আধুনিক যুগে ইলমে দ্বীন এবং তাসাউফের (আধ্যাত্মিকতা) সমন্বয়ে যে কজন মনীষী বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছেন, হযরত মাওলানা জুলফিকার আহমদ নকশবন্দী (রহ.) ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর জীবন ছিল সুন্নাহর এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি এবং পথহারা মানুষের জন্য হিদায়াতের আলো।
হযরত পীর সাহেব (রহ.) ১৯৫৩ সালের ১লা এপ্রিল পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের ঝাং (Jhang) জেলায় একটি দ্বীনদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শৈশব কেটেছে অত্যন্ত পবিত্র পরিবেশে। বিশেষ করে তাঁর মহীয়সী মাতা ছিলেন অত্যন্ত পরহেজগার এবং তাহাজ্জুদগুজার। মায়ের এই আধ্যাত্মিক প্রভাবই তাঁর জীবনের বুনিয়াদ গড়ে দিয়েছিল।
পীর সাহেবের শিক্ষাজীবন ছিল অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। তিনি একাধারে আধুনিক বিজ্ঞান এবং প্রাচীন দ্বীনি শিক্ষায় পারদর্শী ছিলেন:
পীর সাহেবের আধ্যাত্মিক সফর শুরু হয় ছাত্রজীবন থেকেই।
তিনি ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, বিনয়ী এবং গাম্ভীর্যপূর্ণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী। তাঁর প্রতিটি বয়ান ও দরস ছিল অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী। মানুষের অন্তরের ব্যাধি দূর করে আল্লাহর সাথে সম্পর্ক গড়ে দেওয়াই ছিল তাঁর জীবনের মূল লক্ষ্য।
দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর (কিডনিজনিত সমস্যার কারণে ডায়ালাইসিস নিতে হতো) এই মহান মনিষী ১৪ই ডিসেম্বর ২০২৫ সকালে পাকিস্তানের লাহোরে ইন্তেকাল করেন। ১৫ই ডিসেম্বর তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং হাজার হাজার ভক্ত ও উলামায়ে কেরাম তাঁকে চোখের জলে বিদায় জানান।
হযরত মাওলানা জুলফিকার আহমদ নকশবন্দী (রহ.) ছিলেন এমন এক বিরল ব্যক্তিত্ব, যিনি প্রমাণ করেছেন যে আধুনিক পেশায় থেকেও আল্লাহর ওলি হওয়া সম্ভব। তাঁর জীবন আমাদের জন্য পাথেয় হয়ে থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
আধুনিক যুগে ইলমে দ্বীন এবং তাসাউফের (আধ্যাত্মিকতা) সমন্বয়ে যে কজন মনীষী বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছেন, হযরত মাওলানা জুলফিকার আহমদ নকশবন্দী (রহ.) ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর জীবন ছিল সুন্নাহর এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি এবং পথহারা মানুষের জন্য হিদায়াতের আলো।
হযরত পীর সাহেব (রহ.) ১৯৫৩ সালের ১লা এপ্রিল পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের ঝাং (Jhang) জেলায় একটি দ্বীনদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শৈশব কেটেছে অত্যন্ত পবিত্র পরিবেশে। বিশেষ করে তাঁর মহীয়সী মাতা ছিলেন অত্যন্ত পরহেজগার এবং তাহাজ্জুদগুজার। মায়ের এই আধ্যাত্মিক প্রভাবই তাঁর জীবনের বুনিয়াদ গড়ে দিয়েছিল।
পীর সাহেবের শিক্ষাজীবন ছিল অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। তিনি একাধারে আধুনিক বিজ্ঞান এবং প্রাচীন দ্বীনি শিক্ষায় পারদর্শী ছিলেন:
পীর সাহেবের আধ্যাত্মিক সফর শুরু হয় ছাত্রজীবন থেকেই।
তিনি ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, বিনয়ী এবং গাম্ভীর্যপূর্ণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী। তাঁর প্রতিটি বয়ান ও দরস ছিল অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী। মানুষের অন্তরের ব্যাধি দূর করে আল্লাহর সাথে সম্পর্ক গড়ে দেওয়াই ছিল তাঁর জীবনের মূল লক্ষ্য।
দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর (কিডনিজনিত সমস্যার কারণে ডায়ালাইসিস নিতে হতো) এই মহান মনিষী ১৪ই ডিসেম্বর ২০২৫ সকালে পাকিস্তানের লাহোরে ইন্তেকাল করেন। ১৫ই ডিসেম্বর তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং হাজার হাজার ভক্ত ও উলামায়ে কেরাম তাঁকে চোখের জলে বিদায় জানান।
হযরত মাওলানা জুলফিকার আহমদ নকশবন্দী (রহ.) ছিলেন এমন এক বিরল ব্যক্তিত্ব, যিনি প্রমাণ করেছেন যে আধুনিক পেশায় থেকেও আল্লাহর ওলি হওয়া সম্ভব। তাঁর জীবন আমাদের জন্য পাথেয় হয়ে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন