তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৩তম হিফজুল কোরআন অ্যাওয়ার্ড ও কোরআন উৎসব। এবারের আয়োজনে সারা দেশের ১৭১৫ জন কোরআনের হাফেজ ও তাদের বাবা-মাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়, যা দেশের অন্যতম বৃহৎ কোরআনভিত্তিক অনুষ্ঠান হিসেবে প্রশংসিত হয়েছে।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ১৩তম হিফজুল কোরআন অ্যাওয়ার্ড ও কোরআন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে সারা দেশের বিভিন্ন শাখা থেকে আগত ১৭১৫ জন হাফেজে কোরআনকে সম্মাননা হিসেবে ক্রেস্ট, সনদ, পাগড়ি বা স্কার্ফ ও ব্যাগ প্রদান করা হয়।
প্রতি বছর পবিত্র কোরআনের হাফেজদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দেওয়ার লক্ষ্যে এ আয়োজন করে আসছে তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন। এবারের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন, আন্তর্জাতিক মুফাসসির ড. মিজানুর রহমান আজহারী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি আবু সাদিক কায়েম, বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মিঞা মো. নুরুল হক, চট্টগ্রাম আন্দারকিল্লা শাহী জামে মসজিদের খতিব সাইয়্যেদ আনোয়ার হোসাইন তাহের আহমাদ জাবেরী আল-মাদানী, আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. সামসুল আলম এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্বারী আহমাদত বিন ইউছুফসহ দেশবরেণ্য ইসলামি ব্যক্তিত্বরা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাবীবুল্লাহ মুহাম্মদ ইকবাল। উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ভাইস চেয়ারম্যান ড. মীম আতিকুল্লাহ, মুহাম্মাদ আব্দুল আলীম, সিনিয়র ডিরেক্টর আ. ন. মু. রাশিদুল ইসলাম সায়েমসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য পরিচালক ও কর্মকর্তারা।
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, “তানযীমুল উম্মাহর প্রতি আমাদের গভীর আস্থা রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি এখান থেকে এমন সৎ ও যোগ্য প্রজন্ম গড়ে উঠবে, যারা ভবিষ্যতে দেশ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
উৎসবস্থল পবিত্র কোরআনের তেলাওয়াত, হামদ-নাত, ইসলামি সংগীত, বক্তৃতা, কবিতা আবৃত্তি ও সুললিত কণ্ঠের সুরে মুখরিত হয়ে ওঠে। সকাল থেকেই হাজারো হাফেজ, শিক্ষক, অভিভাবক ও অতিথিদের পদচারণায় প্রাঙ্গণ পরিণত হয় এক মহিমান্বিত মিলনমেলায়। হাফেজদের সাদা পোশাক ও পাগড়ি, ছাত্রীদের নীল-সাদা সমন্বিত পোষাক এবং কাঁধে তানযীমুল উম্মাহর লোগোসংবলিত উত্তরীয় অনুষ্ঠানে সৌন্দর্যের এক অনন্য আবহ তৈরি করে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৫
তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৩তম হিফজুল কোরআন অ্যাওয়ার্ড ও কোরআন উৎসব। এবারের আয়োজনে সারা দেশের ১৭১৫ জন কোরআনের হাফেজ ও তাদের বাবা-মাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়, যা দেশের অন্যতম বৃহৎ কোরআনভিত্তিক অনুষ্ঠান হিসেবে প্রশংসিত হয়েছে।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ১৩তম হিফজুল কোরআন অ্যাওয়ার্ড ও কোরআন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে সারা দেশের বিভিন্ন শাখা থেকে আগত ১৭১৫ জন হাফেজে কোরআনকে সম্মাননা হিসেবে ক্রেস্ট, সনদ, পাগড়ি বা স্কার্ফ ও ব্যাগ প্রদান করা হয়।
প্রতি বছর পবিত্র কোরআনের হাফেজদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দেওয়ার লক্ষ্যে এ আয়োজন করে আসছে তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন। এবারের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন, আন্তর্জাতিক মুফাসসির ড. মিজানুর রহমান আজহারী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি আবু সাদিক কায়েম, বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মিঞা মো. নুরুল হক, চট্টগ্রাম আন্দারকিল্লা শাহী জামে মসজিদের খতিব সাইয়্যেদ আনোয়ার হোসাইন তাহের আহমাদ জাবেরী আল-মাদানী, আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. সামসুল আলম এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্বারী আহমাদত বিন ইউছুফসহ দেশবরেণ্য ইসলামি ব্যক্তিত্বরা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাবীবুল্লাহ মুহাম্মদ ইকবাল। উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ভাইস চেয়ারম্যান ড. মীম আতিকুল্লাহ, মুহাম্মাদ আব্দুল আলীম, সিনিয়র ডিরেক্টর আ. ন. মু. রাশিদুল ইসলাম সায়েমসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য পরিচালক ও কর্মকর্তারা।
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, “তানযীমুল উম্মাহর প্রতি আমাদের গভীর আস্থা রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি এখান থেকে এমন সৎ ও যোগ্য প্রজন্ম গড়ে উঠবে, যারা ভবিষ্যতে দেশ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
উৎসবস্থল পবিত্র কোরআনের তেলাওয়াত, হামদ-নাত, ইসলামি সংগীত, বক্তৃতা, কবিতা আবৃত্তি ও সুললিত কণ্ঠের সুরে মুখরিত হয়ে ওঠে। সকাল থেকেই হাজারো হাফেজ, শিক্ষক, অভিভাবক ও অতিথিদের পদচারণায় প্রাঙ্গণ পরিণত হয় এক মহিমান্বিত মিলনমেলায়। হাফেজদের সাদা পোশাক ও পাগড়ি, ছাত্রীদের নীল-সাদা সমন্বিত পোষাক এবং কাঁধে তানযীমুল উম্মাহর লোগোসংবলিত উত্তরীয় অনুষ্ঠানে সৌন্দর্যের এক অনন্য আবহ তৈরি করে।

আপনার মতামত লিখুন