শারদীয় দুর্গোৎসবের সময় দেশের প্রায় ৮০০ মণ্ডপে অসুরের মুখে দাড়ি বসানোর ঘটনাকে ‘ধর্মীয় উস্কানি ও রাজনৈতিক প্ররোচনার অংশ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি অভিযোগ করেছেন, কিছু ‘ফ্যাসিস্ট বুদ্ধিজীবী’ ও তাদের সহযোগীরা এই কাজের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট ও দেশে সহিংসতা উসকে দিতে চেয়েছিল।
রোববার সচিবালয়ে কোর কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, দেশের ৭৯৩টি পূজামণ্ডপে অসুরের মুখে দাড়ি লাগানো হয়েছে।
তিনি বলেন, “কিছু চিহ্নিত করা গেছে, তদন্ত চলছে। তবে এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।”
তিনি আরও বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজায় বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের মুখের আদলে অসুর তৈরির খবর পাওয়া গেছে।
তার দাবি, ওই ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশের কিছু মণ্ডপে দাড়িওয়ালা অসুরের মূর্তি তৈরির মধ্যে ‘যোগসূত্র’ থাকতে পারে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, “ফ্যাসিস্ট ও তাদের দোসররা ধর্ষণের গুজব তুলে পার্বত্য চট্টগ্রাম অশান্ত করতে চেয়েছে, আবার পূজামণ্ডপে অসুরের মুখে দাঁড়ি লাগিয়ে সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরির চেষ্টা করেছে।”
তিনি দাবি করেন, সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা, গোয়েন্দা নজরদারি এবং মণ্ডপ কমিটির সহযোগিতায় এই চক্রান্ত নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, “এই বছর দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।”
ধর্ষণের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, “মেডিকেল রিপোর্টে কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।”
তিনি আরও জানান, পার্বত্য এলাকায় ১৪৪ ধারা ও অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বিদেশি প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে, ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন,
“জনগণ চাক্ষুষ সাক্ষী—তারা দেখেছে কী ঘটেছে। সত্য লুকানো যাবে না।”
বিষয় : অসুর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৫
শারদীয় দুর্গোৎসবের সময় দেশের প্রায় ৮০০ মণ্ডপে অসুরের মুখে দাড়ি বসানোর ঘটনাকে ‘ধর্মীয় উস্কানি ও রাজনৈতিক প্ররোচনার অংশ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি অভিযোগ করেছেন, কিছু ‘ফ্যাসিস্ট বুদ্ধিজীবী’ ও তাদের সহযোগীরা এই কাজের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট ও দেশে সহিংসতা উসকে দিতে চেয়েছিল।
রোববার সচিবালয়ে কোর কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, দেশের ৭৯৩টি পূজামণ্ডপে অসুরের মুখে দাড়ি লাগানো হয়েছে।
তিনি বলেন, “কিছু চিহ্নিত করা গেছে, তদন্ত চলছে। তবে এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।”
তিনি আরও বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজায় বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের মুখের আদলে অসুর তৈরির খবর পাওয়া গেছে।
তার দাবি, ওই ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশের কিছু মণ্ডপে দাড়িওয়ালা অসুরের মূর্তি তৈরির মধ্যে ‘যোগসূত্র’ থাকতে পারে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, “ফ্যাসিস্ট ও তাদের দোসররা ধর্ষণের গুজব তুলে পার্বত্য চট্টগ্রাম অশান্ত করতে চেয়েছে, আবার পূজামণ্ডপে অসুরের মুখে দাঁড়ি লাগিয়ে সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরির চেষ্টা করেছে।”
তিনি দাবি করেন, সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা, গোয়েন্দা নজরদারি এবং মণ্ডপ কমিটির সহযোগিতায় এই চক্রান্ত নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, “এই বছর দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।”
ধর্ষণের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, “মেডিকেল রিপোর্টে কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।”
তিনি আরও জানান, পার্বত্য এলাকায় ১৪৪ ধারা ও অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বিদেশি প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে, ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন,
“জনগণ চাক্ষুষ সাক্ষী—তারা দেখেছে কী ঘটেছে। সত্য লুকানো যাবে না।”

আপনার মতামত লিখুন