সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান তার প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে আজ পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের আমন্ত্রণে এই সফরটি দুই দেশের দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিমানবন্দরে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়, যা দুই দেশের গভীর কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রতিফলন।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট হিসেবে এটিই শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের প্রথম আনুষ্ঠানিক ইসলামাবাদ সফর। যদিও চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিনি রহিম ইয়ার খানে একটি সংক্ষিপ্ত সফরে এসেছিলেন, তবে এবারের সফরটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় মর্যাদাপূর্ণ। এই সফরে দুই দেশের শীর্ষ নেতারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সব দিক পর্যালোচনা করবেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাত পাকিস্তানের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার এবং রেমিট্যান্সের একটি বড় উৎস। লাখ লাখ পাকিস্তানি নাগরিক আমিরাতের বিভিন্ন খাতে কর্মরত থেকে পাকিস্তানের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই সফরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
চলতি বছরের এপ্রিলে দুই দেশের মধ্যে সংস্কৃতি, কনস্যুলার বিষয় এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক উন্নয়নে বেশ কিছু সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। বিশেষ করে ‘ইউএই-পাকিস্তান জয়েন্ট বিজনেস কাউন্সিল’ গঠনের মাধ্যমে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পথ প্রশস্ত হয়েছে। এবারের সফরে সেই প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি এবং নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে।
বৈঠকে দুই নেতা কেবল দ্বিপাক্ষিক বিষয় নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক নানা ইস্যু নিয়ে মতবিনিময় করবেন। প্রতিরক্ষা ও মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রেও আমিরাত সবসময়ই পাকিস্তানের পাশে থেকেছে, যা এই সফরের মাধ্যমে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
বিষয় : পাকিস্তান সংযুক্ত আরব আমিরাত

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান তার প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে আজ পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের আমন্ত্রণে এই সফরটি দুই দেশের দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিমানবন্দরে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়, যা দুই দেশের গভীর কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রতিফলন।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট হিসেবে এটিই শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের প্রথম আনুষ্ঠানিক ইসলামাবাদ সফর। যদিও চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিনি রহিম ইয়ার খানে একটি সংক্ষিপ্ত সফরে এসেছিলেন, তবে এবারের সফরটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় মর্যাদাপূর্ণ। এই সফরে দুই দেশের শীর্ষ নেতারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সব দিক পর্যালোচনা করবেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাত পাকিস্তানের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার এবং রেমিট্যান্সের একটি বড় উৎস। লাখ লাখ পাকিস্তানি নাগরিক আমিরাতের বিভিন্ন খাতে কর্মরত থেকে পাকিস্তানের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই সফরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
চলতি বছরের এপ্রিলে দুই দেশের মধ্যে সংস্কৃতি, কনস্যুলার বিষয় এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক উন্নয়নে বেশ কিছু সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। বিশেষ করে ‘ইউএই-পাকিস্তান জয়েন্ট বিজনেস কাউন্সিল’ গঠনের মাধ্যমে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পথ প্রশস্ত হয়েছে। এবারের সফরে সেই প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি এবং নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে।
বৈঠকে দুই নেতা কেবল দ্বিপাক্ষিক বিষয় নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক নানা ইস্যু নিয়ে মতবিনিময় করবেন। প্রতিরক্ষা ও মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রেও আমিরাত সবসময়ই পাকিস্তানের পাশে থেকেছে, যা এই সফরের মাধ্যমে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন