আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা ও অভিন্ন প্রতিবাদের অংশ হিসেবে গাজার উদ্দেশ্যে এগুচ্ছে সুমুদ ফ্লোটিলা। বহরের দাবি, ইসরায়েলি জাহাজগুলো তাদের নেতৃত্বাধীন জাহাজগুলোতে ইলেকট্রনিক সিস্টেমে বাধা সৃষ্টি করলেও বহর যাত্রা থামায়নি এবং গাজার উপকূলের দিকে অগ্রসর হয়ে চলেছে।
নওয়ারের বিবরণ অনুযায়ী, ইসরায়েলি নৌযানগুলো মূলত পরীক্ষামূলকভাবে চেষ্টা করছিল যে—কোনো পরিস্থিতিতেই সম্মুখস্থ জাহাজগুলো থেমে পড়বে কি না। কিন্তু বহরের সদস্যরা বলছেন, “যদি ৪৭টি জাহাজ থেমে যায়, ৪৮তম জাহাজ তখনও গাজার দিকে এগিয়ে যাবে”—এমন মনোভাব বজায় রেখে তারা অভিযাত্রা চালিয়ে গেছে। অবশেষে ইসরায়েলি জাহাজগুলো পরিস্থিতি দেখে পিছু হটেন।
ফ্লোটিলাটি জানিয়েছে তারা গাজার উপকূল থেকে প্রায় ১২০ নটিক্যাল মাইল দূরে পৌঁছেছে এবং ‘উচ্চ ঝুঁকির অঞ্চল’-এ প্রবেশের পর থেকেই সতর্ক অবস্থায় আছে। বহর ইস্যুকে ঘিরে বিশ্বব্যাপী কিছু মানবাধিকার সংগঠন, যেমন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, তাদের সুরক্ষারত অনুরোধ জানিয়েছে। জাতিসংঘও প্রত্যাহ্বান করেছে যে—কোনো আন্তর্জাতিক নৌবহর বা মানবিক সহায়তাকারী জাহাজে আক্রমণ গ্রহণযোগ্য নয়।
ইসরায়েলের সরকারি বা সামরিক পক্ষ থেকে স্বতন্ত্রভাবে প্রতিক্রিয়া প্রদান করলে তা এখনও বহরের ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর দাবি-বিবৃতির সঙ্গে মিশ্রভাবে বিশ্লেষণ করা হবে। উল্লেখ্য, ইতিহাসগতভাবে গাজা উপত্যকা দীর্ঘদিন ধরে অবরুদ্ধ এবং সাম্প্রতিক সংঘাত ও অবরোধের কারণে সেখানে মানবিক সংকট তীব্র—খাদ্য, ওষুধ ও আশ্রয়ের অভাব চরম আকার ধারণ করেছে।
সম্প্রতি কয়েকবারই ইসরায়েল বিভিন্ন সময়ে গাজার উদ্দেশ্যে যাওয়া জাহাজ বা বহরকে আটক বা জাহাজ জব্দের ঘটনা ঘটিয়েছে; এই অ্যাকশনগুলোর মধ্যে মাঝে মাঝে সক্রিয় অব্যবহার ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও তৎপরতা বেড়েছে। সুমুদ ফ্লোটিলার এই যাত্রাকে অনেক দেশ ও সংগঠন মানবিক সহায়তা নিশ্চিতকরণ ও অবরোধ ভাঙার একটি পরীক্ষা হিসেবে দেখছে।
বিষয় : সুমুদ ফ্লোটিলা

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৫
আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা ও অভিন্ন প্রতিবাদের অংশ হিসেবে গাজার উদ্দেশ্যে এগুচ্ছে সুমুদ ফ্লোটিলা। বহরের দাবি, ইসরায়েলি জাহাজগুলো তাদের নেতৃত্বাধীন জাহাজগুলোতে ইলেকট্রনিক সিস্টেমে বাধা সৃষ্টি করলেও বহর যাত্রা থামায়নি এবং গাজার উপকূলের দিকে অগ্রসর হয়ে চলেছে।
নওয়ারের বিবরণ অনুযায়ী, ইসরায়েলি নৌযানগুলো মূলত পরীক্ষামূলকভাবে চেষ্টা করছিল যে—কোনো পরিস্থিতিতেই সম্মুখস্থ জাহাজগুলো থেমে পড়বে কি না। কিন্তু বহরের সদস্যরা বলছেন, “যদি ৪৭টি জাহাজ থেমে যায়, ৪৮তম জাহাজ তখনও গাজার দিকে এগিয়ে যাবে”—এমন মনোভাব বজায় রেখে তারা অভিযাত্রা চালিয়ে গেছে। অবশেষে ইসরায়েলি জাহাজগুলো পরিস্থিতি দেখে পিছু হটেন।
ফ্লোটিলাটি জানিয়েছে তারা গাজার উপকূল থেকে প্রায় ১২০ নটিক্যাল মাইল দূরে পৌঁছেছে এবং ‘উচ্চ ঝুঁকির অঞ্চল’-এ প্রবেশের পর থেকেই সতর্ক অবস্থায় আছে। বহর ইস্যুকে ঘিরে বিশ্বব্যাপী কিছু মানবাধিকার সংগঠন, যেমন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, তাদের সুরক্ষারত অনুরোধ জানিয়েছে। জাতিসংঘও প্রত্যাহ্বান করেছে যে—কোনো আন্তর্জাতিক নৌবহর বা মানবিক সহায়তাকারী জাহাজে আক্রমণ গ্রহণযোগ্য নয়।
ইসরায়েলের সরকারি বা সামরিক পক্ষ থেকে স্বতন্ত্রভাবে প্রতিক্রিয়া প্রদান করলে তা এখনও বহরের ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর দাবি-বিবৃতির সঙ্গে মিশ্রভাবে বিশ্লেষণ করা হবে। উল্লেখ্য, ইতিহাসগতভাবে গাজা উপত্যকা দীর্ঘদিন ধরে অবরুদ্ধ এবং সাম্প্রতিক সংঘাত ও অবরোধের কারণে সেখানে মানবিক সংকট তীব্র—খাদ্য, ওষুধ ও আশ্রয়ের অভাব চরম আকার ধারণ করেছে।
সম্প্রতি কয়েকবারই ইসরায়েল বিভিন্ন সময়ে গাজার উদ্দেশ্যে যাওয়া জাহাজ বা বহরকে আটক বা জাহাজ জব্দের ঘটনা ঘটিয়েছে; এই অ্যাকশনগুলোর মধ্যে মাঝে মাঝে সক্রিয় অব্যবহার ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও তৎপরতা বেড়েছে। সুমুদ ফ্লোটিলার এই যাত্রাকে অনেক দেশ ও সংগঠন মানবিক সহায়তা নিশ্চিতকরণ ও অবরোধ ভাঙার একটি পরীক্ষা হিসেবে দেখছে।

আপনার মতামত লিখুন