প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণ করবে। তিনি বলেন, অংশগ্রহণমূলক, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও এগিয়ে নেবে।
সোমবার (৩ নভেম্বর) সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন জাতীয় নির্বাচনে আনসার-ভিডিপির ভোটকেন্দ্র নিরাপত্তা মহড়া ও ২০২৫-২৬ সালের চতুর্থ ধাপের আনসার কোম্পানি/প্লাটুন সদস্যদের মৌলিক প্রশিক্ষণ পরিদর্শন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিতে হলে শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, ভোটার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিক—সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। সবার সমন্বয় ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। আমি শুধু চিফ ইলেকশন কমিশনার নই, একজন নাগরিক হিসেবেও দায়িত্বশীল।”
সিইসি আনসার-ভিডিপি প্রশিক্ষণকে ‘বিনিয়োগ’ আখ্যা দিয়ে বলেন, “আনসার-ভিডিপি বাহিনী নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবে। যত বেশি প্রশিক্ষণ, দায়িত্ব পালনে দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস তত বেশি।”
তিনি ভোটার সচেতনতার গুরুত্বেও জোর দেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া তথ্য ও এআই-ভিত্তিক ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়া থেকে সাবধান হওয়ার পরামর্শ দেন। এজন্য নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ সেল গঠন করেছে, যা ভুয়া তথ্য যাচাই ও প্রতিরোধে কাজ করবে।
সিইসি আরও জানান, এবার থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও নিজের ভোট দিতে পারবেন। নির্বাচনের জন্য ১৬ নভেম্বর ‘পোস্টাল ভোটিং এপ’ চালু হবে, যার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করা কর্মকর্তারা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন। প্রবাসী ভোটার এবং আইনি হেফাজতে থাকা নাগরিকদের ভোটাধিকারও নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, “নির্বাচনে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পুরোপুরি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার হবে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত আনসার সদস্যরা তাৎক্ষণিক ইনসিডেন্ট রিপোর্ট ও ছবি আপলোড করবেন, যা সংশ্লিষ্ট রেসপন্স টিম সঙ্গে সঙ্গে দেখতে এবং ব্যবস্থা নিতে পারবে।”
তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে ১৮–২৫ বছর বয়সী তরুণ সদস্যরা মূল ভূমিকা পালন করবে। মোতায়েন প্রক্রিয়া হবে ডিজিটাল এভিআইএমএস সফটওয়্যারের মাধ্যমে, যেখানে শতভাগ সদস্যের ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। আগের মতো গ্রুপভিত্তিক মোতায়েনের প্রচলন বন্ধ করা হয়েছে, যা নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।
সিইসি নাসির উদ্দিন আশা প্রকাশ করেন, প্রশিক্ষিত আনসার-ভিডিপি সদস্যরা দায়িত্বশীলভাবে কর্তব্য পালন করে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৫
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণ করবে। তিনি বলেন, অংশগ্রহণমূলক, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও এগিয়ে নেবে।
সোমবার (৩ নভেম্বর) সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন জাতীয় নির্বাচনে আনসার-ভিডিপির ভোটকেন্দ্র নিরাপত্তা মহড়া ও ২০২৫-২৬ সালের চতুর্থ ধাপের আনসার কোম্পানি/প্লাটুন সদস্যদের মৌলিক প্রশিক্ষণ পরিদর্শন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিতে হলে শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, ভোটার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিক—সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। সবার সমন্বয় ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। আমি শুধু চিফ ইলেকশন কমিশনার নই, একজন নাগরিক হিসেবেও দায়িত্বশীল।”
সিইসি আনসার-ভিডিপি প্রশিক্ষণকে ‘বিনিয়োগ’ আখ্যা দিয়ে বলেন, “আনসার-ভিডিপি বাহিনী নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবে। যত বেশি প্রশিক্ষণ, দায়িত্ব পালনে দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস তত বেশি।”
তিনি ভোটার সচেতনতার গুরুত্বেও জোর দেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া তথ্য ও এআই-ভিত্তিক ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়া থেকে সাবধান হওয়ার পরামর্শ দেন। এজন্য নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ সেল গঠন করেছে, যা ভুয়া তথ্য যাচাই ও প্রতিরোধে কাজ করবে।
সিইসি আরও জানান, এবার থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও নিজের ভোট দিতে পারবেন। নির্বাচনের জন্য ১৬ নভেম্বর ‘পোস্টাল ভোটিং এপ’ চালু হবে, যার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করা কর্মকর্তারা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন। প্রবাসী ভোটার এবং আইনি হেফাজতে থাকা নাগরিকদের ভোটাধিকারও নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, “নির্বাচনে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পুরোপুরি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার হবে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত আনসার সদস্যরা তাৎক্ষণিক ইনসিডেন্ট রিপোর্ট ও ছবি আপলোড করবেন, যা সংশ্লিষ্ট রেসপন্স টিম সঙ্গে সঙ্গে দেখতে এবং ব্যবস্থা নিতে পারবে।”
তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে ১৮–২৫ বছর বয়সী তরুণ সদস্যরা মূল ভূমিকা পালন করবে। মোতায়েন প্রক্রিয়া হবে ডিজিটাল এভিআইএমএস সফটওয়্যারের মাধ্যমে, যেখানে শতভাগ সদস্যের ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। আগের মতো গ্রুপভিত্তিক মোতায়েনের প্রচলন বন্ধ করা হয়েছে, যা নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।
সিইসি নাসির উদ্দিন আশা প্রকাশ করেন, প্রশিক্ষিত আনসার-ভিডিপি সদস্যরা দায়িত্বশীলভাবে কর্তব্য পালন করে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

আপনার মতামত লিখুন