ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে এবং গাজাবাসীর প্রতি সংহতি জানাতে জার্মানির রাজধানী বার্লিনে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। "গাজার জন্য এক হও" স্লোগান নিয়ে হাজার হাজার জার্মান নাগরিক ব্রান্ডেনবার্গ গেটের সামনে সমবেত হন এবং পরে শহরের কেন্দ্র অভিমুখে পদযাত্রা করেন। বিক্ষোভকারীরা ইসরায়েলের বর্বরতা এবং ফিলিস্তিনের সমর্থকদের ওপর জার্মান সরকারের চাপ ও হয়রানির তীব্র নিন্দা জানান।
আনাদোলু এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (১২ অক্টোবর, ২০২৫) বার্লিনের প্রাণকেন্দ্রে এই সংহতি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া জনতা প্রথমে ঐতিহাসিক ব্রান্ডেনবার্গ গেটের সামনে জড়ো হন এবং সেখান থেকে শহরের মূল কেন্দ্রের দিকে অগ্রসর হন। পুরো পথে তারা ফিলিস্তিনের প্রতি তাদের একাত্মতা প্রকাশ করে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিক্ষোভকারীরা গাজায় ইসরায়েলের নৃশংস গণহত্যার তীব্র নিন্দা জানান এবং ফিলিস্তিনপন্থীদের ওপর জার্মান সরকার কর্তৃক চাপানো বিধিনিষেধ ও হয়রানির প্রতিবাদ করেন। তাদের স্লোগানগুলোর মধ্যে ছিল "ইসরায়েল সন্ত্রাসী", "দখলকৃত ভূমিতে শান্তি নয়", এবং "ফিলিস্তিন মুক্ত হোক"। তারা এমন প্ল্যাকার্ড বহন করেন যা ইসরায়েলকে বার্লিনের সামরিক সমর্থনের সমালোচনা করে।
বিক্ষোভ চলাকালে প্রতিবাদকারী এবং পুলিশ বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করে এবং বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করতে বল প্রয়োগ করে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মিছিলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১৪,০০০ জন। তবে আয়োজকদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে এই সংখ্যা ৬০,০০০-এর কাছাকাছি।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমাদের সমর্থনের জের ধরে ইসরায়েল গাজায় একটানা দু’বছর ধরে গণহত্যা চালাচ্ছে। এই নৃশংসতায় এ পর্যন্ত ৬৭,৬৮২ জন নিহত এবং ১,৭০,০৩৩ জন আহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া, এই গণহত্যার ফলে সৃষ্ট দুর্ভিক্ষের কারণে এ পর্যন্ত ৪৬৩ জন ফিলিস্তিনি মারা গেছেন, যাদের মধ্যে ১৫৭ জন শিশু।
বিষয় : জার্মান

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৫
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে এবং গাজাবাসীর প্রতি সংহতি জানাতে জার্মানির রাজধানী বার্লিনে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। "গাজার জন্য এক হও" স্লোগান নিয়ে হাজার হাজার জার্মান নাগরিক ব্রান্ডেনবার্গ গেটের সামনে সমবেত হন এবং পরে শহরের কেন্দ্র অভিমুখে পদযাত্রা করেন। বিক্ষোভকারীরা ইসরায়েলের বর্বরতা এবং ফিলিস্তিনের সমর্থকদের ওপর জার্মান সরকারের চাপ ও হয়রানির তীব্র নিন্দা জানান।
আনাদোলু এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (১২ অক্টোবর, ২০২৫) বার্লিনের প্রাণকেন্দ্রে এই সংহতি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া জনতা প্রথমে ঐতিহাসিক ব্রান্ডেনবার্গ গেটের সামনে জড়ো হন এবং সেখান থেকে শহরের মূল কেন্দ্রের দিকে অগ্রসর হন। পুরো পথে তারা ফিলিস্তিনের প্রতি তাদের একাত্মতা প্রকাশ করে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিক্ষোভকারীরা গাজায় ইসরায়েলের নৃশংস গণহত্যার তীব্র নিন্দা জানান এবং ফিলিস্তিনপন্থীদের ওপর জার্মান সরকার কর্তৃক চাপানো বিধিনিষেধ ও হয়রানির প্রতিবাদ করেন। তাদের স্লোগানগুলোর মধ্যে ছিল "ইসরায়েল সন্ত্রাসী", "দখলকৃত ভূমিতে শান্তি নয়", এবং "ফিলিস্তিন মুক্ত হোক"। তারা এমন প্ল্যাকার্ড বহন করেন যা ইসরায়েলকে বার্লিনের সামরিক সমর্থনের সমালোচনা করে।
বিক্ষোভ চলাকালে প্রতিবাদকারী এবং পুলিশ বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করে এবং বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করতে বল প্রয়োগ করে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মিছিলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১৪,০০০ জন। তবে আয়োজকদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে এই সংখ্যা ৬০,০০০-এর কাছাকাছি।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমাদের সমর্থনের জের ধরে ইসরায়েল গাজায় একটানা দু’বছর ধরে গণহত্যা চালাচ্ছে। এই নৃশংসতায় এ পর্যন্ত ৬৭,৬৮২ জন নিহত এবং ১,৭০,০৩৩ জন আহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া, এই গণহত্যার ফলে সৃষ্ট দুর্ভিক্ষের কারণে এ পর্যন্ত ৪৬৩ জন ফিলিস্তিনি মারা গেছেন, যাদের মধ্যে ১৫৭ জন শিশু।

আপনার মতামত লিখুন