক লজিস্টিক হাব বা বাণিজ্য কেন্দ্রে পরিণত করা। রিয়াদের জন্য এই প্রকল্প তেল-বহির্ভূত অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এক অনন্য সুযোগ। বিশেষ করে 'শার্ক আল-আওসাত' ও 'আল-ইকতিসাদিয়া'-র মতো প্রভাবশালী আরবি সংবাদমাধ্যমগুলো একে চিহ্নিত করেছে ‘উপসাগরকে ইউরোপের সঙ্গে যুক্ত করার কৌশলগত স্থলপথ’ হিসেবে।মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি ও সিরিয়া চ্যালেঞ্জইজরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোতেও এই প্রকল্প সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, কারণ এটি ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডোরের (IMEC) বিপরীতে একটি প্রভাবশালী তুর্কি-সৌদি করিডোর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে।তবে এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনার সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তুরস্ক বা সৌদি আরব নয়—বরং সিরিয়া। সৌদি আরবের জর্ডান সীমান্ত পর্যন্ত রেল অবকাঠামো তৈরি রয়েছে এবং তুরস্কের অংশেও সংযোগ কাজ প্রায় শেষ। কিন্তু সিরিয়া ও জর্ডানের মধ্যবর্তী প্রায় ৪০০ কিলোমিটারের অসম্পূর্ণ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত অংশ পুনর্নির্মাণ, সীমান্ত নিরাপত্তা ও কাস্টমস ব্যবস্থার আধুনিকায়ন একটি বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। যুদ্ধোত্তর সিরিয়ার পরিস্থিতি ও স্থিতিশীলতার ওপরই নির্ভর করবে এই ঐতিহাসিক রেলপথ আবার কবে সচল হবে।উসমানীয় ইতিহাসের যে পথটি একসময় বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে ধূলিউড়ানো মরুভূমির বুক চিরে মদীনায় পৌঁছে যেত, এক শতক পর সেই একই পথ আজ বিশ্ব বাণিজ্যের এক অপরিহার্য ও নিরাপদ ভূ-রাজনৈতিক করিডোর হিসেবে পুনর্জন্ম নিতে যাচ্ছে।

পুরোনো স্মৃতি নাকি ভূ-রাজনীতি: হিজাজ রেলওয়ে কি ইউরোপ-উপসাগরকে যুক্ত করতে নতুন রূপ পাচ্ছে?
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
কত বছর বয়সে তিনি প্রথম ওহী লাভ করেন?

কত বছর বয়সে তিনি প্রথম ওহী লাভ করেন?

  ৩৫ বছরে
  ৪০ বছরে
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ০ জন
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...