গাজা উপত্যকায় প্রায় দুই বছর ধরে চলা সংঘাতের অবসান ঘটাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত শান্তি পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছে ইউক্রেন। কিয়েভের মতে, এই প্রস্তাব আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের ভিত্তিতে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা পুনর্গঠনে সহায়ক হতে পারে।
ইউক্রেন সব পক্ষকে দ্রুততম সময়ে পরিকল্পনাটি কার্যকর করার আহ্বান জানায়, যাতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, মানবিক সংকট মোকাবিলা করা যায় এবং প্রাণহানি কমানো সম্ভব হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আমরা বিশ্বাস করি এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে, যা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে গড়ে উঠবে।”
ট্রাম্প সোমবার ওয়াশিংটন ডিসিতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ২০ দফা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। এতে রয়েছে—
সকল ইসরায়েলি বন্দি মুক্তির বিনিময়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি,
হামাসের নিরস্ত্রীকরণ,
ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার,
এবং গাজা শাসনে একটি অরাজনৈতিক, কারিগরি প্রশাসনিক কমিটি গঠন।
ইউক্রেন মনে করছে, এই পরিকল্পনা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বের ভূমিকাকে আরও সুদৃঢ় করবে।
বিষয় : ইউক্রেন

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৫
গাজা উপত্যকায় প্রায় দুই বছর ধরে চলা সংঘাতের অবসান ঘটাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত শান্তি পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছে ইউক্রেন। কিয়েভের মতে, এই প্রস্তাব আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের ভিত্তিতে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা পুনর্গঠনে সহায়ক হতে পারে।
ইউক্রেন সব পক্ষকে দ্রুততম সময়ে পরিকল্পনাটি কার্যকর করার আহ্বান জানায়, যাতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, মানবিক সংকট মোকাবিলা করা যায় এবং প্রাণহানি কমানো সম্ভব হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আমরা বিশ্বাস করি এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে, যা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে গড়ে উঠবে।”
ট্রাম্প সোমবার ওয়াশিংটন ডিসিতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ২০ দফা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। এতে রয়েছে—
সকল ইসরায়েলি বন্দি মুক্তির বিনিময়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি,
হামাসের নিরস্ত্রীকরণ,
ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার,
এবং গাজা শাসনে একটি অরাজনৈতিক, কারিগরি প্রশাসনিক কমিটি গঠন।
ইউক্রেন মনে করছে, এই পরিকল্পনা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বের ভূমিকাকে আরও সুদৃঢ় করবে।

আপনার মতামত লিখুন