তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেজেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ঘোষণা করেছেন যে, দেশটি গাজায় নবঘোষিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির বাস্তবায়ন তদারকির জন্য আন্তর্জাতিক টাস্কফোর্সে অংশ নেবে। তিনি বলেন, মানবিক সহায়তা, বন্দি বিনিময় ও ইসরায়েলি হামলা বন্ধ এখন সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তুরস্ক ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার আঙ্কারায় দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান জানান, গাজার যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দল মাঠপর্যায়ে কাজ করবে এবং তুরস্ক সক্রিয়ভাবে এতে অংশ নেবে।
তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো গাজায় চলমান গণহত্যা বন্ধ করা এবং যত দ্রুত সম্ভব এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনা।” এরদোয়ান আরও জোর দিয়ে বলেন, “পৃথিবীর অন্য যে কারও চেয়ে গাজার মানুষ আজ শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বেশি দাবিদার।”
এই ঘোষণা আসে বৃহস্পতিবার সকালে মিশরের শার্ম আল-শেখে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে নতুন যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের পর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থাপিত ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার ভিত্তিতে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।
চুক্তির প্রথম ধাপে রয়েছে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি, বন্দি ও আটককৃতদের বিনিময়, গাজা থেকে ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং আন্তর্জাতিক সহায়তায় মানবিক ত্রাণ প্রবেশ ও পুনর্গঠন কাজ শুরু করা।
এই আলোচনায় অংশ নেয় কাতার, তুরস্ক, মিশর ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, “আমি গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি—ইসরায়েল ও হামাস উভয়েই আমাদের শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে স্বাক্ষর করেছে। কাতার, মিশর ও তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীদের ধন্যবাদ, যারা এই ঐতিহাসিক চুক্তিকে বাস্তবায়নযোগ্য করে তুলেছেন।”
বিষয় : তুরস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৫
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেজেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ঘোষণা করেছেন যে, দেশটি গাজায় নবঘোষিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির বাস্তবায়ন তদারকির জন্য আন্তর্জাতিক টাস্কফোর্সে অংশ নেবে। তিনি বলেন, মানবিক সহায়তা, বন্দি বিনিময় ও ইসরায়েলি হামলা বন্ধ এখন সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তুরস্ক ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার আঙ্কারায় দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান জানান, গাজার যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দল মাঠপর্যায়ে কাজ করবে এবং তুরস্ক সক্রিয়ভাবে এতে অংশ নেবে।
তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো গাজায় চলমান গণহত্যা বন্ধ করা এবং যত দ্রুত সম্ভব এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনা।” এরদোয়ান আরও জোর দিয়ে বলেন, “পৃথিবীর অন্য যে কারও চেয়ে গাজার মানুষ আজ শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বেশি দাবিদার।”
এই ঘোষণা আসে বৃহস্পতিবার সকালে মিশরের শার্ম আল-শেখে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে নতুন যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের পর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থাপিত ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার ভিত্তিতে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।
চুক্তির প্রথম ধাপে রয়েছে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি, বন্দি ও আটককৃতদের বিনিময়, গাজা থেকে ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং আন্তর্জাতিক সহায়তায় মানবিক ত্রাণ প্রবেশ ও পুনর্গঠন কাজ শুরু করা।
এই আলোচনায় অংশ নেয় কাতার, তুরস্ক, মিশর ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, “আমি গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি—ইসরায়েল ও হামাস উভয়েই আমাদের শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে স্বাক্ষর করেছে। কাতার, মিশর ও তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীদের ধন্যবাদ, যারা এই ঐতিহাসিক চুক্তিকে বাস্তবায়নযোগ্য করে তুলেছেন।”

আপনার মতামত লিখুন