যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারাদেশে পালিত হচ্ছে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মরণে অমর একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার রাত ১২টা বাজার কয়েক মিনিট আগেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। ঘড়ির কাঁটা ১২টা ৮ মিনিট ছুঁতেই তিনি মূল বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় মাইকে বাজছিল অমর একুশের সেই কালজয়ী সুর—‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি... আমি কি ভুলিতে পারি’।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর তিনি ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে আয়োজিত বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও তিন বাহিনীর প্রধানগণ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিদেশি কূটনীতিক এবং সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এই রাষ্ট্রীয় আয়োজনে অংশ নেন।
ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা জানানোর পর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলীয় সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বিএনপি’র পক্ষ থেকে দ্বিতীয়বার শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এরপরই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের ঢল নামে। হাতে ফুল, পরনে শোকের কালো ব্যাজ এবং মুখে একুশের গান নিয়ে সব বয়সের মানুষ খালি পায়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শুরু করেন। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষার অধিকার রক্ষায় যারা অকাতরে প্রাণ দিয়েছিলেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার।

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারাদেশে পালিত হচ্ছে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মরণে অমর একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার রাত ১২টা বাজার কয়েক মিনিট আগেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। ঘড়ির কাঁটা ১২টা ৮ মিনিট ছুঁতেই তিনি মূল বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় মাইকে বাজছিল অমর একুশের সেই কালজয়ী সুর—‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি... আমি কি ভুলিতে পারি’।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর তিনি ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে আয়োজিত বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও তিন বাহিনীর প্রধানগণ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিদেশি কূটনীতিক এবং সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এই রাষ্ট্রীয় আয়োজনে অংশ নেন।
ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা জানানোর পর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলীয় সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বিএনপি’র পক্ষ থেকে দ্বিতীয়বার শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এরপরই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের ঢল নামে। হাতে ফুল, পরনে শোকের কালো ব্যাজ এবং মুখে একুশের গান নিয়ে সব বয়সের মানুষ খালি পায়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শুরু করেন। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষার অধিকার রক্ষায় যারা অকাতরে প্রাণ দিয়েছিলেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার।

আপনার মতামত লিখুন