ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের ভোটগণনা শুরু হয়েছে। উপজেলার উচালিয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, বিএনপি জোটের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার চেয়ে ১২৯ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। সাবেক ও বর্তমান সংসদ সদস্যদের এই লড়াইকে কেন্দ্র করে পুরো নির্বাচনী এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের কেন্দ্রগুলোতে শুরু হয় আনুষ্ঠানিক গণনা। উচালিয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, লড়াইটি মূলত দ্বিমুখী চরিত্রে রূপ নিয়েছে।
উচালিয়া পাড়া কেন্দ্রে দুই প্রধান প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের চিত্র নিম্নরূপ:
মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব (খেজুর গাছ): ৯৩০ ভোট। (বিএনপি জোট ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ মনোনীত)।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা (হাঁস): ৮০১ ভোট। (স্বতন্ত্র)।
প্রাপ্ত ফলাফলে মাওলানা জুনায়েদ হাবিব ১২৯ ভোটের ব্যবধানে এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন। নির্বাচনী বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি জোটের প্রাতিষ্ঠানিক ভোট এবং মাওলানা হাবিবের ব্যক্তিগত প্রভাব এখানে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। অন্যদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রুমিন ফারহানার প্রাপ্ত ভোটও উল্লেখযোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
উচালিয়া পাড়া কেন্দ্রে সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। বিশেষ করে নারী ভোটারদের দীর্ঘ লাইন ও প্রবল উৎসাহ নির্বাচনী আমেজকে উৎসবমুখর করে তোলে। প্রিজাইডিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ ও গণনা সম্পন্ন হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে এবার লড়াইটি বহুমাত্রিক। মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে ‘খেজুর গাছ’ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন, অন্যদিকে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে মাঠে রয়েছেন।
পুরো সরাইল ও আশুগঞ্জ এলাকায় বিজিবি, র্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। উপজেলার কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, অন্যান্য কেন্দ্রেও গণনার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য প্রার্থীর সমর্থক ও সাধারণ ভোটাররা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এই আসনের বাকি কেন্দ্রগুলোর সমন্বিত ফলাফল পাওয়ার পর শুক্রবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।
বিষয় : নির্বাচন

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের ভোটগণনা শুরু হয়েছে। উপজেলার উচালিয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, বিএনপি জোটের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার চেয়ে ১২৯ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। সাবেক ও বর্তমান সংসদ সদস্যদের এই লড়াইকে কেন্দ্র করে পুরো নির্বাচনী এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের কেন্দ্রগুলোতে শুরু হয় আনুষ্ঠানিক গণনা। উচালিয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, লড়াইটি মূলত দ্বিমুখী চরিত্রে রূপ নিয়েছে।
উচালিয়া পাড়া কেন্দ্রে দুই প্রধান প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের চিত্র নিম্নরূপ:
মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব (খেজুর গাছ): ৯৩০ ভোট। (বিএনপি জোট ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ মনোনীত)।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা (হাঁস): ৮০১ ভোট। (স্বতন্ত্র)।
প্রাপ্ত ফলাফলে মাওলানা জুনায়েদ হাবিব ১২৯ ভোটের ব্যবধানে এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন। নির্বাচনী বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি জোটের প্রাতিষ্ঠানিক ভোট এবং মাওলানা হাবিবের ব্যক্তিগত প্রভাব এখানে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। অন্যদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রুমিন ফারহানার প্রাপ্ত ভোটও উল্লেখযোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
উচালিয়া পাড়া কেন্দ্রে সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। বিশেষ করে নারী ভোটারদের দীর্ঘ লাইন ও প্রবল উৎসাহ নির্বাচনী আমেজকে উৎসবমুখর করে তোলে। প্রিজাইডিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ ও গণনা সম্পন্ন হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে এবার লড়াইটি বহুমাত্রিক। মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে ‘খেজুর গাছ’ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন, অন্যদিকে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে মাঠে রয়েছেন।
পুরো সরাইল ও আশুগঞ্জ এলাকায় বিজিবি, র্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। উপজেলার কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, অন্যান্য কেন্দ্রেও গণনার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য প্রার্থীর সমর্থক ও সাধারণ ভোটাররা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এই আসনের বাকি কেন্দ্রগুলোর সমন্বিত ফলাফল পাওয়ার পর শুক্রবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন