যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নিউইয়র্ক সিটির ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। শহরের প্রথম নির্বাচিত মুসলিম মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জোহরান মামদানি। নতুন বছরের প্রথম প্রহরে একটি আবেগঘন ও ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পবিত্র কোরআন শরিফ হাতে নিয়ে তিনি শপথ পাঠ করেন।
২০২৬ সালের প্রথম প্রহরে নিউইয়র্কের ১৯০৪ সালে নির্মিত পুরনো সিটি হল মেট্রো স্টেশনে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে জোহরান মামদানি শপথ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে কেবল তাঁর পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিটিয়া জেমস এই শপথবাক্য পাঠ করান।
শপথ গ্রহণ শেষে উপস্থিত অতিথিদের উদ্দেশ্যে মামদানি বলেন, "নিউইয়র্ক সিটির সেবা করার সুযোগ পাওয়া আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্মান। এই শহরকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে আমি সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।" তিনি বিশেষ করে পুরনো মেট্রো স্টেশনে শপথ নেওয়ার তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, গণপরিবহন এই শহরের প্রাণ এবং ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ব্যক্তিগতভাবে শপথ নিলেও আজ দুপুর নাগাদ নিউইয়র্ক সিটি হলের সামনে একটি বিশাল গণ-শপথ অনুষ্ঠান আয়োজিত হতে যাচ্ছে। সেখানে প্রখ্যাত কংগ্রেস সদস্য আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন এবং প্রবীণ সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স তাকে শপথ পাঠ করাবেন। প্রায় ৪ হাজার আমন্ত্রিত অতিথি ছাড়াও ব্রডওয়ে স্ট্রিটে হাজার হাজার মানুষের অংশগ্রহণে একটি বিশাল বিজয় উৎসব ও স্ট্রিট পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠান ঘিরে ম্যানহাটনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
গত ৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে উগান্ডায় জন্মগ্রহণকারী ৩৪ বছর বয়সী এই তরুণ নেতা বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। তিনি গত ১০০ বছরের মধ্যে নিউইয়র্কের সর্বকনিষ্ঠ মেয়র। সিবিএস নিউজের তথ্যমতে, ১৯৬৯ সালের পর এবারই সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি দেখা গেছে এবং মামদানি প্রায় ১০ লাখ ৩৯ হাজার ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
তার এই জয় মার্কিন রাজনীতিতে এক বিশাল পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ইস্যুতে তার সাহসী অবস্থান এবং স্থানীয় উন্নয়নে তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণ তাকে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নিউইয়র্ক সিটির ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। শহরের প্রথম নির্বাচিত মুসলিম মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জোহরান মামদানি। নতুন বছরের প্রথম প্রহরে একটি আবেগঘন ও ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পবিত্র কোরআন শরিফ হাতে নিয়ে তিনি শপথ পাঠ করেন।
২০২৬ সালের প্রথম প্রহরে নিউইয়র্কের ১৯০৪ সালে নির্মিত পুরনো সিটি হল মেট্রো স্টেশনে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে জোহরান মামদানি শপথ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে কেবল তাঁর পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিটিয়া জেমস এই শপথবাক্য পাঠ করান।
শপথ গ্রহণ শেষে উপস্থিত অতিথিদের উদ্দেশ্যে মামদানি বলেন, "নিউইয়র্ক সিটির সেবা করার সুযোগ পাওয়া আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্মান। এই শহরকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে আমি সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।" তিনি বিশেষ করে পুরনো মেট্রো স্টেশনে শপথ নেওয়ার তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, গণপরিবহন এই শহরের প্রাণ এবং ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ব্যক্তিগতভাবে শপথ নিলেও আজ দুপুর নাগাদ নিউইয়র্ক সিটি হলের সামনে একটি বিশাল গণ-শপথ অনুষ্ঠান আয়োজিত হতে যাচ্ছে। সেখানে প্রখ্যাত কংগ্রেস সদস্য আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন এবং প্রবীণ সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স তাকে শপথ পাঠ করাবেন। প্রায় ৪ হাজার আমন্ত্রিত অতিথি ছাড়াও ব্রডওয়ে স্ট্রিটে হাজার হাজার মানুষের অংশগ্রহণে একটি বিশাল বিজয় উৎসব ও স্ট্রিট পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠান ঘিরে ম্যানহাটনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
গত ৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে উগান্ডায় জন্মগ্রহণকারী ৩৪ বছর বয়সী এই তরুণ নেতা বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। তিনি গত ১০০ বছরের মধ্যে নিউইয়র্কের সর্বকনিষ্ঠ মেয়র। সিবিএস নিউজের তথ্যমতে, ১৯৬৯ সালের পর এবারই সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি দেখা গেছে এবং মামদানি প্রায় ১০ লাখ ৩৯ হাজার ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
তার এই জয় মার্কিন রাজনীতিতে এক বিশাল পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ইস্যুতে তার সাহসী অবস্থান এবং স্থানীয় উন্নয়নে তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণ তাকে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন