ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানীর ঢাকা-১৪ আসনের মুহাম্মাদাবাদ (ফাজিল মাদ্রাসা মহিলা কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের প্রাথমিক ও বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিনকাসেম (আরমান) তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থীর চেয়ে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। এ কেন্দ্রে ধানের শীষের প্রার্থীর চেয়ে ২৬০ ভোট বেশি পেয়ে আধিপত্য বজায় রেখেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ঢাকা-১৪ নির্বাচনী এলাকার ১৮৭ নম্বর আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রে গণনার কাজ শুরু হয়। মুহাম্মাদাবাদ ফাজিল মাদ্রাসা মহিলা কেন্দ্র-২ থেকে প্রাপ্ত প্রথম কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী, লড়াইটি মূলত দ্বিমুখী হলেও জামায়াত প্রার্থী বড় ব্যবধান গড়ে তুলেছেন।
এই কেন্দ্রে জামায়াত ও বিএনপির দুই প্রার্থীর লড়াই ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়:
মীর আহমাদ বিনকাসেম (দাঁড়িপাল্লা): তিনি পেয়েছেন ৬৪৩ ভোট।
ইঞ্জিনিয়ার সানজিদা ইসলাম তুলি (ধানের শীষ): বিএনপির এই প্রার্থী পেয়েছেন ৩৮৩ ভোট।
সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক (ফুটবল): স্বতন্ত্র এই প্রার্থী পেয়েছেন মাত্র ৮০ ভোট।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, মীর আহমাদ বিনকাসেম তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সানজিদা ইসলাম তুলির চেয়ে ২৬০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।
ঢাকা-১৪ আসনে এবারের লড়াইটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
মীর আহমাদ বিনকাসেম: তিনি জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে এবং পেশায় একজন ব্যারিস্টার। দীর্ঘ আট বছর নিখোঁজ থাকার পর ২০২৪ সালের আগস্টে তিনি ফিরে আসেন এবং রাজনীতিতে সক্রিয় হন।
সানজিদা ইসলাম তুলি: গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন 'মায়ের ডাক'-এর সমন্বয়ক এবং শাহীনবাগের নিখোঁজ বিএনপি নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন।
সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নারী ভোটারদের এই কেন্দ্রে সকাল থেকেই শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা বা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। সাভার ও মিরপুরের একাংশ নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ১৭৩টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে, যার চূড়ান্ত ফলাফল আগামীকাল শুক্রবার ঘোষণা করা হবে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-১৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪৪ জন। এখন পর্যন্ত পাওয়া প্রাথমিক কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলে জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
বিষয় : নির্বাচন

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানীর ঢাকা-১৪ আসনের মুহাম্মাদাবাদ (ফাজিল মাদ্রাসা মহিলা কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের প্রাথমিক ও বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিনকাসেম (আরমান) তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থীর চেয়ে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। এ কেন্দ্রে ধানের শীষের প্রার্থীর চেয়ে ২৬০ ভোট বেশি পেয়ে আধিপত্য বজায় রেখেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ঢাকা-১৪ নির্বাচনী এলাকার ১৮৭ নম্বর আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রে গণনার কাজ শুরু হয়। মুহাম্মাদাবাদ ফাজিল মাদ্রাসা মহিলা কেন্দ্র-২ থেকে প্রাপ্ত প্রথম কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী, লড়াইটি মূলত দ্বিমুখী হলেও জামায়াত প্রার্থী বড় ব্যবধান গড়ে তুলেছেন।
এই কেন্দ্রে জামায়াত ও বিএনপির দুই প্রার্থীর লড়াই ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়:
মীর আহমাদ বিনকাসেম (দাঁড়িপাল্লা): তিনি পেয়েছেন ৬৪৩ ভোট।
ইঞ্জিনিয়ার সানজিদা ইসলাম তুলি (ধানের শীষ): বিএনপির এই প্রার্থী পেয়েছেন ৩৮৩ ভোট।
সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক (ফুটবল): স্বতন্ত্র এই প্রার্থী পেয়েছেন মাত্র ৮০ ভোট।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, মীর আহমাদ বিনকাসেম তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সানজিদা ইসলাম তুলির চেয়ে ২৬০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।
ঢাকা-১৪ আসনে এবারের লড়াইটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
মীর আহমাদ বিনকাসেম: তিনি জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে এবং পেশায় একজন ব্যারিস্টার। দীর্ঘ আট বছর নিখোঁজ থাকার পর ২০২৪ সালের আগস্টে তিনি ফিরে আসেন এবং রাজনীতিতে সক্রিয় হন।
সানজিদা ইসলাম তুলি: গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন 'মায়ের ডাক'-এর সমন্বয়ক এবং শাহীনবাগের নিখোঁজ বিএনপি নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন।
সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নারী ভোটারদের এই কেন্দ্রে সকাল থেকেই শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা বা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। সাভার ও মিরপুরের একাংশ নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ১৭৩টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে, যার চূড়ান্ত ফলাফল আগামীকাল শুক্রবার ঘোষণা করা হবে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-১৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪৪ জন। এখন পর্যন্ত পাওয়া প্রাথমিক কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলে জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন