ভারতের উত্তরপ্রদেশের এক হিন্দু যুবক জম্মু-কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলায় স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছেন। ধর্মান্তরিত ওই যুবকের নাম বিশাল, যিনি বর্তমানে ‘মোহাম্মদ হামজা’ নাম ধারণ করেছেন। তার পরিবার এটিকে ‘বলপূর্বক ধর্মান্তর’ দাবি করে থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর উত্তরপ্রদেশ ও কাশ্মীর পুলিশ যৌথ অনুসন্ধান শুরু করেছে, যদিও স্থানীয় বাসিন্দা ও মসজিদ কর্তৃপক্ষ জোরপূর্বক ধর্মান্তরের দাবি সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছেন।
ভারতের উত্তরপ্রদেশের বিজনোর জেলার বাসিন্দা বিশাল নামের এক তরুণ উত্তর কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলায় স্বেচ্ছায় ও কোনো ধরনের প্ররোচনা ছাড়াই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় একটি মসজিদ কমিটি। তবে এই ঘটনাটি ভিন্ন মোড় নেয় যখন বিশালের বাবা কৃষ্ণ কুমার উত্তরপ্রদেশের বিজনোর পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হন এবং তার ছেলেকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করার একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই অভিযোগের পর জম্মু-কাশ্মীর এবং উত্তরপ্রদেশ—উভয় রাজ্যের পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে।
স্থানীয় সূত্রের, বিশাল গত প্রায় দেড় বছর ধরে কুপওয়ারা জেলার গ্লাসদাজি মানিঘা গ্রামের ‘গাজী হেয়ার সেলুন’ নামের একটি দোকানে কর্মরত ছিলেন। গত শুক্রবার (১৫ মে, ২০২৬) গ্রামের ‘মারকাজি জামিয়া মসজিদ’-এ স্থানীয় বাসিন্দা, মসজিদ পরিচালনা কমিটির কর্মকর্তা এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের উপস্থিতিতে বিশাল ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মসজিদের ইমাম তাকে ইসলামের মূল বিশ্বাসের বাণী বা ‘কালিমা’ পাঠ করাচ্ছেন।
মসজিদ কমিটির বিবৃতিতে কি আছে
ঘটনাটি নিয়ে বিতর্ক শুরু হলে মসজিদ কমিটি একটি লিখিত বিবৃতি প্রকাশ করে বলপূর্বক ধর্মান্তর বা কোনো ধরনের প্রলোভনের অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে। বিবৃতিতে জানানো হয়, ২০২৬ সালের ১৫ মে বিশাল সম্পূর্ণ নিজস্ব স্বাধীন ইচ্ছা এবং সজ্ঞানে ইসলাম গ্রহণ করে ‘মোহাম্মদ হামজা’ নাম গ্রহণ করেছেন।
দলিলটিতে উল্লেখ করা হয়:
"ধর্ম পরিবর্তনের পূর্বে ওই যুবককে স্পষ্টাক্ষরে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে—তিনি কোনো চাপ, লোভ, ভয় কিংবা বাধ্যবাধকতার কারণে ইসলাম গ্রহণ করছেন কি না। তিনি সকলের সামনে প্রকাশ্য জনসমক্ষে ঘোষণা করেন যে, তিনি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় এবং কারো হস্তক্ষেপ ছাড়াই ইসলাম গ্রহণ করছেন।"
ভবিষ্যতের যেকোনো ভুল বোঝাবুঝি এবং অনাকাঙ্ক্ষিত আইনি জটিলতা বা হস্তক্ষেপ এড়াতে এবং দাপ্তরিক রেকর্ড সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে এই লিখিত ঘোষণাপত্র তৈরি করা হয়েছে বলে মসজিদ কমিটি জানিয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটি কাইয়ুম আহাঙ্গারের তত্ত্বাবধানে এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়। ঘোষণাপত্রে প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে মোহাম্মদ আকরাম কোনশি, শাহজাদ পাঠান, চৌধুরী ইমতিয়াজ কাটারিয়া এবং কালিমদিন গুজারের নাম ও যোগাযোগ নম্বর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য
গ্লাসদাজি মানিঘা গ্রামের বাসিন্দারা দাবি করেছেন, বিশাল গত বেশ কয়েক মাস ধরে এই এলাকায় বসবাস করছেন এবং ধর্ম পরিবর্তনের আগে থেকেই তিনি নিয়মিত ইসলামিক শিক্ষার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, "সে এখানে শান্তিতে কাজ করছিল। গ্রামের সবাই তাকে চিনত। আমরা যা দেখেছি, সে নিজের ইচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করেছে।" অন্য এক গ্রামবাসী জানান, "তাকে কেউ বাধ্য করেনি। এই পদক্ষেপ নেওয়ার আগে সে নিয়মিত মসজিদে যেত এবং স্থানীয় মানুষের সাথে যোগাযোগ রাখত।"
তথ্য অনুযায়ী, বিশালকে এই গ্রামে কাজের জন্য নিয়ে এসেছিলেন ‘গাজী হেয়ার কাটিং সেলুন’-এর মালিক বিলাল আহমেদ। এর আগে বিশাল বারামুলা জেলায় ওয়াসিম নামের অপর এক যুবকের সাথে কাজ করতেন, যার বাড়িও উত্তরপ্রদেশের বিজনোরে। ঘটনাটি জনসমক্ষে আসার পর ওয়াসিমের মা মোহাম্মদী তার ছেলের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, "আমার ছেলের সাথে এই ধর্মান্তরের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা আগে একসাথে কাজ করত, কিন্তু গত আড়াই বছর ধরে তাদের মধ্যে কোনো যোগাযোগ নেই।"
বাসিন্দারা জানান, গত বছর বিশাল প্রথম কাজের সন্ধানে এই গ্রামে আসেন এবং শীতের শুরুতে বাড়ি ফিরে যান। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের মার্চ মাসে তিনি পুনরায় কুপওয়ারায় ফিরে আসেন এবং সেলুনে কাজ শুরু করার কিছুদিন পরই মসজিদে গিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।
সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। কিছু সংগঠন এটিকে জোরপূর্বক ধর্মান্তর বলে প্রচার করলেও স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায় এবং মসজিদ কর্তৃপক্ষ এটিকে ব্যক্তির ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার বলে অভিহিত করেছেন।
পুলিশ প্রশাসন এখনও বিশালের পরিবারের অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি। তবে বিজনোর এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে কুপওয়ারার স্থানীয় মুসলিম বাসিন্দারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, তদন্তের চূড়ান্ত ফলাফল আসার আগেই ইসলামে ধর্মান্তরের যেকোনো ঘটনাকে সন্দেহজনক বা অপরাধমূলক হিসেবে উপস্থাপন করার প্রবণতা দুঃখজনক। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের নিজস্ব পছন্দে ধর্ম বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানো উচিত এবং সত্যটা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রচারণার মাধ্যমে নয়, বরং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমেই বেরিয়ে আসা উচিত।
বিষয় : ভারত জম্মু কাশ্মীর

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
ভারতের উত্তরপ্রদেশের এক হিন্দু যুবক জম্মু-কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলায় স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছেন। ধর্মান্তরিত ওই যুবকের নাম বিশাল, যিনি বর্তমানে ‘মোহাম্মদ হামজা’ নাম ধারণ করেছেন। তার পরিবার এটিকে ‘বলপূর্বক ধর্মান্তর’ দাবি করে থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর উত্তরপ্রদেশ ও কাশ্মীর পুলিশ যৌথ অনুসন্ধান শুরু করেছে, যদিও স্থানীয় বাসিন্দা ও মসজিদ কর্তৃপক্ষ জোরপূর্বক ধর্মান্তরের দাবি সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছেন।
ভারতের উত্তরপ্রদেশের বিজনোর জেলার বাসিন্দা বিশাল নামের এক তরুণ উত্তর কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলায় স্বেচ্ছায় ও কোনো ধরনের প্ররোচনা ছাড়াই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় একটি মসজিদ কমিটি। তবে এই ঘটনাটি ভিন্ন মোড় নেয় যখন বিশালের বাবা কৃষ্ণ কুমার উত্তরপ্রদেশের বিজনোর পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হন এবং তার ছেলেকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করার একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই অভিযোগের পর জম্মু-কাশ্মীর এবং উত্তরপ্রদেশ—উভয় রাজ্যের পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে।
স্থানীয় সূত্রের, বিশাল গত প্রায় দেড় বছর ধরে কুপওয়ারা জেলার গ্লাসদাজি মানিঘা গ্রামের ‘গাজী হেয়ার সেলুন’ নামের একটি দোকানে কর্মরত ছিলেন। গত শুক্রবার (১৫ মে, ২০২৬) গ্রামের ‘মারকাজি জামিয়া মসজিদ’-এ স্থানীয় বাসিন্দা, মসজিদ পরিচালনা কমিটির কর্মকর্তা এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের উপস্থিতিতে বিশাল ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মসজিদের ইমাম তাকে ইসলামের মূল বিশ্বাসের বাণী বা ‘কালিমা’ পাঠ করাচ্ছেন।
মসজিদ কমিটির বিবৃতিতে কি আছে
ঘটনাটি নিয়ে বিতর্ক শুরু হলে মসজিদ কমিটি একটি লিখিত বিবৃতি প্রকাশ করে বলপূর্বক ধর্মান্তর বা কোনো ধরনের প্রলোভনের অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে। বিবৃতিতে জানানো হয়, ২০২৬ সালের ১৫ মে বিশাল সম্পূর্ণ নিজস্ব স্বাধীন ইচ্ছা এবং সজ্ঞানে ইসলাম গ্রহণ করে ‘মোহাম্মদ হামজা’ নাম গ্রহণ করেছেন।
দলিলটিতে উল্লেখ করা হয়:
"ধর্ম পরিবর্তনের পূর্বে ওই যুবককে স্পষ্টাক্ষরে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে—তিনি কোনো চাপ, লোভ, ভয় কিংবা বাধ্যবাধকতার কারণে ইসলাম গ্রহণ করছেন কি না। তিনি সকলের সামনে প্রকাশ্য জনসমক্ষে ঘোষণা করেন যে, তিনি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় এবং কারো হস্তক্ষেপ ছাড়াই ইসলাম গ্রহণ করছেন।"
ভবিষ্যতের যেকোনো ভুল বোঝাবুঝি এবং অনাকাঙ্ক্ষিত আইনি জটিলতা বা হস্তক্ষেপ এড়াতে এবং দাপ্তরিক রেকর্ড সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে এই লিখিত ঘোষণাপত্র তৈরি করা হয়েছে বলে মসজিদ কমিটি জানিয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটি কাইয়ুম আহাঙ্গারের তত্ত্বাবধানে এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়। ঘোষণাপত্রে প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে মোহাম্মদ আকরাম কোনশি, শাহজাদ পাঠান, চৌধুরী ইমতিয়াজ কাটারিয়া এবং কালিমদিন গুজারের নাম ও যোগাযোগ নম্বর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য
গ্লাসদাজি মানিঘা গ্রামের বাসিন্দারা দাবি করেছেন, বিশাল গত বেশ কয়েক মাস ধরে এই এলাকায় বসবাস করছেন এবং ধর্ম পরিবর্তনের আগে থেকেই তিনি নিয়মিত ইসলামিক শিক্ষার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, "সে এখানে শান্তিতে কাজ করছিল। গ্রামের সবাই তাকে চিনত। আমরা যা দেখেছি, সে নিজের ইচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করেছে।" অন্য এক গ্রামবাসী জানান, "তাকে কেউ বাধ্য করেনি। এই পদক্ষেপ নেওয়ার আগে সে নিয়মিত মসজিদে যেত এবং স্থানীয় মানুষের সাথে যোগাযোগ রাখত।"
তথ্য অনুযায়ী, বিশালকে এই গ্রামে কাজের জন্য নিয়ে এসেছিলেন ‘গাজী হেয়ার কাটিং সেলুন’-এর মালিক বিলাল আহমেদ। এর আগে বিশাল বারামুলা জেলায় ওয়াসিম নামের অপর এক যুবকের সাথে কাজ করতেন, যার বাড়িও উত্তরপ্রদেশের বিজনোরে। ঘটনাটি জনসমক্ষে আসার পর ওয়াসিমের মা মোহাম্মদী তার ছেলের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, "আমার ছেলের সাথে এই ধর্মান্তরের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা আগে একসাথে কাজ করত, কিন্তু গত আড়াই বছর ধরে তাদের মধ্যে কোনো যোগাযোগ নেই।"
বাসিন্দারা জানান, গত বছর বিশাল প্রথম কাজের সন্ধানে এই গ্রামে আসেন এবং শীতের শুরুতে বাড়ি ফিরে যান। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের মার্চ মাসে তিনি পুনরায় কুপওয়ারায় ফিরে আসেন এবং সেলুনে কাজ শুরু করার কিছুদিন পরই মসজিদে গিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।
সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। কিছু সংগঠন এটিকে জোরপূর্বক ধর্মান্তর বলে প্রচার করলেও স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায় এবং মসজিদ কর্তৃপক্ষ এটিকে ব্যক্তির ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার বলে অভিহিত করেছেন।
পুলিশ প্রশাসন এখনও বিশালের পরিবারের অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি। তবে বিজনোর এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে কুপওয়ারার স্থানীয় মুসলিম বাসিন্দারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, তদন্তের চূড়ান্ত ফলাফল আসার আগেই ইসলামে ধর্মান্তরের যেকোনো ঘটনাকে সন্দেহজনক বা অপরাধমূলক হিসেবে উপস্থাপন করার প্রবণতা দুঃখজনক। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের নিজস্ব পছন্দে ধর্ম বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানো উচিত এবং সত্যটা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রচারণার মাধ্যমে নয়, বরং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমেই বেরিয়ে আসা উচিত।

আপনার মতামত লিখুন