বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাধারণ পরিষদের ৮ম অধিবেশন ও জরুরি কেন্দ্রীয় শূরা অধিবেশনে রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সংগঠনটি ৯টি প্রস্তাব গৃহীত করে, যেখানে ইসলামী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, সংবিধান সংশোধন, সীমান্ত হত্যা বন্ধ, ফিলিস্তিনে আগ্রাসনের প্রতিবাদসহ নানা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যু অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মতিঝিলের মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাধারণ পরিষদের ৮ম অধিবেশন।
অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক এবং পরিচালনা করেন মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ ও যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন।
সারাদেশ থেকে আগত প্রায় দুই হাজার তৃণমূল নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, জোট গঠন এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।
মাওলানা মামুনুল হক বলেন, “আমাদের যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে হবে ইসলাম, দেশ ও সংগঠনের কল্যাণ বিবেচনা করে। রাজনীতিতে কাউকেই স্থায়ী বন্ধু বা শত্রু ভাবা যায় না।”
তিনি সংগঠনের প্রার্থীদের উদ্দেশে আহ্বান জানান— “বিজয়ী না হলেও জনগণের পাশে থেকে ইসলামী আন্দোলনের বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।”
বিকেলে অনুষ্ঠিত জরুরি কেন্দ্রীয় শূরা অধিবেশনে নয়টি প্রস্তাব গৃহীত হয়।
গৃহীত ৯ দফা প্রস্তাবের সারসংক্ষেপ:
১ সংবিধানে আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা পুনঃস্থাপন — ধর্মনিরপেক্ষতা বাতিল ও ইসলামবিরোধী আইন অকার্যকর ঘোষণা।
২. আল্লাহ, রাসূল (সা.) ও ইসলামের অবমাননার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নির্ধারণ।
৩. জুলাই সনদের আইনি স্বীকৃতি ও গণভোটের দাবি।
৪. ফিলিস্তিন ও ভারতের মুসলিম নিধন বন্ধে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান।
৫. কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা।
৬. সীমান্ত হত্যা বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার।
৭. ইসকনসহ হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসন মোকাবেলায় কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা।
৮. পশ্চিম তীরকে ইসরাইলের অন্তর্ভুক্তি পরিকল্পনার তীব্র প্রতিবাদ।
৯. বিশ্ব মুসলিম ঐক্য ও খেলাফত প্রতিষ্ঠার আহ্বান।
বক্তারা বলেন, ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠাই ন্যায়বিচার, শান্তি ও মানবিক সমাজ গঠনের একমাত্র পথ। ইসলামী নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ রাজনীতি ছাড়া জাতির মুক্তি সম্ভব নয়।
অধিবেশনে মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, মাওলানা আফজালুর রহমান, মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।
সবশেষে জাতির কল্যাণে সঠিক সিদ্ধান্ত ও ঐক্যের জন্য দোয়া করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৫
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাধারণ পরিষদের ৮ম অধিবেশন ও জরুরি কেন্দ্রীয় শূরা অধিবেশনে রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সংগঠনটি ৯টি প্রস্তাব গৃহীত করে, যেখানে ইসলামী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, সংবিধান সংশোধন, সীমান্ত হত্যা বন্ধ, ফিলিস্তিনে আগ্রাসনের প্রতিবাদসহ নানা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যু অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মতিঝিলের মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাধারণ পরিষদের ৮ম অধিবেশন।
অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক এবং পরিচালনা করেন মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ ও যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন।
সারাদেশ থেকে আগত প্রায় দুই হাজার তৃণমূল নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, জোট গঠন এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।
মাওলানা মামুনুল হক বলেন, “আমাদের যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে হবে ইসলাম, দেশ ও সংগঠনের কল্যাণ বিবেচনা করে। রাজনীতিতে কাউকেই স্থায়ী বন্ধু বা শত্রু ভাবা যায় না।”
তিনি সংগঠনের প্রার্থীদের উদ্দেশে আহ্বান জানান— “বিজয়ী না হলেও জনগণের পাশে থেকে ইসলামী আন্দোলনের বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।”
বিকেলে অনুষ্ঠিত জরুরি কেন্দ্রীয় শূরা অধিবেশনে নয়টি প্রস্তাব গৃহীত হয়।
গৃহীত ৯ দফা প্রস্তাবের সারসংক্ষেপ:
১ সংবিধানে আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা পুনঃস্থাপন — ধর্মনিরপেক্ষতা বাতিল ও ইসলামবিরোধী আইন অকার্যকর ঘোষণা।
২. আল্লাহ, রাসূল (সা.) ও ইসলামের অবমাননার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নির্ধারণ।
৩. জুলাই সনদের আইনি স্বীকৃতি ও গণভোটের দাবি।
৪. ফিলিস্তিন ও ভারতের মুসলিম নিধন বন্ধে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান।
৫. কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা।
৬. সীমান্ত হত্যা বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার।
৭. ইসকনসহ হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসন মোকাবেলায় কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা।
৮. পশ্চিম তীরকে ইসরাইলের অন্তর্ভুক্তি পরিকল্পনার তীব্র প্রতিবাদ।
৯. বিশ্ব মুসলিম ঐক্য ও খেলাফত প্রতিষ্ঠার আহ্বান।
বক্তারা বলেন, ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠাই ন্যায়বিচার, শান্তি ও মানবিক সমাজ গঠনের একমাত্র পথ। ইসলামী নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ রাজনীতি ছাড়া জাতির মুক্তি সম্ভব নয়।
অধিবেশনে মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, মাওলানা আফজালুর রহমান, মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।
সবশেষে জাতির কল্যাণে সঠিক সিদ্ধান্ত ও ঐক্যের জন্য দোয়া করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন