যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ ও প্রভাবশালী নগরী নিউইয়র্কে ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জোহরান মামদানি স্থানীয় নির্বাচনে ৫০.৪ শতাংশ ভোট পেয়ে শহরের প্রথম মুসলিম মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার এই জয় মার্কিন মুসলিম সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৯টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর গণনা করা ৮৯ শতাংশ ভোটের প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যায়, জোহরান মামদানি ১,০১৬,৯৬৮ ভোট পেয়ে ৫০.৪ শতাংশ ভোটের মাধ্যমে এগিয়ে আছেন। তার সবচেয়ে নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী স্বাধীন প্রার্থী অ্যান্ড্রু কুওমো পেয়েছেন ৮৪০,১৯১ ভোট (৪১.৬%), আর রিপাবলিকান প্রার্থী কার্টিস স্লিওয়া সীমিত হয়ে পড়েছেন ৭.২ শতাংশে।
৩৪ বছর বয়সী মামদানি নিউইয়র্ক রাজ্যের কুইন্স অঞ্চলের প্রতিনিধি হিসেবে পূর্বে নিউইয়র্ক রাজ্য অ্যাসেম্বলির সদস্য ছিলেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই তরুণ রাজনীতিকের প্রচারণায় শহরের বিভিন্ন জাতিগত ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের তরুণরা সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিল।
মামদানির বিজয় শুধু একটি রাজনৈতিক সাফল্য নয়, বরং মার্কিন মুসলমানদের দীর্ঘদিনের প্রয়াসের প্রতীক, যারা বহু বছর ধরে রাজনীতিতে সমঅধিকারের জন্য লড়াই করে আসছেন।
এদিকে, নিউ জার্সি ও ভার্জিনিয়ার গভর্নর নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরাও জয়ী হয়েছেন। নিউ জার্সিতে মিকি শেরিল ৫৬% ভোটে এবং ভার্জিনিয়ায় অ্যাবিগেইল স্প্যানবার্গার ৫৬.৯% ভোটে বিজয় লাভ করেন।
জোহরান মামদানির নেতৃত্বে নিউইয়র্ক এখন এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ে প্রবেশ করলো, যেখানে বৈচিত্র্য, অন্তর্ভুক্তি ও সামাজিক ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিফলিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিষয় : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ ও প্রভাবশালী নগরী নিউইয়র্কে ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জোহরান মামদানি স্থানীয় নির্বাচনে ৫০.৪ শতাংশ ভোট পেয়ে শহরের প্রথম মুসলিম মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার এই জয় মার্কিন মুসলিম সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৯টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর গণনা করা ৮৯ শতাংশ ভোটের প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যায়, জোহরান মামদানি ১,০১৬,৯৬৮ ভোট পেয়ে ৫০.৪ শতাংশ ভোটের মাধ্যমে এগিয়ে আছেন। তার সবচেয়ে নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী স্বাধীন প্রার্থী অ্যান্ড্রু কুওমো পেয়েছেন ৮৪০,১৯১ ভোট (৪১.৬%), আর রিপাবলিকান প্রার্থী কার্টিস স্লিওয়া সীমিত হয়ে পড়েছেন ৭.২ শতাংশে।
৩৪ বছর বয়সী মামদানি নিউইয়র্ক রাজ্যের কুইন্স অঞ্চলের প্রতিনিধি হিসেবে পূর্বে নিউইয়র্ক রাজ্য অ্যাসেম্বলির সদস্য ছিলেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই তরুণ রাজনীতিকের প্রচারণায় শহরের বিভিন্ন জাতিগত ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের তরুণরা সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিল।
মামদানির বিজয় শুধু একটি রাজনৈতিক সাফল্য নয়, বরং মার্কিন মুসলমানদের দীর্ঘদিনের প্রয়াসের প্রতীক, যারা বহু বছর ধরে রাজনীতিতে সমঅধিকারের জন্য লড়াই করে আসছেন।
এদিকে, নিউ জার্সি ও ভার্জিনিয়ার গভর্নর নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরাও জয়ী হয়েছেন। নিউ জার্সিতে মিকি শেরিল ৫৬% ভোটে এবং ভার্জিনিয়ায় অ্যাবিগেইল স্প্যানবার্গার ৫৬.৯% ভোটে বিজয় লাভ করেন।
জোহরান মামদানির নেতৃত্বে নিউইয়র্ক এখন এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ে প্রবেশ করলো, যেখানে বৈচিত্র্য, অন্তর্ভুক্তি ও সামাজিক ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিফলিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন