মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
কওমী টাইমস
সর্বশেষ
জুলাইয়ে ১০৮টি হামলা: ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের ওপর ইসরাইলি আগ্রাসনের ভয়াবহ চিত্র উন্মোচন

জুলাইয়ে ১০৮টি হামলা: ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের ওপর ইসরাইলি আগ্রাসনের ভয়াবহ চিত্র উন্মোচন

অবরুদ্ধ ও দখলদারিত্বের শিকার ফিলিস্তিনে সত্যের কণ্ঠরোধ করতে সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে হামলা জোরদার করেছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। ফিলিস্তিনি সাংবাদিক সিন্ডিকেটের (PJS) ফ্রিডমস কমিটির প্রকাশিত এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সদ্য সমাপ্ত জুলাই মাসে ফিলিস্তিনি সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর অন্তত ১০৮টি পৃথক হামলার ঘটনা ঘটেছে। আটক, শারীরিক নির্যাতন, সংবাদ সংগ্রহে বাধা এবং বাড়িঘর ও সংবাদ সংস্থায় অভিযানের মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য এতে উঠে এসেছে।অধিকৃত পশ্চিম তীর, পবিত্র জেরুজালেম এবং গণহত্যার শিকার গাজা উপত্যকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকারী ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের জীবনের নিরাপত্তা এখন চরম হুমকির মুখে। ফিলিস্তিনি সাংবাদিক সিন্ডিকেটের স্বাধীনতার সংক্রান্ত কমিটি (Freedoms Committee) দ্বারা সংকলিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই মাসে ফিলিস্তিনি গণমাধ্যমকর্মীরা অন্তত ১০৮টি ইসরাইলি হিংস্রতার শিকার হয়েছেন।প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মাসজুড়ে নথিভুক্ত বাধার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিল সাংবাদিকদের আটক রাখা এবং সরাসরি সংবাদ সংগ্রহে বাধা প্রদান। কেবল জুলাই মাসেই ৫৮ জন সাংবাদিককে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকালে আটকে রাখা হয় কিংবা ঘটনার সংবাদ কভার করতে বাধা দেওয়া হয়।প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেবল ইসরাইলি সামরিক বাহিনীই নয়, অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন অঞ্চলে অবৈধ দখলদার ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীরাও সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে ১১টি পৃথক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় গণমাধ্যমকর্মীদের শারীরিক লাঞ্ছনা ও হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে।ইসরাইলি সেনাদের ছোঁড়া টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড বোমার শিকার হয়েছেন অন্তত ১২ জন সাংবাদিক, যার ফলে অনেকেই শ্বাসনালীর তীব্র সমস্যায় ভোগেন। এছাড়া ৬ জন সাংবাদিককে সরাসরি মারধর করা হয়েছে এবং গাজা উপত্যকায় আগ্রাসনের সংবাদ কভার করার সময় আরও ৪ জন সাংবাদিক গুরুতর আহত হয়েছেন।প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, জুলাই মাসে ২ জন সাংবাদিককে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করেছে দখলদার বাহিনী, ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন করা হয়েছে এবং ৪ জন সাংবাদিকের বাসস্থান ও সংবাদ সংস্থায় বরবর হামলা ও অভিযান চালানো হয়েছে। এছাড়া সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত বা ধ্বংস করার ৩টি ঘটনা ঘটেছে। অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পবিত্র মসজিদ আল-আকসা থেকে অন্তত ২ জন সাংবাদিককে জোরপূর্বক বহিষ্কার ও প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যাতে পবিত্র প্রাঙ্গণে ইসরাইলি আগ্রাসনের খবর বিশ্ববাসী জানতে না পারে।ফিলিস্তিনি সাংবাদিক সিন্ডিকেটের পক্ষ থেকে বিশ্ববাসীকে এই ক্রমবর্ধমান অপরাধের বিষয়ে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। তারা জোর দিয়ে বলেছে, সাংবাদিকরা যেন কোনো প্রকার হুমকি, হামলা কিংবা নির্যাতনের ভয় ছাড়া নিজেদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন, তা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নিশ্চিত করতে হবে। একই সাথে, মুক্ত গণমাধ্যমের ওপর ক্রমাগত হামলা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী ইসরাইলি কর্মকর্তা ও সেনাদের কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
১ ঘন্টা আগে

পশ্চিমবঙ্গে ওবিসি কোটা ১৭% থেকে কমিয়ে ৭%: ৬৫টি মুসলিম জনগোষ্ঠীর অধিকার হরণের বিল পাস

পশ্চিমবঙ্গে ওবিসি কোটা ১৭% থেকে কমিয়ে ৭%: ৬৫টি মুসলিম জনগোষ্ঠীর অধিকার হরণের বিল পাস

গোপালগঞ্জে আওয়ামীলীগ বিহীন নির্বাচন: মুফতী শুয়াইবকে ঘিরে নতুন সমীকরণ

গোপালগঞ্জে আওয়ামীলীগ বিহীন নির্বাচন: মুফতী শুয়াইবকে ঘিরে নতুন সমীকরণ

ঈদের দিনেও বন্ধ শ্রীনগরের জামে মসজিদ, টানা সপ্তম বছর নামাজে নিষেধাজ্ঞা

ঈদের দিনেও বন্ধ শ্রীনগরের জামে মসজিদ, টানা সপ্তম বছর নামাজে নিষেধাজ্ঞা

গোপালগঞ্জ–২ আসনে মুফতি শুয়াইব ইবরাহীমের প্রতি জেলার শীর্ষ ওলামায়েকেরামের সর্বসম্মত সমর্থন

গোপালগঞ্জ–২ আসনে মুফতি শুয়াইব ইবরাহীমের প্রতি জেলার শীর্ষ ওলামায়েকেরামের সর্বসম্মত সমর্থন

ভারতে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে সংখ্যালঘু নিপীড়ন: ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে ১৩ মুসলিম খুন

ভারতে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে সংখ্যালঘু নিপীড়ন: ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে ১৩ মুসলিম খুন

জাপানে মুসলিমবিদ্বেষী অনলাইন প্রচারণার জেরে মসজিদে অগ্নিসংযোগ

জাপানে মুসলিমবিদ্বেষী অনলাইন প্রচারণার জেরে মসজিদে অগ্নিসংযোগ

রংপুরে মসজিদে খতমে নবুওয়ত আলোচনায় পুলিশের বাধার নিন্দা ও ১৪ জুলাই নতুন সম্মেলনের ডাক

রংপুরে মসজিদে খতমে নবুওয়ত আলোচনায় পুলিশের বাধার নিন্দা ও ১৪ জুলাই নতুন সম্মেলনের ডাক

কলকাতায় বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় মুসলিম তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যা

কলকাতায় বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় মুসলিম তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যা

মিরপুরে ফার্মেসির সাইনবোর্ড নিয়ে ভারতীয় অ্যাকাউন্টের অপপ্রচার; সাম্প্রদায়িক উস্কানির অভিযোগ

মিরপুরে ফার্মেসির সাইনবোর্ড নিয়ে ভারতীয় অ্যাকাউন্টের অপপ্রচার; সাম্প্রদায়িক উস্কানির অভিযোগ

রংপুরে কাদিয়ানী আগ্রাসন: ‘ধর্মে আয়, নইলে ভিটা ছাড়’ হুমকির মুখে মুসলিম পরিবার, ৭ বছর ধরে নির্যাতন

রংপুরে কাদিয়ানী আগ্রাসন: ‘ধর্মে আয়, নইলে ভিটা ছাড়’ হুমকির মুখে মুসলিম পরিবার, ৭ বছর ধরে নির্যাতন

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে প্রতিহত করে অপরাজেয় শক্তি প্রমাণ করেছে ইরান: আরাঘচি

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে প্রতিহত করে অপরাজেয় শক্তি প্রমাণ করেছে ইরান: আরাঘচি

বাশার আল-আসাদকে মৃত্যুদণ্ড দিল সিরিয়ার আদালত

বাশার আল-আসাদকে মৃত্যুদণ্ড দিল সিরিয়ার আদালত

জুলাইয়ে ১০৮টি হামলা: ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের ওপর ইসরাইলি আগ্রাসনের ভয়াবহ চিত্র উন্মোচন

জুলাইয়ে ১০৮টি হামলা: ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের ওপর ইসরাইলি আগ্রাসনের ভয়াবহ চিত্র উন্মোচন

ইরানের কাছে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দাবি করবেন ট্রাম্প

ইরানের কাছে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দাবি করবেন ট্রাম্প

বাবার লাশ বাড়িতে রেখে এসএসসি পরীক্ষা, ঋতুর ফলাফলে জিপিএ-৫

বাবার লাশ বাড়িতে রেখে এসএসসি পরীক্ষা, ঋতুর ফলাফলে জিপিএ-৫

মহারাষ্ট্রে সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সনদে কড়াকড়ির নীতি: প্রশাসনিক নজরদারির অজুহাতে সাংবিধানিক অধিকার হরণের আশঙ্কা

মহারাষ্ট্রে সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সনদে কড়াকড়ির নীতি: প্রশাসনিক নজরদারির অজুহাতে সাংবিধানিক অধিকার হরণের আশঙ্কা

দারুণ উলুম দেওবন্দে 'শিবলিঙ্গ' দাবির অযুহাতে উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর অভিযানের হুমকি

দারুণ উলুম দেওবন্দে 'শিবলিঙ্গ' দাবির অযুহাতে উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর অভিযানের হুমকি

সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যালগরিদমে বিশ্বব্যাপী ছড়াচ্ছে ইসলামফোবিয়া: আয়ারল্যান্ডের চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন

সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যালগরিদমে বিশ্বব্যাপী ছড়াচ্ছে ইসলামফোবিয়া: আয়ারল্যান্ডের চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন

দাখিল পরীক্ষার ফলাফলের সারাদেশে ২য় তা’মীরুল মিল্লাত টঙ্গী

দাখিল পরীক্ষার ফলাফলের সারাদেশে ২য় তা’মীরুল মিল্লাত টঙ্গী

কওমী সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে আল-হাইআতুল উলয়ায় ইসলামী ছাত্র মজলিসের স্মারকলিপি

কওমী সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে আল-হাইআতুল উলয়ায় ইসলামী ছাত্র মজলিসের স্মারকলিপি

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে প্রতিহত করে অপরাজেয় শক্তি প্রমাণ করেছে ইরান: আরাঘচি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরান নিজেকে একটি ‘কঠোর ও অপরাজেয় শক্তি’ হিসেবে প্রমাণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তাঁর দাবি, যুদ্ধ শুরুর সময় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ চাইলেও প্রায় ২০ দিন পর একই পক্ষ আলোচনার জন্য আগ্রহ দেখিয়েছে।মঙ্গলবার আধা-সরকারি তাসনিম সংবাদ সংস্থার সম্প্রচারিত এক টেলিভিশন সংবাদ সম্মেলনে আরাঘচি এসব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কর্মকর্তারা ইরানের প্রতিরোধ সক্ষমতা দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলসহ পশ্চিমা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সমর্থন নিয়ে সংঘাতে প্রবেশ করেছিল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ দাবি করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি বদলে যায় এবং আলোচনার প্রয়োজন দেখা দেয়।তবে আরাঘচির এই আত্মবিশ্বাসী বক্তব্যের বিপরীতে সংযত অবস্থান নিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যকে ‘যুদ্ধও নয়, শান্তিও নয়’—এমন অনিশ্চিত অবস্থায় আটকে রাখা যাবে না।গারগাশের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভবিষ্যৎ যেকোনো সমঝোতা আন্তর্জাতিক আইন, সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান এবং সুস্পষ্ট আন্তর্জাতিক নিয়মের ভিত্তিতে হওয়া প্রয়োজন। তিনি একটি টেকসই আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার দিকে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের বড় অর্থনৈতিক প্রভাব পড়েছে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালিতে। রয়টার্সের উদ্ধৃত কেপলার তথ্য অনুযায়ী, সোমবার মাত্র ছয়টি জাহাজ এই জলপথ অতিক্রম করেছে। গত ১০ দিনে দৈনিক গড় ছিল প্রায় ১১টি জাহাজ। যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন প্রায় ১৩০ থেকে ১৪০টি জাহাজ হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করত।সমুদ্রপথে বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হওয়ায় ইরানের অভ্যন্তরীণ বাজারেও চাপ বাড়ছে। ইরানি ব্যবসায়ী নেতা মাজিদ রেজা হারিরি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক অবরোধের সঙ্গে তেহরানকে দীর্ঘমেয়াদে মানিয়ে নেওয়া উচিত হবে না।হারিরির হিসাব অনুযায়ী, সমুদ্রপথের পরিবর্তে স্থলপথে আমদানি করতে হলে ইরানের বার্ষিক আমদানি ব্যয় প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলার বাড়তে পারে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, চীন থেকে সমুদ্রপথে একটি কনটেইনার আনতে যেখানে প্রায় ৩ হাজার ডলার লাগে, স্থলপথে সেই ব্যয় প্রায় ১২ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে।হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে। মঙ্গলবার ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯০ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম ৮৪ ডলারের ওপরে ওঠে।মার্কিন সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার এ পরিস্থিতির জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দায়ী করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ট্রাম্প কোনো সুস্পষ্ট প্রস্থান পরিকল্পনা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রকে একটি ‘অবৈধ যুদ্ধে’ জড়িয়েছেন। যুদ্ধের কৌশল ও আলোচনার সক্ষমতার ঘাটতি মার্কিন সেনাদের ঝুঁকিতে ফেলছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়াচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননেও পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ২৬ জুন মার্কিন মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির কাঠামোতে সম্মতি হলেও ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান জোরদার করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নাবাতিয়ার কাছে আলি আল-তাহের পাহাড় এলাকায় একযোগে কামান হামলা চালানো হয়েছে। একই সময়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ভারী যন্ত্রপাতি দক্ষিণ লেবাননের জাওতার আল-শারকিয়েহ ও জাওতার আল-গারবিয়েহ এলাকায় কয়েকটি বাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছে বলে স্থানীয় প্রতিবেদনে জানানো হয়।লেবাননে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন ইউনিফিল জানিয়েছে, শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত ৪৫৫টি ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং লেবাননের আকাশসীমা লঙ্ঘনের ৯৭টি ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। সংস্থাটির হিসাবে, শুধু শনিবারেই ২২৯টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়, যা ২১ জুনের পর এক দিনে সর্বোচ্চ।ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এসব হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, হামলায় বেসামরিক মানুষ হতাহত হওয়ার পাশাপাশি ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।রোমে লেবানন-ইসরায়েল আলোচনার সপ্তম দফার পর নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও মাঠের সামরিক পরিস্থিতির মধ্যে ব্যবধান আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে প্রতিহত করে অপরাজেয় শক্তি প্রমাণ করেছে ইরান: আরাঘচি