বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কওমী টাইমস

ফিলিপাইনে ঘূর্ণিঝড় কালমেগিতে নিহত ৪০, হাজারো মানুষ নিরাপদ স্থানে সরানো


আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

ফিলিপাইনে ঘূর্ণিঝড় কালমেগিতে নিহত ৪০, হাজারো মানুষ নিরাপদ স্থানে সরানো

ফিলিপাইনে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় কালমেগি প্রবল বৃষ্টিপাত ও বন্যা নিয়ে আঘাত হানায় অন্তত ৪০ জন মারা গেছেন। হাজারো মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, তবে এখনও কিছু মানুষ নিখোঁজ বা আটকে আছেন।

মঙ্গলবার স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের স্থলভাগে আঘাত হানার পর থেকে এটি কিছুটা দুর্বল হয়েছে। তবু কালমেগি এখনো ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার বেগের বাতাস এবং ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা হাওয়া নিয়ে মধ্যাঞ্চলীয় ভিসায়াস দ্বীপপুঞ্জ পেরিয়ে উত্তর পালাওয়ান ও দক্ষিণ চীন সাগর অভিমুখে অগ্রসর হচ্ছে।

সেবু প্রদেশে নিহতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। প্রাদেশিক তথ্য কর্মকর্তা অ্যাঞ্জেলিজ ওরং জানান, ৩৯ জন সেবুতে এবং ১ জন বোহোল দ্বীপে মারা গেছেন। মৃত্যুর বেশিরভাগ ঘটনা ডুবে যাওয়া বা ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়ে ঘটে।

হাজার হাজার মানুষকে ভিসায়াস, দক্ষিণ লুজন ও উত্তর মিন্দানাও অঞ্চল থেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেবু সিটিতে বন্যার পানি কিছুটা নেমেছে, তবে বহু এলাকায় এখনও বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।

উদ্ধার কার্যক্রম: ফিলিপাইন রেড ক্রসের ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, উদ্ধারকর্মীরা হাঁটুসমান পানির মধ্যে নৌকা ব্যবহার করে মানুষদের উদ্ধার করছেন। লিলোয়ান শহরে বহু ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে, শুধু ছাদ বা উপরের তলা দেখা যাচ্ছে।

প্রভাব: দেশটির আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, কালমেগির সঙ্গে যুক্ত একটি শিয়ার লাইন প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া সৃষ্টি করছে। মঙ্গলবার ১৮০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং সমুদ্রগামী জাহাজগুলোকে নিকটবর্তী নিরাপদ বন্দরে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: সিএনএন

বিষয় : প্রাকৃতিক দুর্যোগ কওমী টাইমস ফিলিপাইন বিশ্ব

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


ফিলিপাইনে ঘূর্ণিঝড় কালমেগিতে নিহত ৪০, হাজারো মানুষ নিরাপদ স্থানে সরানো

প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

ফিলিপাইনে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় কালমেগি প্রবল বৃষ্টিপাত ও বন্যা নিয়ে আঘাত হানায় অন্তত ৪০ জন মারা গেছেন। হাজারো মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, তবে এখনও কিছু মানুষ নিখোঁজ বা আটকে আছেন।

মঙ্গলবার স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের স্থলভাগে আঘাত হানার পর থেকে এটি কিছুটা দুর্বল হয়েছে। তবু কালমেগি এখনো ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার বেগের বাতাস এবং ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা হাওয়া নিয়ে মধ্যাঞ্চলীয় ভিসায়াস দ্বীপপুঞ্জ পেরিয়ে উত্তর পালাওয়ান ও দক্ষিণ চীন সাগর অভিমুখে অগ্রসর হচ্ছে।

সেবু প্রদেশে নিহতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। প্রাদেশিক তথ্য কর্মকর্তা অ্যাঞ্জেলিজ ওরং জানান, ৩৯ জন সেবুতে এবং ১ জন বোহোল দ্বীপে মারা গেছেন। মৃত্যুর বেশিরভাগ ঘটনা ডুবে যাওয়া বা ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়ে ঘটে।

হাজার হাজার মানুষকে ভিসায়াস, দক্ষিণ লুজন ও উত্তর মিন্দানাও অঞ্চল থেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেবু সিটিতে বন্যার পানি কিছুটা নেমেছে, তবে বহু এলাকায় এখনও বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।

উদ্ধার কার্যক্রম: ফিলিপাইন রেড ক্রসের ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, উদ্ধারকর্মীরা হাঁটুসমান পানির মধ্যে নৌকা ব্যবহার করে মানুষদের উদ্ধার করছেন। লিলোয়ান শহরে বহু ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে, শুধু ছাদ বা উপরের তলা দেখা যাচ্ছে।

প্রভাব: দেশটির আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, কালমেগির সঙ্গে যুক্ত একটি শিয়ার লাইন প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া সৃষ্টি করছে। মঙ্গলবার ১৮০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং সমুদ্রগামী জাহাজগুলোকে নিকটবর্তী নিরাপদ বন্দরে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: সিএনএন


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মুস্তাইন বিল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ কওমী টাইমস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত