তুরস্ক ও কাতারের মধ্যস্থতায় ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান–আফগানিস্তান বৈঠক ফলপ্রসূ হয়নি। পাকিস্তান জানিয়েছে, আলোচনায় আফগান পক্ষ মূল ইস্যু থেকে সরে গিয়ে সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতায় পর্যাপ্ত নিশ্চয়তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, “ইস্তাম্বুলে আফগানিস্তানের সঙ্গে আমাদের আলোচনায় কোনো বাস্তবসম্মত সমাধান আসেনি, কারণ আফগান পক্ষ সংলাপের মূল বিষয় থেকে বারবার সরে গেছে।”
তিনি জানান, ইসলামাবাদ সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতার বিষয়ে কাবুলের কাছ থেকে পর্যাপ্ত নিশ্চয়তা পায়নি। তারার তুরস্ক ও কাতার সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “দুই দেশই সন্ত্রাস সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করেছে।” তিনি আরও যোগ করেন, পাকিস্তান সন্ত্রাস দমনে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে।
পাকিস্তানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার ইস্তাম্বুলে ইসলামাবাদ ও কাবুলের প্রতিনিধি দল শান্তিচুক্তির অগ্রগতি নিয়ে বৈঠক করেছে। আফগান সংবাদমাধ্যম ‘তোলা নিউজ’ জানায়, দুই দেশ সম্প্রতি তুরস্ক ও কাতারের মধ্যস্থতায় ঘোষিত যুদ্ধবিরতির বাস্তবায়ন ও সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেছে।
এর আগে, ৯ অক্টোবর পাকিস্তানি বিমানবাহিনী কাবুল ও সীমান্তবর্তী পাকতিয়া প্রদেশে বিমান হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। দু’দিন পর ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ (টিটিপি) খাইবার পাখতুনখওয়া প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার দায় স্বীকার করে, যাতে বহু পুলিশ ও বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়।
১৫ অক্টোবর পাকিস্তান ও আফগানিস্তান ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়, যা পরে দোহায় অনুষ্ঠিত আলোচনার মাধ্যমে বাড়ানো হয়। অবশেষে ১৯ অক্টোবর উভয় দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে এবং পরবর্তী বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করতে সম্মত হয়।
বিষয় : পাকিস্তান আফগানিস্তান

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৫
তুরস্ক ও কাতারের মধ্যস্থতায় ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান–আফগানিস্তান বৈঠক ফলপ্রসূ হয়নি। পাকিস্তান জানিয়েছে, আলোচনায় আফগান পক্ষ মূল ইস্যু থেকে সরে গিয়ে সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতায় পর্যাপ্ত নিশ্চয়তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, “ইস্তাম্বুলে আফগানিস্তানের সঙ্গে আমাদের আলোচনায় কোনো বাস্তবসম্মত সমাধান আসেনি, কারণ আফগান পক্ষ সংলাপের মূল বিষয় থেকে বারবার সরে গেছে।”
তিনি জানান, ইসলামাবাদ সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতার বিষয়ে কাবুলের কাছ থেকে পর্যাপ্ত নিশ্চয়তা পায়নি। তারার তুরস্ক ও কাতার সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “দুই দেশই সন্ত্রাস সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করেছে।” তিনি আরও যোগ করেন, পাকিস্তান সন্ত্রাস দমনে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে।
পাকিস্তানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার ইস্তাম্বুলে ইসলামাবাদ ও কাবুলের প্রতিনিধি দল শান্তিচুক্তির অগ্রগতি নিয়ে বৈঠক করেছে। আফগান সংবাদমাধ্যম ‘তোলা নিউজ’ জানায়, দুই দেশ সম্প্রতি তুরস্ক ও কাতারের মধ্যস্থতায় ঘোষিত যুদ্ধবিরতির বাস্তবায়ন ও সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেছে।
এর আগে, ৯ অক্টোবর পাকিস্তানি বিমানবাহিনী কাবুল ও সীমান্তবর্তী পাকতিয়া প্রদেশে বিমান হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। দু’দিন পর ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ (টিটিপি) খাইবার পাখতুনখওয়া প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার দায় স্বীকার করে, যাতে বহু পুলিশ ও বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়।
১৫ অক্টোবর পাকিস্তান ও আফগানিস্তান ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়, যা পরে দোহায় অনুষ্ঠিত আলোচনার মাধ্যমে বাড়ানো হয়। অবশেষে ১৯ অক্টোবর উভয় দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে এবং পরবর্তী বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করতে সম্মত হয়।

আপনার মতামত লিখুন