মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক ১৫০ জনের বেশি বিশেষজ্ঞ জার্মানিকে ইসরায়েলকে নিঃশর্ত সমর্থনের নীতি থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, বার্লিনকে আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি গঠন করতে হবে।
আনাদোলুর খবরে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক নীতিপত্রে বিশেষজ্ঞরা জার্মানির তথাকথিত Staatsraison বা ‘রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা’ নীতি থেকে সরে আসার আহ্বান জানান। তারা বলেন, জার্মানির ঐতিহাসিক দায় স্বীকার মানে শুধু ইসরায়েলি সরকারের সব কর্মকাণ্ডকে সমর্থন নয়, বরং আন্তর্জাতিক আইন মেনে মানবাধিকার রক্ষা করা।
বিশেষজ্ঞরা স্মরণ করিয়ে দেন যে, নাৎসি আমলে সংঘটিত Shoah-তে লাখো ইহুদির হত্যার দায় স্বীকার করতে গিয়ে জার্মানিকে অন্য জনগোষ্ঠীর অধিকার অবহেলা করা উচিত নয়। গাজায় চলমান যুদ্ধাপরাধের প্রেক্ষিতে নিঃশর্ত সমর্থন মানবিকতা ও আন্তর্জাতিক মর্যাদার পরিপন্থী বলেও উল্লেখ করা হয়।
প্রায় ১৭০ জন স্বাক্ষরকারী বিশেষজ্ঞের মধ্যে ছিলেন গণহত্যা গবেষক ওমার বার্তভ, মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞ ক্রিস্টিন হেলবার্গ, লেখক শার্লট ভিদেমান, ইইউর সাবেক পররাষ্ট্রনীতি প্রধান জোসেপ বোরেল এবং ইসরায়েলের সাবেক রাষ্ট্রদূত ইলান বারুখ। নীতিপত্রটি প্রণয়ন করেছেন ফিলিপ হোলৎসাপফেল, ড্যানিয়েল গারলাচ ও মুরিয়েল আসেবুর্গের নেতৃত্বাধীন একটি মূল দল।
তারা জার্মানিকে অবিলম্বে ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ইসরায়েলে অস্ত্র রপ্তানি বন্ধ, ইইউ–ইসরায়েল অ্যাসোসিয়েশন চুক্তি স্থগিত এবং দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূমির বসতি পণ্যে নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জার্মানির সার্বজনীন ঐতিহাসিক দায়িত্ব হলো আন্তর্জাতিক আইন প্রতিষ্ঠা করা ও বৈষম্যহীনভাবে মানবাধিকার রক্ষা করা। তা না হলে কেবল ফিলিস্তিন নয়, বরং ইসরায়েলি জনগণ ও জার্মানির দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫
মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক ১৫০ জনের বেশি বিশেষজ্ঞ জার্মানিকে ইসরায়েলকে নিঃশর্ত সমর্থনের নীতি থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, বার্লিনকে আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি গঠন করতে হবে।
আনাদোলুর খবরে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক নীতিপত্রে বিশেষজ্ঞরা জার্মানির তথাকথিত Staatsraison বা ‘রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা’ নীতি থেকে সরে আসার আহ্বান জানান। তারা বলেন, জার্মানির ঐতিহাসিক দায় স্বীকার মানে শুধু ইসরায়েলি সরকারের সব কর্মকাণ্ডকে সমর্থন নয়, বরং আন্তর্জাতিক আইন মেনে মানবাধিকার রক্ষা করা।
বিশেষজ্ঞরা স্মরণ করিয়ে দেন যে, নাৎসি আমলে সংঘটিত Shoah-তে লাখো ইহুদির হত্যার দায় স্বীকার করতে গিয়ে জার্মানিকে অন্য জনগোষ্ঠীর অধিকার অবহেলা করা উচিত নয়। গাজায় চলমান যুদ্ধাপরাধের প্রেক্ষিতে নিঃশর্ত সমর্থন মানবিকতা ও আন্তর্জাতিক মর্যাদার পরিপন্থী বলেও উল্লেখ করা হয়।
প্রায় ১৭০ জন স্বাক্ষরকারী বিশেষজ্ঞের মধ্যে ছিলেন গণহত্যা গবেষক ওমার বার্তভ, মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞ ক্রিস্টিন হেলবার্গ, লেখক শার্লট ভিদেমান, ইইউর সাবেক পররাষ্ট্রনীতি প্রধান জোসেপ বোরেল এবং ইসরায়েলের সাবেক রাষ্ট্রদূত ইলান বারুখ। নীতিপত্রটি প্রণয়ন করেছেন ফিলিপ হোলৎসাপফেল, ড্যানিয়েল গারলাচ ও মুরিয়েল আসেবুর্গের নেতৃত্বাধীন একটি মূল দল।
তারা জার্মানিকে অবিলম্বে ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ইসরায়েলে অস্ত্র রপ্তানি বন্ধ, ইইউ–ইসরায়েল অ্যাসোসিয়েশন চুক্তি স্থগিত এবং দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূমির বসতি পণ্যে নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জার্মানির সার্বজনীন ঐতিহাসিক দায়িত্ব হলো আন্তর্জাতিক আইন প্রতিষ্ঠা করা ও বৈষম্যহীনভাবে মানবাধিকার রক্ষা করা। তা না হলে কেবল ফিলিস্তিন নয়, বরং ইসরায়েলি জনগণ ও জার্মানির দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আপনার মতামত লিখুন