জুলাই গণঅভ্যুত্থারের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে ঘোষিত মৃত্যুদণ্ডের রায়কে “ফ্যাসিবাদ ও জুলুমের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত” হিসেবে বর্ণনা করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। দলটির শীর্ষ নেতারা বলছেন, এই রায় দেশের জনগণের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ন্যায়বিচারের প্রতিফলন।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, গত ১৬ বছরের স্বৈরশাসন, গুম-খুন, জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা এবং উলামায়ে কেরামসহ দেশপ্রেমী নাগরিকদের ওপর পরিচালিত দমনপীড়নের দায় আজ আইনের কাঠগড়ায় প্রতিফলিত হয়েছে। দলটির আমির মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক এবং মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, ঘোষিত রায় আল্লাহর ন্যায়বিচারের সুস্পষ্ট প্রকাশ এবং অবিচারের বিরুদ্ধে এক মাইলফলক।
বিবৃতিতে বলা হয়, দেশে দীর্ঘদিন ধরে যে দুর্নীতিমূলক, দমনমূলক ও ফ্যাসিবাদী রাজনীতি চলছিল—আজকের রায় সেই শাসনের অন্তর্নিহিত অবিচারের বিচারিক স্বীকৃতি। তাঁরা হাদিস উদ্ধৃত করে বলেন, “আল্লাহ জালিমকে অবকাশ দেন; কিন্তু যখন তাঁকে ধরেন, তখন রেহাই দেন না”—এ রায় তারই প্রমাণ।
নেতারা বলেন, এটি শুধু একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে রায় নয়; বরং জুলুম, স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এক চূড়ান্ত সতর্কবার্তা। জুলুমের রাজনীতি টেকসই হয় না, জুলুমকারীরা শেষ পর্যন্ত ধ্বংস হয়—এই বাস্তবতা আজ পুনরায় সামনে এসেছে। খেলাফত মজলিস জনগণকে শান্তি, সংযম ও ধৈর্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, সত্য, ন্যায় ও ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে দেশের রাজনীতিতে নতুন যুগের সূচনা হবে।
বিষয় : খেলাফত মজলিস

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ নভেম্বর ২০২৫
জুলাই গণঅভ্যুত্থারের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে ঘোষিত মৃত্যুদণ্ডের রায়কে “ফ্যাসিবাদ ও জুলুমের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত” হিসেবে বর্ণনা করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। দলটির শীর্ষ নেতারা বলছেন, এই রায় দেশের জনগণের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ন্যায়বিচারের প্রতিফলন।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, গত ১৬ বছরের স্বৈরশাসন, গুম-খুন, জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা এবং উলামায়ে কেরামসহ দেশপ্রেমী নাগরিকদের ওপর পরিচালিত দমনপীড়নের দায় আজ আইনের কাঠগড়ায় প্রতিফলিত হয়েছে। দলটির আমির মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক এবং মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, ঘোষিত রায় আল্লাহর ন্যায়বিচারের সুস্পষ্ট প্রকাশ এবং অবিচারের বিরুদ্ধে এক মাইলফলক।
বিবৃতিতে বলা হয়, দেশে দীর্ঘদিন ধরে যে দুর্নীতিমূলক, দমনমূলক ও ফ্যাসিবাদী রাজনীতি চলছিল—আজকের রায় সেই শাসনের অন্তর্নিহিত অবিচারের বিচারিক স্বীকৃতি। তাঁরা হাদিস উদ্ধৃত করে বলেন, “আল্লাহ জালিমকে অবকাশ দেন; কিন্তু যখন তাঁকে ধরেন, তখন রেহাই দেন না”—এ রায় তারই প্রমাণ।
নেতারা বলেন, এটি শুধু একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে রায় নয়; বরং জুলুম, স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এক চূড়ান্ত সতর্কবার্তা। জুলুমের রাজনীতি টেকসই হয় না, জুলুমকারীরা শেষ পর্যন্ত ধ্বংস হয়—এই বাস্তবতা আজ পুনরায় সামনে এসেছে। খেলাফত মজলিস জনগণকে শান্তি, সংযম ও ধৈর্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, সত্য, ন্যায় ও ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে দেশের রাজনীতিতে নতুন যুগের সূচনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন