গাজার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা মানবিক সহায়তাবাহী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার ৩৯টি নৌযান আটক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এ ঘটনায় বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক মিজানুর রহমান আজহারী গাজায় ত্রাণ পৌঁছানোর জন্য দোয়া করেছেন।
তেলআবিব, ৩ অক্টোবর — গাজার অবরোধ ভেঙে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর লক্ষ্যে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা যাত্রা শুরু করলেও ইসরায়েলি বাহিনী বৃহস্পতিবার ৩৯টি নৌযান আটক করেছে। এসব নৌযানে ছিলেন শতাধিক বিদেশি মানবাধিকারকর্মী, চিকিৎসক ও স্বেচ্ছাসেবী।
ঘটনাটি বিশ্বব্যাপী তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে মানবিক নীতির পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছে।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। তিনি লেখেন,
“প্রভু হে! একটি জলযান হলেও তুমি সৈকতে ভিড়তে দাও। অভুক্ত ভাই-বোনেরা অধীর আগ্রহে তাদের অপেক্ষা করছে।”
ফ্লোটিলার আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে শুধুমাত্র একটি নৌযান, মিকেনো, ফিলিস্তিনি উপকূলের দিকে যাত্রা করছে। তবে এর সঙ্গে মূল বহরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আয়োজকরা আশঙ্কা করছেন, এটিও শিগগিরই ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক হতে পারে।
২০০৭ সালে গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে ইসরায়েল সমুদ্রপথে কড়াকড়ি অবরোধ চালু করে। আন্তর্জাতিকভাবে বারবার এই অবরোধ ভাঙতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও ইসরায়েল প্রায় সবগুলো প্রতিহত করেছে।
সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ২০১০ সালে ঘটে, যখন ছয়টি নৌকা নিয়ে যাওয়া ফ্লোটিলায় ইসরায়েলি সেনাদের হামলায় ৯ কর্মী নিহত হন।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, গাজার দীর্ঘমেয়াদি অবরোধ সেখানে খাদ্য, ওষুধ ও মৌলিক প্রয়োজনীয় জিনিসের ঘাটতি তৈরি করছে। বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে #FreeGaza এবং #LetAidIn হ্যাশট্যাগে প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৫
গাজার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা মানবিক সহায়তাবাহী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার ৩৯টি নৌযান আটক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এ ঘটনায় বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক মিজানুর রহমান আজহারী গাজায় ত্রাণ পৌঁছানোর জন্য দোয়া করেছেন।
তেলআবিব, ৩ অক্টোবর — গাজার অবরোধ ভেঙে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর লক্ষ্যে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা যাত্রা শুরু করলেও ইসরায়েলি বাহিনী বৃহস্পতিবার ৩৯টি নৌযান আটক করেছে। এসব নৌযানে ছিলেন শতাধিক বিদেশি মানবাধিকারকর্মী, চিকিৎসক ও স্বেচ্ছাসেবী।
ঘটনাটি বিশ্বব্যাপী তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে মানবিক নীতির পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছে।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। তিনি লেখেন,
“প্রভু হে! একটি জলযান হলেও তুমি সৈকতে ভিড়তে দাও। অভুক্ত ভাই-বোনেরা অধীর আগ্রহে তাদের অপেক্ষা করছে।”
ফ্লোটিলার আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে শুধুমাত্র একটি নৌযান, মিকেনো, ফিলিস্তিনি উপকূলের দিকে যাত্রা করছে। তবে এর সঙ্গে মূল বহরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আয়োজকরা আশঙ্কা করছেন, এটিও শিগগিরই ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক হতে পারে।
২০০৭ সালে গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে ইসরায়েল সমুদ্রপথে কড়াকড়ি অবরোধ চালু করে। আন্তর্জাতিকভাবে বারবার এই অবরোধ ভাঙতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও ইসরায়েল প্রায় সবগুলো প্রতিহত করেছে।
সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ২০১০ সালে ঘটে, যখন ছয়টি নৌকা নিয়ে যাওয়া ফ্লোটিলায় ইসরায়েলি সেনাদের হামলায় ৯ কর্মী নিহত হন।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, গাজার দীর্ঘমেয়াদি অবরোধ সেখানে খাদ্য, ওষুধ ও মৌলিক প্রয়োজনীয় জিনিসের ঘাটতি তৈরি করছে। বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে #FreeGaza এবং #LetAidIn হ্যাশট্যাগে প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন