যুক্তরাজ্যের গ্রেটার ম্যানচেস্টার এলাকায় একটি মুসলিম পরিবারের বাড়ির দরজায় শুকরের মাথা ফেলে রেখে যাওয়ার ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। মুখোশধারী দুই ব্যক্তি রাতের অন্ধকারে এই ঘৃণ্য কাজ সম্পন্ন করে, যা বর্তমানে স্থানীয় পুলিশের পক্ষ থেকে একটি ‘ঘৃণা অপরাধ’ (Hate Crime) হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে। এই ঘটনায় পুরো এলাকার মুসলিম কমিউনিটির মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
গত ৯ জানুয়ারি সকালে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের স্টকপোর্ট এলাকার বাসিন্দা কামরান বাট (৪১) তার দুই সন্তানকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় দরজার সামনে একটি শুকরের কাটা মাথা পড়ে থাকতে দেখেন। ইসলাম ধর্মে শুকর নিষিদ্ধ হওয়ায় এবং ঐতিহাসিকভাবে এটি মুসলিম বিদ্বেষ ছড়াতে ব্যবহৃত হওয়ায় বিষয়টি পরিবারটিকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে।
বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখা যায়, রাত আনুমানিক ১:৩০ মিনিটের দিকে দুই ব্যক্তি মাথায় হুডি এবং মুখে মাস্ক পরে এসে এই কাজটি করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। কামরান বাট সংবাদমাধ্যমকে জানান, এই ঘটনার পর তারা নিজেদের ‘অপমানিত’ এবং ওই সমাজে ‘অবাঞ্ছিত’ বলে মনে করছেন।
গ্রেটার ম্যানচেস্টার পুলিশ (GMP) ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়েছে। একজন পুলিশ মুখপাত্র জানিয়েছেন, এটি স্পষ্টত একটি টার্গেটেড হামলা এবং একে 'ইসলামোফোবিক হেট ক্রাইম' হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ বর্তমানে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে কোনো তথ্য থাকলে তা দিয়ে সহায়তার অনুরোধ জানিয়েছে।
ব্রিটেনে সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামোফোবিয়া বা মুসলিম বিদ্বেষী কর্মকাণ্ডের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কামরান বাট এবং তার পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, বিশেষ করে ছোট সন্তানদের ওপর এর মানসিক প্রভাব নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন।
বিষয় : যুক্তরাজ্য

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
যুক্তরাজ্যের গ্রেটার ম্যানচেস্টার এলাকায় একটি মুসলিম পরিবারের বাড়ির দরজায় শুকরের মাথা ফেলে রেখে যাওয়ার ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। মুখোশধারী দুই ব্যক্তি রাতের অন্ধকারে এই ঘৃণ্য কাজ সম্পন্ন করে, যা বর্তমানে স্থানীয় পুলিশের পক্ষ থেকে একটি ‘ঘৃণা অপরাধ’ (Hate Crime) হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে। এই ঘটনায় পুরো এলাকার মুসলিম কমিউনিটির মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
গত ৯ জানুয়ারি সকালে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের স্টকপোর্ট এলাকার বাসিন্দা কামরান বাট (৪১) তার দুই সন্তানকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় দরজার সামনে একটি শুকরের কাটা মাথা পড়ে থাকতে দেখেন। ইসলাম ধর্মে শুকর নিষিদ্ধ হওয়ায় এবং ঐতিহাসিকভাবে এটি মুসলিম বিদ্বেষ ছড়াতে ব্যবহৃত হওয়ায় বিষয়টি পরিবারটিকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে।
বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখা যায়, রাত আনুমানিক ১:৩০ মিনিটের দিকে দুই ব্যক্তি মাথায় হুডি এবং মুখে মাস্ক পরে এসে এই কাজটি করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। কামরান বাট সংবাদমাধ্যমকে জানান, এই ঘটনার পর তারা নিজেদের ‘অপমানিত’ এবং ওই সমাজে ‘অবাঞ্ছিত’ বলে মনে করছেন।
গ্রেটার ম্যানচেস্টার পুলিশ (GMP) ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়েছে। একজন পুলিশ মুখপাত্র জানিয়েছেন, এটি স্পষ্টত একটি টার্গেটেড হামলা এবং একে 'ইসলামোফোবিক হেট ক্রাইম' হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ বর্তমানে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে কোনো তথ্য থাকলে তা দিয়ে সহায়তার অনুরোধ জানিয়েছে।
ব্রিটেনে সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামোফোবিয়া বা মুসলিম বিদ্বেষী কর্মকাণ্ডের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কামরান বাট এবং তার পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, বিশেষ করে ছোট সন্তানদের ওপর এর মানসিক প্রভাব নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন।

আপনার মতামত লিখুন