বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কওমী টাইমস

সার্ভে অনুযায়ী ৭২% ইতালীয় ‘গ্লোবাল সমুদ ফ্লোটিলা’ উদ্যোগকে সমর্থন করেছে, যদিও সরকারের ভূমিকা নিয়ে বিভক্ত মতামত

গাজাগামী মানবিক নৌবহরে ইতালীয় নাগরিকদের সুরক্ষা চায় দেশটির জনগণ


কওমী টাইমস ডেস্ক
কওমী টাইমস ডেস্ক
প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

গাজাগামী মানবিক নৌবহরে ইতালীয় নাগরিকদের সুরক্ষা চায় দেশটির জনগণ

এক জরিপে দেখা গেছে, গাজায় মানবিক সাহায্য পাঠানো নৌবহরে থাকা ইতালীয় নাগরিকদের সুরক্ষায় সরকারকে এগিয়ে আসতে বলছে দেশটির জনগণ। তবে কীভাবে এগিয়ে আসবে, তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে।

ইতালির জনমত জরিপ সংস্থা Izi-এর এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৬২% ইতালীয় নাগরিক মনে করেন গাজাগামী ‘গ্লোবাল সমুদ ফ্লোটিলা’তে থাকা ইতালীয়দের রক্ষায় সরকারকে ব্যবস্থা নিতে হবে। এর মধ্যে ৬০% কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দিলেও, ৪০% চান নৌবাহিনীর জাহাজ মোতায়েন করা হোক।

জরিপে আরও জানা যায়, ৭২% ইতালীয় নাগরিক সম্পূর্ণভাবে এই ফ্লোটিলা উদ্যোগকে সমর্থন করছেন। তবে ৬০% মনে করেন উদ্যোগটি সফল করতে কর্মীদের কিছু আপস করা উচিত। মাত্র ৭.৩% উত্তরদাতা পুরো মিশন বাতিলের পক্ষে।

তবে সরকার–সমর্থক ভোটারদের মধ্যেই বিভক্তি স্পষ্ট। তাদের মধ্যে প্রায় ৬২.৫% মনে করেন সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপ অপ্রয়োজনীয়

ফ্লোটিলাটি মূলত খাদ্য, চিকিৎসা সামগ্রী ও মানবিক সহায়তা নিয়ে কয়েক দিন আগে গাজামুখী যাত্রা শুরু করেছে। বহু বছর পর একসঙ্গে এতগুলো নৌযান গাজায় যাচ্ছে। ইসরায়েলি অবরোধে প্রায় ১৮ বছর ধরে বন্দি গাজা উপত্যকা, যেখানে প্রায় ২৪ লাখ মানুষের বসবাস।

চলতি বছরের মার্চে ইসরায়েল সব সীমান্ত বন্ধ করে খাদ্য, ওষুধ ও মানবিক সহায়তা আটকে দেয়। ফলে সীমান্তে শত শত ট্রাক থেমে থাকলেও গাজায় দুর্ভিক্ষ, রোগব্যাধি ও ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে।

ইসরায়েলি সেনারা ২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া আগ্রাসনে ইতিমধ্যে ৬৬,০০০–এর বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। অব্যাহত বোমাবর্ষণে এলাকা কার্যত বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

বিষয় : ইতালি

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


গাজাগামী মানবিক নৌবহরে ইতালীয় নাগরিকদের সুরক্ষা চায় দেশটির জনগণ

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৫

featured Image

এক জরিপে দেখা গেছে, গাজায় মানবিক সাহায্য পাঠানো নৌবহরে থাকা ইতালীয় নাগরিকদের সুরক্ষায় সরকারকে এগিয়ে আসতে বলছে দেশটির জনগণ। তবে কীভাবে এগিয়ে আসবে, তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে।

ইতালির জনমত জরিপ সংস্থা Izi-এর এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৬২% ইতালীয় নাগরিক মনে করেন গাজাগামী ‘গ্লোবাল সমুদ ফ্লোটিলা’তে থাকা ইতালীয়দের রক্ষায় সরকারকে ব্যবস্থা নিতে হবে। এর মধ্যে ৬০% কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দিলেও, ৪০% চান নৌবাহিনীর জাহাজ মোতায়েন করা হোক।

জরিপে আরও জানা যায়, ৭২% ইতালীয় নাগরিক সম্পূর্ণভাবে এই ফ্লোটিলা উদ্যোগকে সমর্থন করছেন। তবে ৬০% মনে করেন উদ্যোগটি সফল করতে কর্মীদের কিছু আপস করা উচিত। মাত্র ৭.৩% উত্তরদাতা পুরো মিশন বাতিলের পক্ষে।

তবে সরকার–সমর্থক ভোটারদের মধ্যেই বিভক্তি স্পষ্ট। তাদের মধ্যে প্রায় ৬২.৫% মনে করেন সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপ অপ্রয়োজনীয়

ফ্লোটিলাটি মূলত খাদ্য, চিকিৎসা সামগ্রী ও মানবিক সহায়তা নিয়ে কয়েক দিন আগে গাজামুখী যাত্রা শুরু করেছে। বহু বছর পর একসঙ্গে এতগুলো নৌযান গাজায় যাচ্ছে। ইসরায়েলি অবরোধে প্রায় ১৮ বছর ধরে বন্দি গাজা উপত্যকা, যেখানে প্রায় ২৪ লাখ মানুষের বসবাস।

চলতি বছরের মার্চে ইসরায়েল সব সীমান্ত বন্ধ করে খাদ্য, ওষুধ ও মানবিক সহায়তা আটকে দেয়। ফলে সীমান্তে শত শত ট্রাক থেমে থাকলেও গাজায় দুর্ভিক্ষ, রোগব্যাধি ও ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে।

ইসরায়েলি সেনারা ২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া আগ্রাসনে ইতিমধ্যে ৬৬,০০০–এর বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। অব্যাহত বোমাবর্ষণে এলাকা কার্যত বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মুস্তাইন বিল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ কওমী টাইমস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত