বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কওমী টাইমস

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, মাত্র এক দিনে আহত ২৫৩ জন—তাদের মধ্যে রয়েছেন ডজনখানেক শিশু ও নারী

গাজায় নতুন ইসরায়েলি হামলায় ৪৬ শিশুসহ ১০৪ ফিলিস্তিনি নিহত


কওমী টাইমস ডেস্ক
কওমী টাইমস ডেস্ক
প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

গাজায় নতুন ইসরায়েলি হামলায় ৪৬ শিশুসহ ১০৪ ফিলিস্তিনি নিহত

গাজায় আবারও ভয়াবহ রক্তপাত। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি বিমান ও গোলাবর্ষণে অন্তত ১০৪ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং ২৫৩ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছে ৪৬ শিশু ও ২০ নারী—যা আবারও মানবিক বিপর্যয়ের গভীরতা প্রকাশ করছে।

গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বুধবার জানায়, সাম্প্রতিক ইসরায়েলি আগ্রাসনে নিহত ও আহতদের মধ্যে অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক। মঙ্গলবার রাতে শুরু হওয়া এই হামলায় ইসরায়েলি সেনারা দাবি করেছে, তারা রাফাহ শহরে নিজেদের বাহিনীর ওপর গুলিবর্ষণের প্রতিশোধ নিচ্ছে, যেখানে এক ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়। তবে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠন হামাস এই ঘটনার সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছে।

বুধবার সকালে ইসরায়েল ঘোষণা দেয় যে, তারা হামাসের সঙ্গে করা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ফিরে যাবে। তবে এর আগেই গাজা জুড়ে তীব্র বোমাবর্ষণ চলেছে, যার ফলে বহু বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং হাসপাতালগুলোতে আহতদের ঢল নেমেছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ২১১ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫৯৭ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে আরও ৪৮২টি মৃতদেহ—যারা সম্ভবত আগের হামলাগুলোর সময়ই নিহত হয়েছিলেন।

২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই ‘গণহত্যামূলক যুদ্ধ’-এ এখন পর্যন্ত মোট ৬৮ হাজার ৬৪৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭০ হাজার ৬৫৫ জন আহত হয়েছেন। সর্বশেষ হামলার আগেও ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও ৮টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো গাজায় ক্রমবর্ধমান এই মানবিক বিপর্যয়ের নিন্দা জানিয়ে বলেছে, “এই ধ্বংসযজ্ঞের শেষ না হলে, মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি আর কোনোভাবেই ফিরে আসবে না।”

বিষয় : গাজা ফিলিস্তিন

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


গাজায় নতুন ইসরায়েলি হামলায় ৪৬ শিশুসহ ১০৪ ফিলিস্তিনি নিহত

প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৫

featured Image

গাজায় আবারও ভয়াবহ রক্তপাত। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি বিমান ও গোলাবর্ষণে অন্তত ১০৪ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং ২৫৩ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছে ৪৬ শিশু ও ২০ নারী—যা আবারও মানবিক বিপর্যয়ের গভীরতা প্রকাশ করছে।

গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বুধবার জানায়, সাম্প্রতিক ইসরায়েলি আগ্রাসনে নিহত ও আহতদের মধ্যে অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক। মঙ্গলবার রাতে শুরু হওয়া এই হামলায় ইসরায়েলি সেনারা দাবি করেছে, তারা রাফাহ শহরে নিজেদের বাহিনীর ওপর গুলিবর্ষণের প্রতিশোধ নিচ্ছে, যেখানে এক ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়। তবে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠন হামাস এই ঘটনার সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছে।

বুধবার সকালে ইসরায়েল ঘোষণা দেয় যে, তারা হামাসের সঙ্গে করা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ফিরে যাবে। তবে এর আগেই গাজা জুড়ে তীব্র বোমাবর্ষণ চলেছে, যার ফলে বহু বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং হাসপাতালগুলোতে আহতদের ঢল নেমেছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ২১১ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫৯৭ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে আরও ৪৮২টি মৃতদেহ—যারা সম্ভবত আগের হামলাগুলোর সময়ই নিহত হয়েছিলেন।

২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই ‘গণহত্যামূলক যুদ্ধ’-এ এখন পর্যন্ত মোট ৬৮ হাজার ৬৪৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭০ হাজার ৬৫৫ জন আহত হয়েছেন। সর্বশেষ হামলার আগেও ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও ৮টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো গাজায় ক্রমবর্ধমান এই মানবিক বিপর্যয়ের নিন্দা জানিয়ে বলেছে, “এই ধ্বংসযজ্ঞের শেষ না হলে, মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি আর কোনোভাবেই ফিরে আসবে না।”


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মুস্তাইন বিল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ কওমী টাইমস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত