বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কওমী টাইমস

হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে বিএনপির আনিসুল হকের চেয়ে সম্পদ ও আয়ের বিভিন্ন খাতে এগিয়ে হাতপাখার প্রার্থী।

সুনামগঞ্জ-১ আসন: শিক্ষা ও সম্পদে আলোচনায় ইসলামী আন্দোলনের ডা. রফিক চৌধুরী



সুনামগঞ্জ-১ আসন: শিক্ষা ও সম্পদে আলোচনায় ইসলামী আন্দোলনের ডা. রফিক চৌধুরী

সুনামগঞ্জ-১ আসনের নির্বাচনী মাঠে প্রার্থীদের জমা দেওয়া হলফনামা থেকে উঠে এসেছে সম্পদ ও আয়ের চমকপ্রদ তথ্য। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ডা. মো. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী তার শিক্ষা, বিচিত্র পেশা এবং পারিবারিক সম্পদের দিক থেকে বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন। অন্যদিকে, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আনিসুল হকও কোটি টাকার সম্পদ ও ব্যবসায়িক আয়ে পিছিয়ে নেই।

ডা. রফিক চৌধুরী: ডাক্তার থেকে ব্যবসায়ী, সম্পদেও চমক

ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ডা. মো. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী একজন বহুবিদ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মানুষ। তিনি একাধারে চিকিৎসক, শিক্ষক এবং বর্তমানে একজন সফল ব্যবসায়ী। তার বার্ষিক আয়ের একটি বড় অংশ আসে বাড়ি ও বাণিজ্যিক স্থানের ভাড়া থেকে (৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ৭২০ টাকা)। তবে তার চেয়েও বেশি আয় করেন তার ওপর নির্ভরশীলরা; বিশেষ করে চিকিৎসা পেশা থেকে তাদের আয় ১৩ লক্ষ ২৬ হাজার টাকার বেশি।

রফিক চৌধুরীর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বর্তমান বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা। তার নিজের ও স্ত্রীর নামে থাকা নগদ অর্থ, ব্যাংক জমা এবং স্বর্ণালঙ্কারের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য। হলফনামা অনুযায়ী, তার স্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য কম থাকলেও বর্তমানে সেগুলোর বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা। একইভাবে তার স্ত্রীর নামে থাকা সম্পদের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা বলে অনুমিত হচ্ছে।

আনিসুল হক: ব্যবসায়িক আয়ে শীর্ষে, আছে কোটি টাকার ঋণ

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আনিসুল হক একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তার হলফনামা অনুযায়ী, তার বার্ষিক ব্যবসায়িক আয় ১ কোটি ৭২ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকার বেশি। তার নিজের এবং স্ত্রীর নামে প্রচুর কৃষি ও অকৃষি জমি রয়েছে। তার স্থাবর সম্পদের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি ৯৬ লক্ষ টাকা।

তবে সম্পদের পাশাপাশি আনিসুল হকের দেনার পরিমাণও বেশ বড়। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে তার বর্তমানে ২ কোটি ৩০ লক্ষ ৯১ হাজার ৪৪০ টাকার ঋণ রয়েছে। বিপরীতে ডা. রফিক চৌধুরীর হলফনামায় বড় কোনো ঋণের বোঝা দেখা যায়নি।

তুলনামূলক চিত্র

বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডা. রফিক চৌধুরী ও তার পরিবারের সদস্যদের আয়ের উৎস বহুমুখী (কৃষি, ব্যবসা, চিকিৎসা ও ভাড়া)। অন্যদিকে আনিসুল হকের মূল ভিত্তি ব্যবসা ও বিশাল ভূ-সম্পত্তি। শিক্ষিত ও মার্জিত ভাবমূর্তি নিয়ে রফিক চৌধুরী যেমন আলোচনায় আছেন, তেমনি দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও ব্যবসায়িক আধিপত্য নিয়ে শক্ত অবস্থানে আছেন আনিসুল হক।

বিষয় : নির্বাচন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


সুনামগঞ্জ-১ আসন: শিক্ষা ও সম্পদে আলোচনায় ইসলামী আন্দোলনের ডা. রফিক চৌধুরী

প্রকাশের তারিখ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

সুনামগঞ্জ-১ আসনের নির্বাচনী মাঠে প্রার্থীদের জমা দেওয়া হলফনামা থেকে উঠে এসেছে সম্পদ ও আয়ের চমকপ্রদ তথ্য। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ডা. মো. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী তার শিক্ষা, বিচিত্র পেশা এবং পারিবারিক সম্পদের দিক থেকে বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন। অন্যদিকে, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আনিসুল হকও কোটি টাকার সম্পদ ও ব্যবসায়িক আয়ে পিছিয়ে নেই।

ডা. রফিক চৌধুরী: ডাক্তার থেকে ব্যবসায়ী, সম্পদেও চমক

ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ডা. মো. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী একজন বহুবিদ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মানুষ। তিনি একাধারে চিকিৎসক, শিক্ষক এবং বর্তমানে একজন সফল ব্যবসায়ী। তার বার্ষিক আয়ের একটি বড় অংশ আসে বাড়ি ও বাণিজ্যিক স্থানের ভাড়া থেকে (৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ৭২০ টাকা)। তবে তার চেয়েও বেশি আয় করেন তার ওপর নির্ভরশীলরা; বিশেষ করে চিকিৎসা পেশা থেকে তাদের আয় ১৩ লক্ষ ২৬ হাজার টাকার বেশি।

রফিক চৌধুরীর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বর্তমান বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা। তার নিজের ও স্ত্রীর নামে থাকা নগদ অর্থ, ব্যাংক জমা এবং স্বর্ণালঙ্কারের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য। হলফনামা অনুযায়ী, তার স্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য কম থাকলেও বর্তমানে সেগুলোর বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা। একইভাবে তার স্ত্রীর নামে থাকা সম্পদের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা বলে অনুমিত হচ্ছে।

আনিসুল হক: ব্যবসায়িক আয়ে শীর্ষে, আছে কোটি টাকার ঋণ

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আনিসুল হক একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তার হলফনামা অনুযায়ী, তার বার্ষিক ব্যবসায়িক আয় ১ কোটি ৭২ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকার বেশি। তার নিজের এবং স্ত্রীর নামে প্রচুর কৃষি ও অকৃষি জমি রয়েছে। তার স্থাবর সম্পদের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি ৯৬ লক্ষ টাকা।

তবে সম্পদের পাশাপাশি আনিসুল হকের দেনার পরিমাণও বেশ বড়। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে তার বর্তমানে ২ কোটি ৩০ লক্ষ ৯১ হাজার ৪৪০ টাকার ঋণ রয়েছে। বিপরীতে ডা. রফিক চৌধুরীর হলফনামায় বড় কোনো ঋণের বোঝা দেখা যায়নি।

তুলনামূলক চিত্র

বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডা. রফিক চৌধুরী ও তার পরিবারের সদস্যদের আয়ের উৎস বহুমুখী (কৃষি, ব্যবসা, চিকিৎসা ও ভাড়া)। অন্যদিকে আনিসুল হকের মূল ভিত্তি ব্যবসা ও বিশাল ভূ-সম্পত্তি। শিক্ষিত ও মার্জিত ভাবমূর্তি নিয়ে রফিক চৌধুরী যেমন আলোচনায় আছেন, তেমনি দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও ব্যবসায়িক আধিপত্য নিয়ে শক্ত অবস্থানে আছেন আনিসুল হক।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মুস্তাইন বিল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ কওমী টাইমস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত