অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদে ২০২৫ সালে ইসরায়েলি দখলদারদের প্রবেশের সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। ইসরায়েলি পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় বছরজুড়ে হাজার হাজার উগ্রবাদী বসতি স্থাপনকারী এই পবিত্র চত্বরে অনধিকার প্রবেশ করে। জেরুজালেম ইসলামিক ওয়াকফ বিভাগের তথ্যমতে, এই উস্কানিমূলক তৎপরতা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
জেরুজালেম ইসলামিক ওয়াকফ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ২০২৫ সালে মোট ৬৫,৩৬৪ জন কট্টরপন্থী ইসরায়েলি আল-আকসা মসজিদে অনুপ্রবেশ করেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এটি পূর্ববর্তী বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। তথ্যমতে, ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ৫৩,০০০, যেখানে ২০২৩ ও ২০২২ সালে ছিল ৪৮,০০০ এবং ২০২১ সালে ছিল প্রায় ৩৫,০০০।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাধারণত শুক্র ও শনিবার বাদে সপ্তাহের প্রায় প্রতিদিন এই হানা দেওয়া হয়। তবে ইহুদি ধর্মীয় উৎসবগুলোর সময় এই অনুপ্রবেশের মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ২০২৫ সালে আল-আকসা চত্বরে ইসরায়েলিদের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান, গণ-প্রার্থনা, গান গাওয়া এবং ইসরায়েলি পতাকা উত্তোলনের মতো ঘটনা নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গ্যভিরের সরাসরি মদদে এই উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। বেন-গ্যভির নিজেও গত এক বছরে একাধিকবার আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ করে উত্তেজনা ছড়িয়েছেন। উল্লেখ্য যে, ২০০৩ সাল থেকে ইসলামিক ওয়াকফ প্রশাসনের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও ইসরায়েলি পুলিশ বসতি স্থাপনকারীদের এই অনুপ্রবেশের অনুমতি দিয়ে আসছে।
ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, ইসরায়েল ধারাবাহিকভাবে আল-আকসা ও পূর্ব জেরুজালেমকে 'জুডাইজেশন' বা ইহুদিকরণের চেষ্টা করছে। এর মাধ্যমে তারা এই অঞ্চলের আরব ও ইসলামী পরিচয় মুছে ফেলে আন্তর্জাতিক আইন ও পবিত্র স্থানের স্থিতাবস্থা (Status Quo) লঙ্ঘন করছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদে ২০২৫ সালে ইসরায়েলি দখলদারদের প্রবেশের সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। ইসরায়েলি পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় বছরজুড়ে হাজার হাজার উগ্রবাদী বসতি স্থাপনকারী এই পবিত্র চত্বরে অনধিকার প্রবেশ করে। জেরুজালেম ইসলামিক ওয়াকফ বিভাগের তথ্যমতে, এই উস্কানিমূলক তৎপরতা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
জেরুজালেম ইসলামিক ওয়াকফ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ২০২৫ সালে মোট ৬৫,৩৬৪ জন কট্টরপন্থী ইসরায়েলি আল-আকসা মসজিদে অনুপ্রবেশ করেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এটি পূর্ববর্তী বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। তথ্যমতে, ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ৫৩,০০০, যেখানে ২০২৩ ও ২০২২ সালে ছিল ৪৮,০০০ এবং ২০২১ সালে ছিল প্রায় ৩৫,০০০।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাধারণত শুক্র ও শনিবার বাদে সপ্তাহের প্রায় প্রতিদিন এই হানা দেওয়া হয়। তবে ইহুদি ধর্মীয় উৎসবগুলোর সময় এই অনুপ্রবেশের মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ২০২৫ সালে আল-আকসা চত্বরে ইসরায়েলিদের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান, গণ-প্রার্থনা, গান গাওয়া এবং ইসরায়েলি পতাকা উত্তোলনের মতো ঘটনা নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গ্যভিরের সরাসরি মদদে এই উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। বেন-গ্যভির নিজেও গত এক বছরে একাধিকবার আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ করে উত্তেজনা ছড়িয়েছেন। উল্লেখ্য যে, ২০০৩ সাল থেকে ইসলামিক ওয়াকফ প্রশাসনের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও ইসরায়েলি পুলিশ বসতি স্থাপনকারীদের এই অনুপ্রবেশের অনুমতি দিয়ে আসছে।
ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, ইসরায়েল ধারাবাহিকভাবে আল-আকসা ও পূর্ব জেরুজালেমকে 'জুডাইজেশন' বা ইহুদিকরণের চেষ্টা করছে। এর মাধ্যমে তারা এই অঞ্চলের আরব ও ইসলামী পরিচয় মুছে ফেলে আন্তর্জাতিক আইন ও পবিত্র স্থানের স্থিতাবস্থা (Status Quo) লঙ্ঘন করছে।

আপনার মতামত লিখুন