গাজা উপত্যকায় সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের সমন্বয়ের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলে প্রায় ২০০ সেনা পাঠাতে চলেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো বেসামরিক-সামরিক সমন্বয় কেন্দ্র স্থাপন করে চুক্তির কার্যকারিতা ও অঞ্চলে স্থায়ী শাসন প্রতিষ্ঠার পথ মসৃণ করা। তবে ওয়াশিংটন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এই মার্কিন সেনারা গাজার ভেতরে প্রবেশ করবে না, বরং ইসরায়েলে থেকে লজিস্টিক ও পর্যবেক্ষণমূলক সহায়তা দেবে। এই পরিকল্পনা দ্রুতই কার্যকর হতে চলেছে, ধারণা করা হচ্ছে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সেনারা ইসরায়েলে পৌঁছাবে।
মার্কিন প্রশাসন গাজা উপত্যকায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির তত্ত্বাবধানের জন্য ইসরায়েলে প্রায় ২০০ সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। এই পদক্ষেপের প্রধান উদ্দেশ্য হলো যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করা এবং গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবেশ ও বিতরণ নিশ্চিত করা।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ডের (CENTCOM) তত্ত্বাবধানে ইসরায়েলে একটি "বেসামরিক-সামরিক সমন্বয় কেন্দ্র" (Civil-Military Coordination Center) স্থাপন করা হবে। i24NEWS-কে দেওয়া এক মার্কিন সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, এই কেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্য হলো গাজা উপত্যকায় আসন্ন সময়ে "বিভিন্ন বিষয় সমন্বয়" করা এবং "অঞ্চলে স্থায়ী শাসন প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করা"।
মানবতার দিক: কেন্দ্রটি গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবেশ সহজ করবে এবং লজিস্টিক সহায়তা দেবে।
সমন্বয়: গাজায় কর্মরত বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে যোগাযোগের সুবিধার্থে কেন্দ্রটিতে সকলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন, যা সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে সহায়তা করবে।
নজরদারি: এর মূল কাজের মধ্যে রয়েছে যুদ্ধবিরতির চুক্তি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করা এবং গাজায় বেসামরিক সরকারে রূপান্তর প্রক্রিয়া অনুসরণ করা।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) বৃহস্পতিবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায় যে এই ২০০ জন সেনা সমন্বয়কারী দলের অংশ হিসেবে ইসরায়েলে কাজ করবে।
আগমন: মার্কিন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আশা করা হচ্ছে এই মার্কিন সেনারা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই, সম্ভবত আগামী রবিবার নাগাদ ইসরায়েলে পৌঁছাবে।
অবস্থান: কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে কোনো মার্কিন সেনাই গাজার ভূখণ্ডে প্রবেশ করবে না। তারা ইসরায়েল থেকে কাজ করবে।
পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি: মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহের জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রতিনিধিরা থাকবে এবং নজরদারির জন্য গাজার ওপর দিয়ে বিমান পরিচালনা করা হতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছিলেন যে ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ এবং বন্দী বিনিময়ের বিষয়ে একটি চুক্তি হয়েছে। এটি মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতা এবং তুরস্কের প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণে শার্ম আল-শেখ শহরে চার দিনের পরোক্ষ আলোচনার ফসল। উল্লেখ্য, গত ৮ অক্টোবর, ২০২৩ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলের আক্রমণে গাজায় ব্যাপক হতাহত ও মানবিক বিপর্যয় ঘটেছে, যাতে ৬৭,১৯৪ জন নিহত এবং ১,৬৯,৮৯০ জন আহত হয়েছে।
বিষয় : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৫
গাজা উপত্যকায় সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের সমন্বয়ের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলে প্রায় ২০০ সেনা পাঠাতে চলেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো বেসামরিক-সামরিক সমন্বয় কেন্দ্র স্থাপন করে চুক্তির কার্যকারিতা ও অঞ্চলে স্থায়ী শাসন প্রতিষ্ঠার পথ মসৃণ করা। তবে ওয়াশিংটন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এই মার্কিন সেনারা গাজার ভেতরে প্রবেশ করবে না, বরং ইসরায়েলে থেকে লজিস্টিক ও পর্যবেক্ষণমূলক সহায়তা দেবে। এই পরিকল্পনা দ্রুতই কার্যকর হতে চলেছে, ধারণা করা হচ্ছে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সেনারা ইসরায়েলে পৌঁছাবে।
মার্কিন প্রশাসন গাজা উপত্যকায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির তত্ত্বাবধানের জন্য ইসরায়েলে প্রায় ২০০ সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। এই পদক্ষেপের প্রধান উদ্দেশ্য হলো যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করা এবং গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবেশ ও বিতরণ নিশ্চিত করা।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ডের (CENTCOM) তত্ত্বাবধানে ইসরায়েলে একটি "বেসামরিক-সামরিক সমন্বয় কেন্দ্র" (Civil-Military Coordination Center) স্থাপন করা হবে। i24NEWS-কে দেওয়া এক মার্কিন সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, এই কেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্য হলো গাজা উপত্যকায় আসন্ন সময়ে "বিভিন্ন বিষয় সমন্বয়" করা এবং "অঞ্চলে স্থায়ী শাসন প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করা"।
মানবতার দিক: কেন্দ্রটি গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবেশ সহজ করবে এবং লজিস্টিক সহায়তা দেবে।
সমন্বয়: গাজায় কর্মরত বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে যোগাযোগের সুবিধার্থে কেন্দ্রটিতে সকলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন, যা সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে সহায়তা করবে।
নজরদারি: এর মূল কাজের মধ্যে রয়েছে যুদ্ধবিরতির চুক্তি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করা এবং গাজায় বেসামরিক সরকারে রূপান্তর প্রক্রিয়া অনুসরণ করা।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) বৃহস্পতিবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায় যে এই ২০০ জন সেনা সমন্বয়কারী দলের অংশ হিসেবে ইসরায়েলে কাজ করবে।
আগমন: মার্কিন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আশা করা হচ্ছে এই মার্কিন সেনারা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই, সম্ভবত আগামী রবিবার নাগাদ ইসরায়েলে পৌঁছাবে।
অবস্থান: কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে কোনো মার্কিন সেনাই গাজার ভূখণ্ডে প্রবেশ করবে না। তারা ইসরায়েল থেকে কাজ করবে।
পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি: মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহের জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রতিনিধিরা থাকবে এবং নজরদারির জন্য গাজার ওপর দিয়ে বিমান পরিচালনা করা হতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছিলেন যে ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ এবং বন্দী বিনিময়ের বিষয়ে একটি চুক্তি হয়েছে। এটি মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতা এবং তুরস্কের প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণে শার্ম আল-শেখ শহরে চার দিনের পরোক্ষ আলোচনার ফসল। উল্লেখ্য, গত ৮ অক্টোবর, ২০২৩ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলের আক্রমণে গাজায় ব্যাপক হতাহত ও মানবিক বিপর্যয় ঘটেছে, যাতে ৬৭,১৯৪ জন নিহত এবং ১,৬৯,৮৯০ জন আহত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন