ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (আইএবি) অবিলম্বে প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতি চালুসহ তাদের পাঁচ দফা দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। দলটির নেতারা বলছেন, এই দাবিগুলো 'জনতার চাওয়া' পূরণ করবে এবং দেশে যেন আর কোনোদিন 'স্বৈরতন্ত্র' ফিরে না আসে, তা নিশ্চিত করবে। গত জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এসব দাবি নিয়ে শুক্রবার (১০ অক্টোবর) ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহসহ দেশের সব বিভাগীয় শহরে দ্বিতীয় দফার যুগপৎ গণমিছিল কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (আইএবি) শুক্রবার বিকেলে রাজধানীতে তাদের চলমান যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিশাল গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে। এদিন রাজধানী ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে গণমিছিল শুরুর আগে সমাবেশে বক্তারা সরকারের প্রতি তাদের দাবির প্রতি উদাসীনতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা দাবি করেন, দেশের অসংখ্য রাজনৈতিক দল ধারাবাহিকভাবে রাজপথে আন্দোলন করলেও সরকার এখনো কোনো সুস্পষ্ট উদ্যোগ নেয়নি।
বক্তারা তাদের দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরে বলেন, তাদের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে যারা 'সন্তানদের হত্যা করেছে' এবং হত্যাকাণ্ডে সহায়তা করেছে, তাদের বিচার নিশ্চিত করা। নেতারা 'জুলাইয়ের রক্তের চাহিদা' হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ঐ আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল দেশ থেকে স্বৈরতন্ত্রের চিরস্থায়ী বিলোপের ব্যবস্থা করা। আর সেই লক্ষ্য পূরণের জন্যই তারা নির্বাচনী ব্যবস্থায় পিআর পদ্ধতি প্রবর্তনের প্রস্তাব করছেন, যাতে ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদলে কোনো এক পক্ষের একক আধিপত্যের সুযোগ না থাকে।
আইএবি'র ৫ দফা দাবির মূল বিষয়বস্তুগুলো হলো:
ঢাকায় বৃষ্টির কারণে আছরের নামাজের পর গণমিছিল শুরু হয়। এতে নেতৃত্ব দেন দলের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই, এবং উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, শায়েখে চরমোনাইসহ শীর্ষ নেতারা। দলের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন এবং মাওলানা ইমতিয়াজ আলম ছিলেন প্রধান বক্তা। এই গণমিছিলের মাধ্যমে ইসলামী আন্দোলন স্বৈরতন্ত্রের অবসানের দাবিতে রাজপথে তাদের চাপ অব্যাহত রাখার বার্তা দিল।
বিষয় : আইএবি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৫
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (আইএবি) অবিলম্বে প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতি চালুসহ তাদের পাঁচ দফা দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। দলটির নেতারা বলছেন, এই দাবিগুলো 'জনতার চাওয়া' পূরণ করবে এবং দেশে যেন আর কোনোদিন 'স্বৈরতন্ত্র' ফিরে না আসে, তা নিশ্চিত করবে। গত জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এসব দাবি নিয়ে শুক্রবার (১০ অক্টোবর) ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহসহ দেশের সব বিভাগীয় শহরে দ্বিতীয় দফার যুগপৎ গণমিছিল কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (আইএবি) শুক্রবার বিকেলে রাজধানীতে তাদের চলমান যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিশাল গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে। এদিন রাজধানী ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে গণমিছিল শুরুর আগে সমাবেশে বক্তারা সরকারের প্রতি তাদের দাবির প্রতি উদাসীনতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা দাবি করেন, দেশের অসংখ্য রাজনৈতিক দল ধারাবাহিকভাবে রাজপথে আন্দোলন করলেও সরকার এখনো কোনো সুস্পষ্ট উদ্যোগ নেয়নি।
বক্তারা তাদের দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরে বলেন, তাদের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে যারা 'সন্তানদের হত্যা করেছে' এবং হত্যাকাণ্ডে সহায়তা করেছে, তাদের বিচার নিশ্চিত করা। নেতারা 'জুলাইয়ের রক্তের চাহিদা' হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ঐ আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল দেশ থেকে স্বৈরতন্ত্রের চিরস্থায়ী বিলোপের ব্যবস্থা করা। আর সেই লক্ষ্য পূরণের জন্যই তারা নির্বাচনী ব্যবস্থায় পিআর পদ্ধতি প্রবর্তনের প্রস্তাব করছেন, যাতে ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদলে কোনো এক পক্ষের একক আধিপত্যের সুযোগ না থাকে।
আইএবি'র ৫ দফা দাবির মূল বিষয়বস্তুগুলো হলো:
ঢাকায় বৃষ্টির কারণে আছরের নামাজের পর গণমিছিল শুরু হয়। এতে নেতৃত্ব দেন দলের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই, এবং উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, শায়েখে চরমোনাইসহ শীর্ষ নেতারা। দলের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন এবং মাওলানা ইমতিয়াজ আলম ছিলেন প্রধান বক্তা। এই গণমিছিলের মাধ্যমে ইসলামী আন্দোলন স্বৈরতন্ত্রের অবসানের দাবিতে রাজপথে তাদের চাপ অব্যাহত রাখার বার্তা দিল।

আপনার মতামত লিখুন