মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
লগইন
বাংলা
English
हिन्दी
اردو
فارسی
العربية
Türkçe
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
কওমী টাইমস
সর্বশেষ
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দ করতে শিক্ষা খাতকে পুনর্গঠন করছে সরকার: তারেক রহমান

শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দ করতে শিক্ষা খাতকে পুনর্গঠন করছে সরকার: তারেক রহমান

শিক্ষা-দীক্ষায় সবচেয়ে মেধাবীরা যাতে শিক্ষকতা পেশাকে ‘উপায়হীন বিকল্প’ হিসেবে না দেখে প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নেন, সে লক্ষ্যে শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতি ঢেলে সাজাচ্ছে সরকার। সোমবার ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা জানান। অনুষ্ঠানে তিনি প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরির শিক্ষকদের ভূয়সী প্রশংসা ও সম্মাননা প্রদান করেন এবং শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে নতুন কারিকুলাম, প্রযুক্তিনির্ভর শিখন ও নীতিগত সংস্কারের রোডম্যাপ তুলে ধরেন।শিক্ষকতাকে সাধারণ চাকরির মতো কোনো সাধারণ পেশা বা ‘উপায়হীন বিকল্প’ হিসেবে না দেখে দেশের শ্রেষ্ঠ মেধাবীদের এই পেশায় আকৃষ্ট করতে সরকার সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৫ অক্টোবর, ২০২৬) রাজধানী ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।চলতি বছর বিশ্ব শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: ‘শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো: পেশা সুরক্ষার ৬০ বছর, মর্যাদা উন্নয়ন এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গঠন’।শিক্ষকদের মর্যাদা ও রাষ্ট্রের ভাবমূর্তিসম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন,'আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি—শিক্ষকদের সম্মান ও মর্যাদার ওপর রাষ্ট্রের মর্যাদা ও বৈশ্বিক ভাবমূর্তি প্রত্যক্ষভাবে নির্ভরশীল। সমাজে শিক্ষকের মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পায়।' তিনি প্রাথমিক, মাধ্যমিক, মাদ্রাসা, কারিগরি ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের সকল শিক্ষকের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান এবং সম্মাননাপ্রাপ্তদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান।তিনি উল্লেখ করেন, পারিবারিক শিক্ষার পর শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদেরই প্রধান ‘রোল মডেল’ হিসেবে দেখে। শিক্ষকরা যাতে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সামনে নিজেদের আদর্শ হিসেবে মেলে ধরতে পারেন, সে উপযোগী নীতি প্রণয়ন করছে সরকার।নতুন সিলেবাস ও ‘আনন্দময় শিক্ষা’প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তি যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, বাস্তবতার নিরিখে সরকার ইতোমধ্যে নতুন সিলেবাস প্রণয়ন করেছে এবং এ বছরের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা নতুন সিলেবাস অনুযায়ী পাঠ্যবই হাতে পাবে।তিনি বলেন, 'শুধু অন্ধভাবে মুখস্থ করার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে ‘কেন’ ও ‘কীভাবে’—এই প্রশ্নগুলোর উদ্ভাবন ঘটানো জরুরি। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কৌতূহল জাগ্রত হবে।' আনন্দময় শিক্ষার অংশ হিসেবে দেশে প্রথমবারের মতো ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ শিরোনামে নতুন বই প্রদান করা হচ্ছে, যা পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শ্রেণিতেও প্রসারিত হবে।‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নতথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সাথে শিক্ষকদের সক্ষমতা বাড়াতে টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলোকে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তিকে শিক্ষকের বিকল্প নয়, বরং শিক্ষকের চালিকাশক্তি বানাতে সরকার ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি পরিচালনা করছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষকরা ডিজিটাল লেসন প্ল্যান, প্রশ্নব্যাংক ও ফ্রি ওয়াই-ফাই সংবলিত মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম পরিচালনা করতে পারবেন।আর্থিক সুরক্ষা, হয়রানি বন্ধ ও নৈতিক শিক্ষাশিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং তা ক্রমান্বয়ে আরও বাড়ানো হবে।' তিনি গ্রাম ও শহরের শিক্ষার বৈষম্য দূরীকরণের ওপর তাগিদ দেন।শিক্ষকদের পেনশন ও বেতন ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক হয়রানি বন্ধের কঠোর নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, কোনো শিক্ষককে যেন প্রাপ্য ভাতার জন্য অফিসে ঘুরতে না হয়; ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি ও যথাসময়ে তা পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি জাতীয় দিবসগুলোতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রতি বছর বাধ্যতামূলকভাবে প্রতিটি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অন্তত একজন শিক্ষককে আমন্ত্রণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থানই শিক্ষার একমাত্র লক্ষ্য নয়; সত্যবাদিতা, সহমর্মিতা, দেশপ্রেম ও আকিদা-বিশ্বাসের ওপর দাঁড়িয়ে নৈতিক মূল্যবোধ ও চরিত্র গঠনই শিক্ষার মূল নির্যাস। নৈতিকতাহীন জ্ঞান সমাজের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া।
৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৮ পিএম

অব্যাহত সামরিক আগ্রাসনের মুখে হাইফায় কাদিয়ানীর বার্ষিক সম্মেলনে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের প্রশংসা

অব্যাহত সামরিক আগ্রাসনের মুখে হাইফায় কাদিয়ানীর বার্ষিক সম্মেলনে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের প্রশংসা

গাজার রক্ত, জাতিসংঘের নীরবতা ও নেতানিয়াহুর ভাষণ: বিশ্বপ্রতিবাদের ভাষা

গাজার রক্ত, জাতিসংঘের নীরবতা ও নেতানিয়াহুর ভাষণ: বিশ্বপ্রতিবাদের ভাষা

ভারতে মুসলিমদের হালাল গোশতের দোকানে নিহাং শিখদের বাধা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন

ভারতে মুসলিমদের হালাল গোশতের দোকানে নিহাং শিখদের বাধা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন

মসজিদুল আকসার শেষ উসমানীয় প্রহরী: ইগদিরের অনবাশি হাসান

মসজিদুল আকসার শেষ উসমানীয় প্রহরী: ইগদিরের অনবাশি হাসান

মক্কার আকাশে হুথি ড্রোন ভূপাতিতের ভাইরাল ভিডিওটি ভুয়া, আসলে ২০২৫ সালের মদিনার ভিডিও

মক্কার আকাশে হুথি ড্রোন ভূপাতিতের ভাইরাল ভিডিওটি ভুয়া, আসলে ২০২৫ সালের মদিনার ভিডিও

৩০ বছর ট্রান্স নারী থাকার পর অনুশোচনা: লিঙ্গ পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সরব সুইজারল্যান্ডের ক্রিস

৩০ বছর ট্রান্স নারী থাকার পর অনুশোচনা: লিঙ্গ পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সরব সুইজারল্যান্ডের ক্রিস

উত্তরাখণ্ডে মাদরাসা বোর্ড বিলুপ্তির পর ২০টি মাদরাসা বন্ধ ও সিলগালা

উত্তরাখণ্ডে মাদরাসা বোর্ড বিলুপ্তির পর ২০টি মাদরাসা বন্ধ ও সিলগালা

পটুয়াখালী মডেল মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা: ষড়যন্ত্রের পর্দাফাঁস, বাদী গ্রেফতার

পটুয়াখালী মডেল মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা: ষড়যন্ত্রের পর্দাফাঁস, বাদী গ্রেফতার

ইহুদি উৎসবের অজুহাতে ইব্রাহিমি মসজিদ বন্ধ করলো ইসরায়েল

ইহুদি উৎসবের অজুহাতে ইব্রাহিমি মসজিদ বন্ধ করলো ইসরায়েল

জমি রেজিস্ট্রি থাকার পরও গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ঘরবাড়ি: আসামে ৭৩টি মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ

জমি রেজিস্ট্রি থাকার পরও গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ঘরবাড়ি: আসামে ৭৩টি মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ

বিদেশি কূটনীতিকদের সামনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পররাষ্ট্রনীতি ও অধিকার ভাবনা

বিদেশি কূটনীতিকদের সামনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পররাষ্ট্রনীতি ও অধিকার ভাবনা

ইয়েমেনে হুথিবিরোধী সর্বাত্মক অভিযান: ১,১২২ অভিযানে ১৭৪৭ যোদ্ধা নিহত

ইয়েমেনে হুথিবিরোধী সর্বাত্মক অভিযান: ১,১২২ অভিযানে ১৭৪৭ যোদ্ধা নিহত

ফ্যাসিস্টদের বিচার আগে, তারপর জাতীয় পুনর্মিলন: ডেপুটি স্পিকার

ফ্যাসিস্টদের বিচার আগে, তারপর জাতীয় পুনর্মিলন: ডেপুটি স্পিকার

জায়নবাদ কে ‘বর্ণবাদ’ ঘোষণা করল যুক্তরাজ্যের গ্রিন পার্টি

জায়নবাদ কে ‘বর্ণবাদ’ ঘোষণা করল যুক্তরাজ্যের গ্রিন পার্টি

গাজায় কিং সালমান রিলিফ সেন্টারের ত্রাণ বিতরণ ও নিরাপদ পানি সরবরাহ অব্যাহত

গাজায় কিং সালমান রিলিফ সেন্টারের ত্রাণ বিতরণ ও নিরাপদ পানি সরবরাহ অব্যাহত

হালাল পণ্য বয়কটের উগ্র হিুন্দুত্ববাদী ডাক: অর্থ দিয়ে সন্ত্রাসবাদের ভিত্তিহীন অভিযোগ

হালাল পণ্য বয়কটের উগ্র হিুন্দুত্ববাদী ডাক: অর্থ দিয়ে সন্ত্রাসবাদের ভিত্তিহীন অভিযোগ

শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দ করতে শিক্ষা খাতকে পুনর্গঠন করছে সরকার: তারেক রহমান

শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দ করতে শিক্ষা খাতকে পুনর্গঠন করছে সরকার: তারেক রহমান

কলকাতায় আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম শিক্ষার্থীদের ওপর উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হামলা

কলকাতায় আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম শিক্ষার্থীদের ওপর উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হামলা

মুসলিম পর্যটন সম্প্রসারণে তুরস্কের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় মালয়েশিয়া

মুসলিম পর্যটন সম্প্রসারণে তুরস্কের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় মালয়েশিয়া

ভারতে হাসপাতালের অবহেলায় সড়কেই সন্তান প্রসব দলিত প্রসূতির

ভারতে হাসপাতালের অবহেলায় সড়কেই সন্তান প্রসব দলিত প্রসূতির

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
লিংক কপি করা হয়েছে!
“
০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শায়খ ড. আবদুল বারি বিন আওয়াদ আল-সুবাইতি
শায়খ ড. আবদুল বারি বিন আওয়াদ আল-সুবাইতি
ইমাম ও খতিব, মসজিদে নববী
“
০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শায়খ ড. আবদুল বারি বিন আওয়াদ আল-সুবাইতি
শায়খ ড. আবদুল বারি বিন আওয়াদ আল-সুবাইতি
ইমাম ও খতিব, মসজিদে নববী
“
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তারেক রহমান
তারেক রহমান
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ

ইয়েমেনে হুথিবিরোধী সর্বাত্মক অভিযান: ১,১২২ অভিযানে ১৭৪৭ যোদ্ধা নিহত

ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের দখল থেকে হাতছাড়া হওয়া ভূখণ্ড ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ পুনরুদ্ধার করতে সর্বাত্মক সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার। প্রেসিডেন্ট নির্দেশিত এই সমন্বিত অভিযানে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী ১,১২২টি সফল সামরিক কৌশলগত হামলা পরিচালনা করেছে, যাতে ১,৭৪৭ জন হুথি যোদ্ধা নিহত/অক্ষম হয়েছে এবং ৩৬৪টি সামরিক যান ধ্বংস বা অকেজো করা হয়েছে। সাদাহ, আল-জাওফ, তাইজ এবং পশ্চিমাঞ্চলীয় লোহিত সাগর উপকূলে যুদ্ধবিমান, ড্রোন, রকেট ও আর্টিলারির সমন্বয়ে এই হামলা পরিচালিত হয়।দীর্ঘ এক দশক ধরে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেনের সার্বিক পরিস্থিতি পুনরায় চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ২০১৪ সালে সানা দখলকারী ইরান সমর্থিত হুথি সশস্ত্র গোষ্ঠী সম্প্রতি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ লোহিত সাগর উপকূলের মোখা নগরী এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ বাব আল-মানদাব প্রণালীর নিকটবর্তী মাইয়ুন দ্বীপ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর ইয়েমেন সরকার এই সর্বাত্মক সেনা অভিযানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল মাজেদ আব্দুল্লাহ আল-নুজাইলি সোমবার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানান, প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের (PLC) চেয়ারম্যান রাশাদ আল-আলিমির নির্দেশের পর থেকেই সরকারি বাহিনী ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো হুথি আস্তানাগুলোতে জোরালো আক্রমণ শুরু করেছে।অভিযানের পরিধি ও সামরিক ক্ষয়ক্ষতিসামরিক মুখপাত্রের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, এই অভিযানে গোলন্দাজ বাহিনী, রকেট লঞ্চার, ড্রোন, যুদ্ধবিমান ও স্নাইপার ইউনিটের সুনির্দিষ্ট ও সমন্বিত ব্যবহার করা হয়েছে। সাঁজোয়া বহর, রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, অস্ত্রাগার, সামরিক রসদ সরবরাহ পথ এবং কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারসহ বিদ্রোহীদের ৩৬৪টি সামরিক যান ও পরিবহন সরঞ্জাম সম্পূর্ণ ধ্বংস বা বিকল করে দেওয়া হয়েছে।বিশেষ করে সাদাহ, আল-জাওফ, তাইজ প্রদেশ এবং পশ্চিমাঞ্চলীয় উপকূলীয় ফ্রন্টজুড়ে হুথিদের প্রধান শক্তঘাঁটি ও শক্তিবৃদ্ধির রুটগুলোতে এই ১,১২২টি হামলা আঘাত হানে, যার ফলে ১,৭৪৭ জন হুথি সদস্য নিষ্ক্রিয় বা নিহত হয়।ইয়েমেনি প্রেসিডেন্ট রাশাদ আল-আলিমির আদেশে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে হুথিদের দখলদারিত্ব থেকে সাধারণ নাগরিকদের মুক্ত করা, নাগরিক অধিকার ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা এবং পুরো ইয়েমেনি ভূখণ্ডে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। অন্যদিকে, গৃহযুদ্ধে সাধারণ ইয়েমেনি জনগণের চরম মানবিক সংকটের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকার বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছে। ইয়েমেন সরকার জোর দিয়ে জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা আনয়ন এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হুমকি নস্যাৎ না হওয়া পর্যন্ত এই সশস্ত্র অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ইয়েমেনে হুথিবিরোধী সর্বাত্মক অভিযান: ১,১২২ অভিযানে ১৭৪৭ যোদ্ধা নিহত
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
কত বছর বয়সে তিনি প্রথম ওহী লাভ করেন?

কত বছর বয়সে তিনি প্রথম ওহী লাভ করেন?

  ৩৫ বছরে
  ৪০ বছরে
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...