ইরানে চলমান ভয়াবহ যুদ্ধে প্রাণহানির সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, যার বড় শিকার হচ্ছে শিশুরা। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ২৪০ জন শিশু নিহত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাত এখন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এক চরম মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) এক দাপ্তরিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, 'আগ্রাসী শত্রু পক্ষ' কর্তৃক পরিচালিত হামলায় এখন পর্যন্ত হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছেন। গত ১৫ মার্চ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, নিহতের তালিকায় অনূর্ধ্ব-১৮ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা ২০৪ জন (অন্যান্য তথ্যে মোট ২৪০ জন), যার মধ্যে ১৩ জন শিশুর বয়স ৫ বছরের নিচে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১৮,২৫৪ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১,০৭০ জন এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং ৭৩৫ জনের শরীরে জটিল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১,২৭৫ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক, যাদের মধ্যে ৪৫ জন শিশুর বয়স ২ বছরেরও কম। নারী হতাহতের সংখ্যাও উদ্বেগজনক; এখন পর্যন্ত ২২৬ জন নারী নিহত এবং ৩,০০২ জন আহত হয়েছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলার মাধ্যমে এই সংঘাতের সূচনা হয়। ওই হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেসিসহ প্রায় ১,৩০০ মানুষ নিহত হন। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে এমন উপসাগরীয় দেশগুলোতে ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালায়। এই পাল্টাপাল্টি হামলায় বিশ্ববাজার এবং এভিয়েশন সেক্টরে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে ইরানের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এই বিপুল পরিমাণ আহত মানুষের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে।
বিষয় : ইরান

শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
ইরানে চলমান ভয়াবহ যুদ্ধে প্রাণহানির সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, যার বড় শিকার হচ্ছে শিশুরা। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ২৪০ জন শিশু নিহত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাত এখন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এক চরম মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) এক দাপ্তরিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, 'আগ্রাসী শত্রু পক্ষ' কর্তৃক পরিচালিত হামলায় এখন পর্যন্ত হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছেন। গত ১৫ মার্চ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, নিহতের তালিকায় অনূর্ধ্ব-১৮ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা ২০৪ জন (অন্যান্য তথ্যে মোট ২৪০ জন), যার মধ্যে ১৩ জন শিশুর বয়স ৫ বছরের নিচে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১৮,২৫৪ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১,০৭০ জন এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং ৭৩৫ জনের শরীরে জটিল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১,২৭৫ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক, যাদের মধ্যে ৪৫ জন শিশুর বয়স ২ বছরেরও কম। নারী হতাহতের সংখ্যাও উদ্বেগজনক; এখন পর্যন্ত ২২৬ জন নারী নিহত এবং ৩,০০২ জন আহত হয়েছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলার মাধ্যমে এই সংঘাতের সূচনা হয়। ওই হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেসিসহ প্রায় ১,৩০০ মানুষ নিহত হন। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে এমন উপসাগরীয় দেশগুলোতে ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালায়। এই পাল্টাপাল্টি হামলায় বিশ্ববাজার এবং এভিয়েশন সেক্টরে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে ইরানের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এই বিপুল পরিমাণ আহত মানুষের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন