আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের (ইসলামিক আমিরাত) উদ্যোগে রাজধানী কাবুল থেকে প্রায় ৭৫ হাজার ভিক্ষুককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সংগৃহীত ভিক্ষুকদের মধ্যে প্রকৃত অভাবী ও পেশাদারদের আলাদা করে তাদের পুনর্বাসন ও আর্থিক সহায়তার আওতায় আনার কাজ শুরু হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) কাবুলের মারমারিন প্রাসাদে উপ-প্রধানমন্ত্রী মোল্লা আবদুল গনি বারাদারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই তথ্য জানানো হয়।
আফগানিস্তানের বর্তমান প্রশাসন রাজধানী কাবুলকে ভিক্ষুকমুক্ত করতে গত তিন বছর ধরে একটি বিশেষ কমিশন পরিচালনা করছে। বুধবারের বৈঠকে উপ-প্রধানমন্ত্রী মোল্লা আবদুল গনি বারাদার এই প্রকল্পের অগ্রগতি এবং সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি জানান, সরকারি বিভিন্ন সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টায় কাবুলের সড়কগুলো থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৭৪ হাজার ৯৬৮ জন ভিক্ষুককে আটক করা হয়েছে।
সংগৃহীত ভিক্ষুকদের মধ্যে যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের পর দেখা গেছে, ৩৭ হাজার ৯৪৭ জন প্রকৃতপক্ষেই অভাবী এবং সহায়তার যোগ্য। অন্যদিকে, ৩৭ হাজার ২১ জন ‘পেশাদার ভিক্ষুক’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন যারা অভাব না থাকলেও ভিক্ষাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন।
পুনর্বাসন ও সহায়তার ধরন: প্রকৃত অভাবী হিসেবে চিহ্নিত ভিক্ষুকদের তালিকা 'আফগান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি'র কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছে:
বৈঠকে মোল্লা বারাদার উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মাঝে ভিক্ষুকের সংখ্যা কমলেও সম্প্রতি আবারও কিছু এলাকায় ভিক্ষুকদের আনাগোনা বেড়েছে। এটি নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নেতৃত্বে প্রতি মাসে এই কমিশনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং কার্যক্রমের নিয়মিত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। মূলত ভিক্ষাবৃত্তি রোধে আমিরুল মুমিনীন কর্তৃক অনুমোদিত কার্যপ্রণালী সঠিকভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে আফগান সরকার।
বিষয় : আফগানিস্তান

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের (ইসলামিক আমিরাত) উদ্যোগে রাজধানী কাবুল থেকে প্রায় ৭৫ হাজার ভিক্ষুককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সংগৃহীত ভিক্ষুকদের মধ্যে প্রকৃত অভাবী ও পেশাদারদের আলাদা করে তাদের পুনর্বাসন ও আর্থিক সহায়তার আওতায় আনার কাজ শুরু হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) কাবুলের মারমারিন প্রাসাদে উপ-প্রধানমন্ত্রী মোল্লা আবদুল গনি বারাদারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই তথ্য জানানো হয়।
আফগানিস্তানের বর্তমান প্রশাসন রাজধানী কাবুলকে ভিক্ষুকমুক্ত করতে গত তিন বছর ধরে একটি বিশেষ কমিশন পরিচালনা করছে। বুধবারের বৈঠকে উপ-প্রধানমন্ত্রী মোল্লা আবদুল গনি বারাদার এই প্রকল্পের অগ্রগতি এবং সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি জানান, সরকারি বিভিন্ন সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টায় কাবুলের সড়কগুলো থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৭৪ হাজার ৯৬৮ জন ভিক্ষুককে আটক করা হয়েছে।
সংগৃহীত ভিক্ষুকদের মধ্যে যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের পর দেখা গেছে, ৩৭ হাজার ৯৪৭ জন প্রকৃতপক্ষেই অভাবী এবং সহায়তার যোগ্য। অন্যদিকে, ৩৭ হাজার ২১ জন ‘পেশাদার ভিক্ষুক’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন যারা অভাব না থাকলেও ভিক্ষাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন।
পুনর্বাসন ও সহায়তার ধরন: প্রকৃত অভাবী হিসেবে চিহ্নিত ভিক্ষুকদের তালিকা 'আফগান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি'র কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছে:
বৈঠকে মোল্লা বারাদার উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মাঝে ভিক্ষুকের সংখ্যা কমলেও সম্প্রতি আবারও কিছু এলাকায় ভিক্ষুকদের আনাগোনা বেড়েছে। এটি নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নেতৃত্বে প্রতি মাসে এই কমিশনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং কার্যক্রমের নিয়মিত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। মূলত ভিক্ষাবৃত্তি রোধে আমিরুল মুমিনীন কর্তৃক অনুমোদিত কার্যপ্রণালী সঠিকভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে আফগান সরকার।

আপনার মতামত লিখুন