আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে দলের প্রার্থী হয়েছেন। মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং জানান, এটি তার রাজনৈতিক জীবনের শেষ নির্বাচন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে তিনি বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন। মঙ্গলবার (তারিখ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, “মহান আল্লাহর রহমতে বিএনপি আমাকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মনোনীত করেছে। আমি বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ সকল নেতা-নেত্রী এবং কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। দলের প্রতি আমার আজীবনের ভালোবাসা ও আস্থা অটুট থাকবে।”
নিজের রাজনৈতিক জীবনের নানা দুঃসময় স্মরণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, “আমরা যারা সারাজীবন রাজনীতি করেছি, জেলে গেছি—আমাদের প্রত্যেকেরই অনেক না-বলা গল্প আছে। ১৯৮৭ সালে যখন আমি সিদ্ধান্ত নেই আবার রাজনীতিতে ফিরব, আমার মেয়েরা ছিল একদম ছোট, স্ত্রী তখনও তরুণী। সে বুঝতে পারছিল না কী ভয়াবহ অনিশ্চয়তার পথে আমরা পা বাড়াচ্ছি।”
তিনি আবেগভরে আরও লেখেন, “মনে পড়ে, আমার বড় মেয়ের একবার অপারেশন হচ্ছিল—আমি সারারাত গাড়িতে ছিলাম, ঢাকার পথে, শুধু যেন তার পাশে থাকতে পারি। তখন এত কষ্ট হচ্ছিল যে আমি মসজিদে বসে দোয়া করেছিলাম। এরকম গল্প আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মীর জীবনে আছে।”
নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “এই নির্বাচন আমার শেষ নির্বাচন। যারা মনোনয়ন পাননি—বিশ্বাস রাখুন, ইনশাআল্লাহ দল আপনাদের যথাযথ দায়িত্ব ও সম্মান দেবে। সবাই দোয়া করবেন আমাদের জন্য। আমরা জনগণের পাশে থাকব, একসঙ্গে কাজ করব ইনশাআল্লাহ।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মির্জা ফখরুলের এই ঘোষণা তার দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রার এক আবেগঘন পরিণতি, যা বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে আসন্ন প্রজন্মের নেতৃত্ব পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দিতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৫
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে দলের প্রার্থী হয়েছেন। মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং জানান, এটি তার রাজনৈতিক জীবনের শেষ নির্বাচন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে তিনি বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন। মঙ্গলবার (তারিখ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, “মহান আল্লাহর রহমতে বিএনপি আমাকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মনোনীত করেছে। আমি বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ সকল নেতা-নেত্রী এবং কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। দলের প্রতি আমার আজীবনের ভালোবাসা ও আস্থা অটুট থাকবে।”
নিজের রাজনৈতিক জীবনের নানা দুঃসময় স্মরণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, “আমরা যারা সারাজীবন রাজনীতি করেছি, জেলে গেছি—আমাদের প্রত্যেকেরই অনেক না-বলা গল্প আছে। ১৯৮৭ সালে যখন আমি সিদ্ধান্ত নেই আবার রাজনীতিতে ফিরব, আমার মেয়েরা ছিল একদম ছোট, স্ত্রী তখনও তরুণী। সে বুঝতে পারছিল না কী ভয়াবহ অনিশ্চয়তার পথে আমরা পা বাড়াচ্ছি।”
তিনি আবেগভরে আরও লেখেন, “মনে পড়ে, আমার বড় মেয়ের একবার অপারেশন হচ্ছিল—আমি সারারাত গাড়িতে ছিলাম, ঢাকার পথে, শুধু যেন তার পাশে থাকতে পারি। তখন এত কষ্ট হচ্ছিল যে আমি মসজিদে বসে দোয়া করেছিলাম। এরকম গল্প আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মীর জীবনে আছে।”
নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “এই নির্বাচন আমার শেষ নির্বাচন। যারা মনোনয়ন পাননি—বিশ্বাস রাখুন, ইনশাআল্লাহ দল আপনাদের যথাযথ দায়িত্ব ও সম্মান দেবে। সবাই দোয়া করবেন আমাদের জন্য। আমরা জনগণের পাশে থাকব, একসঙ্গে কাজ করব ইনশাআল্লাহ।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মির্জা ফখরুলের এই ঘোষণা তার দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রার এক আবেগঘন পরিণতি, যা বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে আসন্ন প্রজন্মের নেতৃত্ব পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন