তালেবান সরকার আফগানিস্তানে ইন্টারনেট সম্পূর্ণ বন্ধ করেছে। সরকার জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য অনলাইনে অশ্লীলতা রোধ করা। দেশজুড়ে মোবাইল, ব্রডব্যান্ড সেবা ও স্যাটেলাইট টেলিভিশন ব্যাহত হয়েছে।
মঙ্গলবার আরব টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানে ইন্টারনেট বন্ধের পদক্ষেপটি তালেবান সরকারের সাম্প্রতিক আদেশের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। আদেশে অনলাইনে অশ্লীলতা রোধের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছিল।
তালেবানের শাসনামলে এবারই প্রথমবারের মতো পুরো আফগানিস্তানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট কার্যকর করা হয়েছে। এর আগে ছোট প্রদেশগুলোতে আংশিকভাবে ইন্টারনেট বন্ধের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত প্রয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।
তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে ‘ইন্টারনেটে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা’ জারি করেছিলেন। এর ফলে দেশজুড়ে মোবাইল ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা বন্ধ হয়ে গেছে।
ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের কারণে স্যাটেলাইট টেলিভিশনের সম্প্রচার ব্যাহত হয়েছে। এমনকি কাবুল বিমানবন্দরে অন্তত পাঁচটি ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে। হাসপাতাল, সরকারি ও বেসরকারি অফিসের কার্যক্রমও এতে বড় ধরনের ব্যাঘাতের সম্মুখীন হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ আফগানিস্তানের অর্থনীতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এ পরিস্থিতিকে মানবাধিকার ও যোগাযোগ স্বাধীনতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হিসেবে দেখছেন।
বিষয় : আন্তর্জাতিক আফগানিস্তান

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
তালেবান সরকার আফগানিস্তানে ইন্টারনেট সম্পূর্ণ বন্ধ করেছে। সরকার জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য অনলাইনে অশ্লীলতা রোধ করা। দেশজুড়ে মোবাইল, ব্রডব্যান্ড সেবা ও স্যাটেলাইট টেলিভিশন ব্যাহত হয়েছে।
মঙ্গলবার আরব টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানে ইন্টারনেট বন্ধের পদক্ষেপটি তালেবান সরকারের সাম্প্রতিক আদেশের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। আদেশে অনলাইনে অশ্লীলতা রোধের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছিল।
তালেবানের শাসনামলে এবারই প্রথমবারের মতো পুরো আফগানিস্তানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট কার্যকর করা হয়েছে। এর আগে ছোট প্রদেশগুলোতে আংশিকভাবে ইন্টারনেট বন্ধের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত প্রয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।
তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে ‘ইন্টারনেটে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা’ জারি করেছিলেন। এর ফলে দেশজুড়ে মোবাইল ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা বন্ধ হয়ে গেছে।
ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের কারণে স্যাটেলাইট টেলিভিশনের সম্প্রচার ব্যাহত হয়েছে। এমনকি কাবুল বিমানবন্দরে অন্তত পাঁচটি ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে। হাসপাতাল, সরকারি ও বেসরকারি অফিসের কার্যক্রমও এতে বড় ধরনের ব্যাঘাতের সম্মুখীন হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ আফগানিস্তানের অর্থনীতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এ পরিস্থিতিকে মানবাধিকার ও যোগাযোগ স্বাধীনতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হিসেবে দেখছেন।

আপনার মতামত লিখুন