সারাদেশের নদী, নালা, খাল-বিল ও জলাশয় পুনঃখননের মাধ্যমে সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী এক বিশাল কর্মযজ্ঞের শুভ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার দুপুরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর এলাকার সাহাপাড়া খাল খনন কাজের মাধ্যমে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
আজ দুপুর ১২টা ২৭ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাহারোলের সাহাপাড়া খালের পাড়ে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে ঐতিহাসিকভাবে এই খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তিনি খালের পাড়ে একটি বৃক্ষরোপণ করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথম পর্যায়ে দেশের ৫৪টি জেলায় একযোগে ৫৩টি খাল খননের কাজ শুরু হলো। উল্লেখ্য, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তাঁর শাসনামলে যে খাল খনন বিপ্লবের সূচনা করেছিলেন, বর্তমান এই উদ্যোগকে তারই আধুনিক ও শক্তিশালী সংস্করণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কাহারোল উপজেলার রামচন্দ্রপুর ও মুকুন্দপুর ইউনিয়নের ওপর দিয়ে প্রবাহিত ১২.২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সাহাপাড়া খালটি দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে ভরাট হয়ে গিয়েছিল। ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে 'জলবায়ু স্মার্ট কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনা' প্রকল্পের আওতায় এটি পুনঃখনন করা হচ্ছে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো:
সেচ সুবিধা: শুষ্ক মৌসুমে প্রায় ১,২০০ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা।
ফসল রক্ষা: প্রতি বছর প্রায় ৬০ হাজার মেট্রিক টন ফসল জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পাবে।
উপকারভোগী: সরাসরি ৩১ হাজার কৃষক এবং পরোক্ষভাবে প্রায় ৩.৫ লাখ মানুষ এই প্রকল্পের সুফল পাবেন।
পরিবেশ রক্ষা: খালের দুই পাড়ে প্রায় ৭,০০০ বৃক্ষরোপণ করা হবে যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ৪০ বর্গকিলোমিটার এলাকার বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন সহজ হবে, যা বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা দূর করে আমন ধানের ফলন নিশ্চিত করবে। একইসঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধিতেও এটি সহায়ক হবে।
বিষয় : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
সারাদেশের নদী, নালা, খাল-বিল ও জলাশয় পুনঃখননের মাধ্যমে সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী এক বিশাল কর্মযজ্ঞের শুভ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার দুপুরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর এলাকার সাহাপাড়া খাল খনন কাজের মাধ্যমে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
আজ দুপুর ১২টা ২৭ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাহারোলের সাহাপাড়া খালের পাড়ে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে ঐতিহাসিকভাবে এই খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তিনি খালের পাড়ে একটি বৃক্ষরোপণ করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথম পর্যায়ে দেশের ৫৪টি জেলায় একযোগে ৫৩টি খাল খননের কাজ শুরু হলো। উল্লেখ্য, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তাঁর শাসনামলে যে খাল খনন বিপ্লবের সূচনা করেছিলেন, বর্তমান এই উদ্যোগকে তারই আধুনিক ও শক্তিশালী সংস্করণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কাহারোল উপজেলার রামচন্দ্রপুর ও মুকুন্দপুর ইউনিয়নের ওপর দিয়ে প্রবাহিত ১২.২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সাহাপাড়া খালটি দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে ভরাট হয়ে গিয়েছিল। ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে 'জলবায়ু স্মার্ট কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনা' প্রকল্পের আওতায় এটি পুনঃখনন করা হচ্ছে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো:
সেচ সুবিধা: শুষ্ক মৌসুমে প্রায় ১,২০০ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা।
ফসল রক্ষা: প্রতি বছর প্রায় ৬০ হাজার মেট্রিক টন ফসল জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পাবে।
উপকারভোগী: সরাসরি ৩১ হাজার কৃষক এবং পরোক্ষভাবে প্রায় ৩.৫ লাখ মানুষ এই প্রকল্পের সুফল পাবেন।
পরিবেশ রক্ষা: খালের দুই পাড়ে প্রায় ৭,০০০ বৃক্ষরোপণ করা হবে যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ৪০ বর্গকিলোমিটার এলাকার বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন সহজ হবে, যা বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা দূর করে আমন ধানের ফলন নিশ্চিত করবে। একইসঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধিতেও এটি সহায়ক হবে।

আপনার মতামত লিখুন