বেলজিয়ামের পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্স অঞ্চলের সরকারি স্কুলগুলোতে হিজাব নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা এই সিদ্ধান্তকে বৈষম্যমূলক ও প্রক্রিয়াগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ বলে দাবি করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিষয়টি দেশটির সর্বোচ্চ প্রশাসনিক আদালত রাষ্ট্রপরিষদে (Council of State) নেওয়া হয়েছে। এই ইস্যু ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রশ্নকে সামনে এনেছে।
বেলজিয়ামের জেন্ট শহরভিত্তিক জেন্ট মসজিদসমূহের ইউনিয়ন (Gent Camiler Birliği) পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্স অঞ্চলের সরকারি স্কুলগুলোতে হিজাব নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপরিষদে আবেদন করেছে। সংস্থাটি অঞ্চলের ২৩টি মসজিদের প্রতিনিধিত্ব করে।
বেলজিয়ামের সরকারি সংবাদ সংস্থা বেলগা-র বরাতে জানানো হয়, সংগঠনটি দাবি করেছে—হিজাব নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের সিদ্ধান্ত যথাযথ আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই নেওয়া হয়েছে। এ কারণে তারা সিদ্ধান্ত বাতিলের আবেদন জানিয়েছে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মত প্রকাশ করা কিছু শিক্ষক সম্ভাব্য প্রশাসনিক শাস্তির ভয়ে নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে অনুরোধ করেছেন, যা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় চাপ ও ভীতির পরিবেশের ইঙ্গিত দেয়।
জেন্ট মসজিদসমূহের ইউনিয়ন আরও জানায়, এই নিষেধাজ্ঞা মুসলিম নারীদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় প্রকাশের অধিকারকে ক্ষুণ্ন করছে। সংগঠনটি পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্স প্রাদেশিক পরিষদের সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে, যেখানে বলা হয়েছিল—সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে ব্যাপক পরামর্শ করা হয়েছে। ইউনিয়নের মতে, বাস্তবে এমন কোনো অর্থবহ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক পরামর্শ হয়নি।
এছাড়া, হিজাব নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত কিছু বক্তব্য ও মূল্যায়নও সংগঠনটি স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
অন্যদিকে, পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্স অঞ্চলের প্রথম উপ-মেয়র কার্ট মুনস (Kurt Moens) জানান, আঞ্চলিক প্রশাসন হিসেবে তারা বিশ্বাস করেন—গৃহীত সিদ্ধান্তটি আইনসঙ্গত ও বৈধ।
উল্লেখ্য, জেন্টকেন্দ্রিক পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্স প্রাদেশিক সরকার ২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি স্কুলগুলোতে হিজাব নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা দেশজুড়ে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
বেলজিয়ামের পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্স অঞ্চলের সরকারি স্কুলগুলোতে হিজাব নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা এই সিদ্ধান্তকে বৈষম্যমূলক ও প্রক্রিয়াগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ বলে দাবি করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিষয়টি দেশটির সর্বোচ্চ প্রশাসনিক আদালত রাষ্ট্রপরিষদে (Council of State) নেওয়া হয়েছে। এই ইস্যু ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রশ্নকে সামনে এনেছে।
বেলজিয়ামের জেন্ট শহরভিত্তিক জেন্ট মসজিদসমূহের ইউনিয়ন (Gent Camiler Birliği) পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্স অঞ্চলের সরকারি স্কুলগুলোতে হিজাব নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপরিষদে আবেদন করেছে। সংস্থাটি অঞ্চলের ২৩টি মসজিদের প্রতিনিধিত্ব করে।
বেলজিয়ামের সরকারি সংবাদ সংস্থা বেলগা-র বরাতে জানানো হয়, সংগঠনটি দাবি করেছে—হিজাব নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের সিদ্ধান্ত যথাযথ আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই নেওয়া হয়েছে। এ কারণে তারা সিদ্ধান্ত বাতিলের আবেদন জানিয়েছে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মত প্রকাশ করা কিছু শিক্ষক সম্ভাব্য প্রশাসনিক শাস্তির ভয়ে নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে অনুরোধ করেছেন, যা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় চাপ ও ভীতির পরিবেশের ইঙ্গিত দেয়।
জেন্ট মসজিদসমূহের ইউনিয়ন আরও জানায়, এই নিষেধাজ্ঞা মুসলিম নারীদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় প্রকাশের অধিকারকে ক্ষুণ্ন করছে। সংগঠনটি পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্স প্রাদেশিক পরিষদের সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে, যেখানে বলা হয়েছিল—সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে ব্যাপক পরামর্শ করা হয়েছে। ইউনিয়নের মতে, বাস্তবে এমন কোনো অর্থবহ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক পরামর্শ হয়নি।
এছাড়া, হিজাব নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত কিছু বক্তব্য ও মূল্যায়নও সংগঠনটি স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
অন্যদিকে, পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্স অঞ্চলের প্রথম উপ-মেয়র কার্ট মুনস (Kurt Moens) জানান, আঞ্চলিক প্রশাসন হিসেবে তারা বিশ্বাস করেন—গৃহীত সিদ্ধান্তটি আইনসঙ্গত ও বৈধ।
উল্লেখ্য, জেন্টকেন্দ্রিক পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্স প্রাদেশিক সরকার ২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি স্কুলগুলোতে হিজাব নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা দেশজুড়ে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন