তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ইসলামোফোবিয়া বা ইসলামভীতি মোকাবিলায় নিউজিল্যান্ডের 'নীতিগত অবস্থানের' ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। মঙ্গলবার আঙ্কারার প্রেসিডেন্ট কমপ্লেক্সে নিউজিল্যান্ডের গভর্নর জেনারেল সিন্ডি কিরোর সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই অভিনন্দন জানান। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা এবং ফিলিস্তিন ইস্যুসহ বৈশ্বিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।তুরস্কের প্রেসিডেন্সিয়াল কমিউনিকেশন ডিরেক্টরেটের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার আঙ্কারায় প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান এবং নিউজিল্যান্ডের গভর্নর জেনারেল সিন্ডি কিরো এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে এরদোয়ান নিউজিল্যান্ডের সামাজিক সম্প্রীতি এবং ইসলামভীতি দমনে তাদের দৃঢ় ও আদর্শিক অবস্থানের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।আলোচনায় প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান উল্লেখ করেন যে, তুরস্ক নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রতিরক্ষা শিল্প এবং পরিবহন খাতে অংশীদারিত্ব জোরদার করতে আগ্রহী। বিশেষভাবে ফিলিস্তিন ইস্যুতে নিউজিল্যান্ডের সমর্থন এবং দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের পক্ষে তাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি। এরদোয়ান বলেন, "জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ফিলিস্তিনিদের প্রতি নিউজিল্যান্ডের সমর্থন প্রশংসনীয়। নিউজিল্যান্ড যদি আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়, তবে তা দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও সমাধানের পথে বড় অবদান রাখবে।"পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তুরস্কের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে এরদোয়ান নিউজিল্যান্ডকে আগামী নভেম্বরে আনতালিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য 'কপ-৩১' (COP31) সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। পাশাপাশি আগামী বছর নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় প্যাসিফিক আইল্যান্ডস ফোরাম সামিটের সাফল্য কামনা করেন তিনি। এই সফরটি আঙ্কারা ও ওয়েলিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে নতুন মাত্রায় নিয়ে যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।