মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি অর্জনের লক্ষ্যে একটি নতুন শান্তি প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে গাজায় যুদ্ধবিরতি ও আব্রাহাম চুক্তি সম্প্রসারণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে, "আমরা যা নিয়ে কাজ করছি তা মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য।" তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে গাজা ও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান এবং আব্রাহাম চুক্তি সম্প্রসারণের বিষয় আলোচনা হয়েছে।
ট্রাম্প আরব ও ইসলামী দেশগুলির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শান্তি প্রক্রিয়ায় সহায়তার জন্য এবং নেতানিয়াহুর প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন মধ্যপ্রাচ্য শান্তি পরিকল্পনায় সম্মত হওয়ার জন্য। তিনি জানান, গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং বন্দী বিনিময় নিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা সফল হয়েছে এবং এ বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবের আওতায় ৭২ ঘন্টার মধ্যে সকল জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে, ইসরায়েলি যুবকদের দেহাবশেষ তাদের পরিবারকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে, গাজা উপত্যকা নিরস্ত্রীকরণ করা হবে এবং হামাসের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা হবে। ট্রাম্প জানান, "হামাসই একমাত্র অবশিষ্ট পক্ষ। যদি হামাস এই প্রস্তাবে সম্মত হয়, যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধ হবে।"
ট্রাম্প একটি নতুন আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধান সংস্থা 'শান্তি পরিষদ' প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন, যার সভাপতিত্ব তিনি গাজায় করবেন এবং টনি ব্লেয়ারের সঙ্গে অংশীদারিত্বে পরিচালনা করবেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, "গাজায় যুদ্ধ অবসান, জিম্মি মুক্তি এবং টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা আমার পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য।"
প্রস্তাবের মধ্যে আব্রাহাম চুক্তি সম্প্রসারণের কথাও রয়েছে। ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, ইরানও চাইলে এই চুক্তিতে যোগ দিতে পারে। তিনি ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও ফিলিস্তিনি জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করতে তার উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
ট্রাম্প বলেন, "ইসরায়েলিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ফিলিস্তিনিদের সফলতা এবং শান্তির স্থায়ী অবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। আব্রাহাম চুক্তি প্রমাণ করে যে সমস্ত দেশ একসাথে কাজ করলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি সম্ভব।"

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি অর্জনের লক্ষ্যে একটি নতুন শান্তি প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে গাজায় যুদ্ধবিরতি ও আব্রাহাম চুক্তি সম্প্রসারণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে, "আমরা যা নিয়ে কাজ করছি তা মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য।" তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে গাজা ও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান এবং আব্রাহাম চুক্তি সম্প্রসারণের বিষয় আলোচনা হয়েছে।
ট্রাম্প আরব ও ইসলামী দেশগুলির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শান্তি প্রক্রিয়ায় সহায়তার জন্য এবং নেতানিয়াহুর প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন মধ্যপ্রাচ্য শান্তি পরিকল্পনায় সম্মত হওয়ার জন্য। তিনি জানান, গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং বন্দী বিনিময় নিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা সফল হয়েছে এবং এ বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবের আওতায় ৭২ ঘন্টার মধ্যে সকল জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে, ইসরায়েলি যুবকদের দেহাবশেষ তাদের পরিবারকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে, গাজা উপত্যকা নিরস্ত্রীকরণ করা হবে এবং হামাসের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা হবে। ট্রাম্প জানান, "হামাসই একমাত্র অবশিষ্ট পক্ষ। যদি হামাস এই প্রস্তাবে সম্মত হয়, যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধ হবে।"
ট্রাম্প একটি নতুন আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধান সংস্থা 'শান্তি পরিষদ' প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন, যার সভাপতিত্ব তিনি গাজায় করবেন এবং টনি ব্লেয়ারের সঙ্গে অংশীদারিত্বে পরিচালনা করবেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, "গাজায় যুদ্ধ অবসান, জিম্মি মুক্তি এবং টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা আমার পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য।"
প্রস্তাবের মধ্যে আব্রাহাম চুক্তি সম্প্রসারণের কথাও রয়েছে। ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, ইরানও চাইলে এই চুক্তিতে যোগ দিতে পারে। তিনি ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও ফিলিস্তিনি জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করতে তার উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
ট্রাম্প বলেন, "ইসরায়েলিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ফিলিস্তিনিদের সফলতা এবং শান্তির স্থায়ী অবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। আব্রাহাম চুক্তি প্রমাণ করে যে সমস্ত দেশ একসাথে কাজ করলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি সম্ভব।"

আপনার মতামত লিখুন