২০০৭ সালে গ্রেপ্তারের পর থেকে টানা ১৭ বছর কারাভোগের পর মুক্তি পেয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর। মুক্তির পর তিনি পুনরায় রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোণা-৪ আসন থেকে প্রার্থী হবেন বলে নিশ্চিত করেছে বিএনপি।
সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন। সেখানে বাবরের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
লুৎফুজ্জামান বাবর ১৯৯১ সালে প্রথমবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নেত্রকোণা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোটের প্রার্থী হিসেবে পরপর দুইবার সংসদ সদস্য হন এবং স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৪ সালের ১ এপ্রিল চট্টগ্রামের সিইউএফএল ঘাট থেকে ১০ ট্রাকভর্তি অস্ত্র জব্দের মামলায় তিনি দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। মামলাটিতে প্রথমে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও, পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন মামলায় উচ্চ আদালতে খালাস পান।
২০২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পান বাবর। এরপর ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর দুর্নীতির মামলায় ৮ বছরের দণ্ড থেকে এবং ১ ডিসেম্বর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার মৃত্যুদণ্ড থেকেও খালাস পান। সর্বশেষ ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন সাজা থেকেও খালাসপ্রাপ্ত হন তিনি।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৫
২০০৭ সালে গ্রেপ্তারের পর থেকে টানা ১৭ বছর কারাভোগের পর মুক্তি পেয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর। মুক্তির পর তিনি পুনরায় রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোণা-৪ আসন থেকে প্রার্থী হবেন বলে নিশ্চিত করেছে বিএনপি।
সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন। সেখানে বাবরের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
লুৎফুজ্জামান বাবর ১৯৯১ সালে প্রথমবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নেত্রকোণা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোটের প্রার্থী হিসেবে পরপর দুইবার সংসদ সদস্য হন এবং স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৪ সালের ১ এপ্রিল চট্টগ্রামের সিইউএফএল ঘাট থেকে ১০ ট্রাকভর্তি অস্ত্র জব্দের মামলায় তিনি দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। মামলাটিতে প্রথমে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও, পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন মামলায় উচ্চ আদালতে খালাস পান।
২০২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পান বাবর। এরপর ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর দুর্নীতির মামলায় ৮ বছরের দণ্ড থেকে এবং ১ ডিসেম্বর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার মৃত্যুদণ্ড থেকেও খালাস পান। সর্বশেষ ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন সাজা থেকেও খালাসপ্রাপ্ত হন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন