বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কওমী টাইমস

তওবা ও ইসতেগফার: গুনাহমুক্ত জীবনের এক অনন্য উপায়

অনাবিল চিরস্থায়ী সুখ-শান্তি লাভের জন্যেই মানবজাতির দুনিয়াতে আগমন। ক্ষণস্থায়ী এই দুনিয়াতে থেকে যে নিজের আমলকে সুন্দর করে সাজাবে, তার জন্যই হবে পরকালীন চিরসুখ। পক্ষান্তরে মানুষ যদি তার ইচ্ছা শক্তি দিয়ে কোন গুনাহের কর্ম দুনিয়াতে করে, তারও পরিণতি তাকে পরকালে ভোগ করতে হবে। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন-‘সুতরাং কেউ অনু পরিমাণ সৎকর্ম করে থাকলে সে তা দেখতে পাবে। আর কেউ অনু পরিমাণ অসৎ কর্ম করে থাকলেও তাও দেখতে পাবে।’ ( সূরা যিলযাল :৭-৮) দুনিয়াতে কেবল আম্বিয়ায়ে কেরামগণ গুনাহমুক্ত। এছাড়া সকল মানুষের জীবনে বিভিন্ন গুনাহ সংঘটিত হয়। শয়তানের প্রবঞ্চনায় পড়ে অনেকেই সারা জীবন গুনাহের সমুদ্রে হাবুডুবু খেতে থাকে। ফলে তাদের ইহকালীন জীবন হয়ে যায় দুর্বিষহ। প্রাচুর্যের জীবন অতিবাহিত করলেও কাঙ্ক্ষিত মহামূল্যবান শান্তি নামক বস্তু থেকে তারা থাকে চির বঞ্চিত।আল্লামা ইবনুল কাইয়িম আল জাওযিয়্যাহ রহি. বলেন, ‘গুনাহ মানুষকে অন্ধ বানিয়ে দেয় এবং দারিদ্রতা ডেকে আনে।’ ( আল জাওয়াবুল কাফি: ৭৮) উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন হাকিমুল উম্মত থানবী রাহিমাহুল্লাহ বলেন, আমার খামারের একটি মুরগিও যদি অসুস্থ হয় আমি মনে করি, তা আমার গুনাহের কারণে সংঘটিত হয়েছে। তাই আসুন, নিজের সুখময় জীবন বিনির্মাণে গুনাহ মুক্ত জীবন গড়ি।  দয়াময় প্রভুর রহমতের অপার দরিয়া পানে দুহাত তুলে ক্ষমা চাই। গুনাহ মুক্তির এক অন্যতম পন্থা হল, তওবা ও ইস্তেগফার। তওবা অর্থ ফিরে আসা। এস্তেগফার অর্থ ক্ষমা চাওয়া। যখন কোনো গোনাহ হয়ে যায়, তখন আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত হওয়া এবং আগামীতে সে গোনাহ না করার সংকল্প করে আল্লাহ তাআলার নিকট ক্ষমা চাওয়াকে তওবা ও এস্তেগফার বলে।হযরত হাসান বসরী রহ. বলেন,  তওবা পূর্ণ হওয়ার জন্য চার শর্ত। ১. অন্তর দ্বারা লজ্জিত হওয়া ২. জবান দ্বারা ইস্তেগফার করা ৩. অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দ্বারা চলমান গুনাহ পরিত্যাগ করা ৪. এবং ভবিষ্যতে এমন গুনাহ না করার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া (যাদুল মাসির ৮/৩১৪)তওবা ও ইস্তেগফারের বিষয়টি আরেকটু স্পষ্ট হওয়ার জন্য পাঠকের খেদমতে একটি উদাহরণ পেশ করছি। ধরুন ,কেউ যদি কোনো মামুলি ক্ষোভ-দুঃখের কারণে বিষপান করে বসে । আর বিষক্রিয়ার ফলে প্রচ- রকম ব্যথা-বেদনা আরম্ভ হয় এবং নাড়িভুড়ি কাটতে শুরু করে। তখন এই ব্যক্তি যেমন নিজের ভুলের জন্য অনুতপ্ত হয় এবং চিকিৎসার জন্য ছটফট করতে থাকে, এমন বোকামি আর কখনো করবে না বলে পণ করে, একজন প্রকৃত তওবাকারীর অবস্থাও বিলকুল এমন হওয়া উচিৎ।অর্থাৎ যদি কখনো গোনাহ হয়ে যায়, তাহলে আল্লাহ তাআলার আযাবের ভয়ে অন্তরে খুবই অনুশোচনা আসবে এবং সামনে যেন এই গোনাহের পুনরাবৃত্তি না হয়, সেই জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হবে। আর আল্লাহ পাকের নিকট অশ্রু ঝরিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করবে। কোনো বান্দা যদি অনুভবের এই স্তরে উঠতে পারে, তবে আল্লাহ পাক তার জন্য আপন রহমতের দরোজা উম্মুক্ত করে দেন। এবং তার গুণাগুলোকে ক্ষমা করে দেন। গুনাহের কারণে বিভিন্ন ধরনের আজাব ও গজব থেকে তাকে রক্ষা করেন। কুরআনের আলোকে তওবার ফযিলতআল্লাহ পাক এরশাদ করেন,يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا تُوبُوا إِلَى اللَّهِ تَوْبَةً نَصُوحًا عَسَى رَبُّكُمْ أَنْ يُكَفِّرَ عَنْكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَيُدْخِلَكُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ'হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট খাঁটিভাবে তওবা করো। খুব সম্ভব তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের পাপসমুহ মোচন করে দেবেন এবং তোমাদেরকে এমন জান্নাতে স্থান দেবেন, যার পাদদেশে নহরমালা বহমান থাকবে'। সূরা তাহরীম ৬৬/৮অন্য আয়াতে বলেন,أَفَلَا يَتُوبُونَ إِلَى اللَّهِ وَيَسْتَغْفِرُونَهُ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَحِيمٌএরপরও কি তারা তওবা-এস্তেগফার করবে না? অথচ আল্লাহ পাক অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। সূরা মায়েদা ৫/৭৪যখন তোমার কাছে আসে, তখন তাদেরকে বলো, তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। তোমাদের প্রতিপালক নিজের উপর রহমতের এই নীতি স্থির করেছেন যে, তোমাদের কেউ যদি অজ্ঞতাবশত কোনো গোনাহ করে ফেলে, অত:পর তওবা করে এবং আত্মসংশোধন করে, তবে তিনি হবেন তার প্রতি অতি ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। সূরা আনআম ৬/৫৪সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ পাকের রহমতের কত বড় শান! তিনি আমাদের জন্য তওবার দরজা খুলে রেখে আমাদের ক্ষমা লাভের বিষয়টি সহজ করে দিয়েছেন। অন্যথায় আমাদের মতো গোন্হগারদের অবস্থা কী দাঁড়াতো! কোথায় আমাদের ঠিকানা হতো?এছাড়াও আরো অসংখ্য আয়াত আছে যাতে আল্লাহ তা'আলা বান্দাদেরকে তওবা করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছেন। হাদিসের আলোকে তওবার ফযিলত এক হাদীসে নবীজী ইরশাদ করেন, আল্লাহ পাক বলেন,يَا عِبَادِي إِنَّكُمْ تُخْطِئُونَ بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، وَأَنَا أَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا، فَاسْتَغْفِرُونِي أَغْفِرْ لَكُمْহে আমার বান্দা! তোমরা হয়তো দিনরাত গোনাহ করতে পারো, আর আমি পারি ক্ষমা করতে। সুতরাং আমার কাছে ক্ষমা চাও। আমি তোমাদের ক্ষমা করে দিবো। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৭৭অন্য হাদীসে এসেছে,إِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ يَبْسُطُ يَدَهُ بِاللَّيْلِ لِيَتُوبَ مُسِيءُ النَّهَارِ، وَيَبْسُطُ يَدَهُ بِالنَّهَارِ لِيَتُوبَ مُسِيءُ اللَّيْلِ، حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ مِنْ مَغْرِبِهَاআল্লাহ পাক প্রতি রাতে রহমত ও মাগফেরাতের হাতছানি দিয়ে ডাকেন, যেন দিনের বেলার গোনাহগারেরা তওবা করতে পারে। তেমনি দিনের বেলা হাতছানি দেন যেন রাতের বেলার গোনাহগারেরা ক্ষমা চাইতে পারে। আর আল্লাহ পাকের রহমতের এই আচরণ অব্যহত থাকবে কেয়ামতের পূর্বে পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত হওয়ার আগ পর্যন্ত। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৭৫৯সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ তাআলা তার কিনারাহীন রহমতের দরিয়া কিভাবে আমাদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন! এরপরেও আমাদের মত হতভাগারা বঞ্চিত থাকে।আসুন! এবার ইসতেগফার সংক্রান্ত কিছু কোরআনের আয়াত ও হাদিসের নুসুস জেনে নেই।কোরআনের আলোকে ইস্তেগফারের উপকারিতা আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন,‘আমি তাদেরকে বলেছি নিজ প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি অতিশয় ক্ষমাশীল। তিনি আকাশ থেকে তোমাদের উপর প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন। এবং তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিদের উন্নতি দান করবেন। এবং তোমাদের জন্য সৃষ্টি করবেন উদ্যান আর তোমাদের জন্য নদ- নদীর ব্যবস্থা করে দিবেন।’ ( সূরা নূহ: ১০-১২)ইমাম কুরতুবী রহ. বলেন- ' বিখ্যাত তাবেয়ী হযরত হাসান বসরী রহ. এর কাছে এক ব্যক্তি এসে অনাবৃষ্টির অভিযোগ করল। ইত্যবসরে আরেকজন ব্যক্তি এসে ছেলে সন্তান না হওয়ার অভিযোগ করে। আরেকজন ব্যক্তি এসে বলল, হুজুর! আমার বাগানে ফল ধরে না। এভাবে আরেকজন বলল, হুজুর! দরিদ্রতার কষাঘাতে আমি জর্জরিত । আরেকজন বলল, হুজুর!  আমাদের নদীর পানি বারবার শুকিয়ে যায়। হাসান বসরী রহ. পাঁচজন ভিন্ন ব্যক্তির ৫ ধরনের অভিযোগের একই ট্রিটমেন্ট দিলেন, সেটি হল ইস্তেগফার। তারা আশ্চর্য হয়ে বলল, হুজুর!  রোগ তো দেখি  ভিন্ন, তাহলে ওষুধ কেন এক?প্রতিউত্তের হাসান বসরী রহ. উক্ত আয়াত পাঠ করে তাদেরকে শোনালেন। আর বললেন এই ট্রিটমেন্ট আমি দেইনি । বরং এই ট্রিটমেন্ট স্বয়ং রব্বুল আলামীন দিয়েছেন'। ( উমদাতুল কারী: ২২/২৭৭)আল্লাহ তায়ালা আরো ইরশাদ করেন, ‘এবং তোমাদের প্রতিপালকের কাছে গুনাহের প্রার্থনা করো, তোমরা তার অভিমুখী হও। তিনি তোমাদেরকে এক নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত উত্তম জীবন উপভোগ করতে দিবেন।’ ( সূরা হুদ:৩) হাদিসের আলোকে ইস্তেগফারের উপকারিতা -  আবু দাউদ শরীফের বর্ণনা। আবদুল্লাহ ইবনু ’আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সবসময় ক্ষমা চায়, আল্লাহ তা’আলা তার জন্য প্রত্যেক সংকীর্ণতা হতে বের হয়ে আসার পথ খুলে দেন এবং তাকে প্রত্যেক দুশ্চিন্তা হতে মুক্ত করেন। আর তাকে এমন রিযক দান করেন, যা সে কক্ষনো ভাবতেও পারেনি।’ (আবু দাউদ: ১৫১৮)- নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এরশাদ করেন, ‘আল্লাহ শপথ নিশ্চয়ই আমি আল্লাহর কাছে প্রতিদিন ৭০ এর অধিক তওবা ও ইস্তেগফার করি। (বুখারী শরীফ : ৬৩০৭)- নবীজি সা. আরো বলেন, ‘আল্লাহ শপথ, যদি তোমরা গুনাহ না করো, অবশ্যই আল্লাহ তা'আলা তোমাদেরকে ব্যতিরেখে এমন একটি জাতির আগমন ঘটাবেন;  যারা গুনাহ করে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় আর আল্লাহ তা'আলা তাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন।’ (মুসলিম শরীফ:২৭৪৯)এসব ছাড়াও আরও অসংখ্য হাদিস রয়েছে , যা দ্বারা প্রমাণিত হয় ইস্তেগফার আমাদের জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। যাকে উপেক্ষা করার কারণে আজ মুসলিম জাতি সর্বদিকে নির্যাতিত, নিপীড়িত।দরিদ্রতার কষাঘাতে জর্জরিত। তাই আসুন প্রতিদিন ইস্তেগফার করি। এবং নিজেদের দুনিয়া ও আখেরাতকে সাজাই। ইস্তেগফারের সংক্ষিপ্ত বাক্য استغفر الله استغفر الله استغفر الله উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ গুনাহ ক্ষমা হওয়ার কালিমা তিরমিজি শরিফের বর্ণনা। হযরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন ,রাসূল সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি রাত্রিকালীন বিছানায় যাওয়ার পর استغفر الله الذي لا اله الا هو الحي القيوم واتوب اليه বাংলা উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহ আল্লাযি লাইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম ওয়া আতুবু আলাইহি। তিনবার পড়বে। আল্লাহ তায়ালা যদিও তার গুনাহসমূহ সমুদ্রের ফেনা সমপরিমাণ হোক না কেন,  ক্ষমা করে দিবেন।’ ( তিরমীজি শরীফ: ৩৩৯৭) মৃত্যুর পরপরই জান্নাতবাসী হওয়ার সহজ আমল বুখারী শরীফের বর্ণনা। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি নিন্মোক্ত এস্তেগফার টি পড়বে, সে যদি বিশ্বাসের সাথে সকালে পড়ে মারা যায়, তাহলে সে নিশ্চিত জান্নাতি। আর যদি বিশ্বাসের সাথে সন্ধ্যায় পড়ে মারা যায় তাহলে সেও নিশ্চিত জান্নাতি। আর সেটি হলো, সাইয়েদুল এসতেগফার। সাইয়েদুল ইস্তেগফারের বাক্য, اللهم انت ربي لا اله الا انت خلقتني وانا عبدك وانا على عهدك ووعدك ما استطعت. اعوذ بك من شر ما صنعت ابوء لك بنعمتك علي وابوء بذنبي فاغفر لي فانه لا يغفر الذنوب الا انت. বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আনতা রাব্বি লা ইলাহা ইল্লা আনতা, খালাকতানী ওয়া আনা আবদুকা ওয়া আনা আলা আহদিকা ওয়া ওয়া'দিকা মাসতাতা' তু।  আউযু বিকা মিন শাররিমা সানা' তু । আবুউ লাকা বিনী মাতিকা আলাইয়া ওয়া আবুউ বিযানবী।  ফাগফির লী ফাইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয যুনুবা ইল্লা আনতা।( বুখারী শরীফ:৬৩০৬)আর হ্যাঁ, ইস্তেগফার পাঠ করার সময় এর অর্থের প্রতি খেয়াল রাখা চাই। নিজের অপরাধ স্মরণ করে নিজেকে অপরাধী ভেবে অনুশোচনা নিয়ে পাঠ করলে এর উপকারিতাও হবে অনেক বেশি। সেই সাথে ভবিষ্যতে আর না করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা থাকা চাই মনের গহীনে। তবে আবার কখনো গুনাহ হয়ে গেলে তওবা-ইস্তেগফার করে রবের দিকে ফিরে আসতে যেন দেরি না করি। আসুন, তওবা ও ইস্তেগফারের আলোকে আমরা জীবনকে বিনির্মাণ করি। এবং একটি সুখময় জীবন উপভোগ করি। আল্লাহ তায়ালা আমাদের প্রত্যেককে তাওফিক দান করুন। আমীন।

তওবা ও ইসতেগফার: গুনাহমুক্ত জীবনের এক অনন্য উপায়