১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই সঙ্গে আয়োজিত ঐতিহাসিক গণভোটে দেশবাসীকে ‘হ্যাঁ’ সূচক রায় দেওয়ার জোরালো আহ্বান জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটি মনে করে, বর্তমান রাষ্ট্রকাঠামোর আমূল সংস্কার এবং বিগত শাসনের অবশিষ্টাংশ নির্মূল করতে এই গণভোট এক গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সংবাদমাধ্যমে প্রেরিত এক বিশেষ বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী এই আহ্বান জানান। বিবৃতিতে তিনি বর্তমান সময়কে দেশের জন্য এক ‘মহা ক্রান্তিকাল’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের সুফল ধরে রাখতে হলে রাষ্ট্র সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই।
মাওলানা ইসলামাবাদী তাঁর বিবৃতিতে উল্লেখ করেন যে, পতিত আওয়ামী সরকারের তৈরি করা গণবিরোধী সংবিধান ও রাষ্ট্রকাঠামো এখনো দেশের অগ্রগতির পথে প্রধান বাধা। তিনি বলেন, “চরম দুর্নীতিগ্রস্ত আমলাতন্ত্রের হয়রানি থেকে মুক্তি এবং রাজনৈতিক বিরোধী পক্ষসহ আলেমসমাজের ওপর চলমান দীর্ঘদিনের দমন-পীড়ন ও গুম-খুনের পদ্ধতিগত সংস্কৃতি বন্ধ করতে হলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ঘরে টিক চিহ্ন দেওয়া অপরিহার্য।”
বিবৃতিতে আরও সতর্ক করা হয় যে, দেশি-বিদেশি আধিপত্যবাদী শক্তি ও ফ্যাসিবাদী অপশক্তিগুলো দেশে একটি শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তারা জনগণকে জিম্মি করে শোষণের পুরনো ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে চায়। এ অবস্থায় ভোটারদের কোনো প্ররোচনায় কান না দিয়ে এবং ভোট নষ্ট না করে কেন্দ্রে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে আহ্বান জানানো হয়েছে যে, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার তাগিদে সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে গণভোটে নিজেদের রায় প্রদান করতে। সংগঠনটি মনে করে, এই গণভোটই হবে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রথম শক্তিশালী পদক্ষেপ।
বিষয় : হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ

বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই সঙ্গে আয়োজিত ঐতিহাসিক গণভোটে দেশবাসীকে ‘হ্যাঁ’ সূচক রায় দেওয়ার জোরালো আহ্বান জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটি মনে করে, বর্তমান রাষ্ট্রকাঠামোর আমূল সংস্কার এবং বিগত শাসনের অবশিষ্টাংশ নির্মূল করতে এই গণভোট এক গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সংবাদমাধ্যমে প্রেরিত এক বিশেষ বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী এই আহ্বান জানান। বিবৃতিতে তিনি বর্তমান সময়কে দেশের জন্য এক ‘মহা ক্রান্তিকাল’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের সুফল ধরে রাখতে হলে রাষ্ট্র সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই।
মাওলানা ইসলামাবাদী তাঁর বিবৃতিতে উল্লেখ করেন যে, পতিত আওয়ামী সরকারের তৈরি করা গণবিরোধী সংবিধান ও রাষ্ট্রকাঠামো এখনো দেশের অগ্রগতির পথে প্রধান বাধা। তিনি বলেন, “চরম দুর্নীতিগ্রস্ত আমলাতন্ত্রের হয়রানি থেকে মুক্তি এবং রাজনৈতিক বিরোধী পক্ষসহ আলেমসমাজের ওপর চলমান দীর্ঘদিনের দমন-পীড়ন ও গুম-খুনের পদ্ধতিগত সংস্কৃতি বন্ধ করতে হলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ঘরে টিক চিহ্ন দেওয়া অপরিহার্য।”
বিবৃতিতে আরও সতর্ক করা হয় যে, দেশি-বিদেশি আধিপত্যবাদী শক্তি ও ফ্যাসিবাদী অপশক্তিগুলো দেশে একটি শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তারা জনগণকে জিম্মি করে শোষণের পুরনো ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে চায়। এ অবস্থায় ভোটারদের কোনো প্ররোচনায় কান না দিয়ে এবং ভোট নষ্ট না করে কেন্দ্রে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে আহ্বান জানানো হয়েছে যে, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার তাগিদে সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে গণভোটে নিজেদের রায় প্রদান করতে। সংগঠনটি মনে করে, এই গণভোটই হবে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রথম শক্তিশালী পদক্ষেপ।

আপনার মতামত লিখুন