ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রস্তাবিত ‘বাবরি মসজিদ’ প্রকল্পের জমিতে প্রথমবারের মতো ঈদের নামাজ আদায় করা হয়েছে। এতে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা ও প্রতিবেশী ঝাড়খণ্ড থেকে হাজারো মুসল্লি অংশ নেন।
পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গায় প্রস্তাবিত ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণস্থলে প্রথমবারের মতো ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল থেকেই সেখানে মুসল্লিদের ঢল নামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, বীরভূম, নদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুরসহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা এবং প্রতিবেশী ঝাড়খণ্ড থেকেও বিপুল সংখ্যক মানুষ নামাজে অংশ নিতে আসেন।
নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরকে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে উপস্থিতদের মধ্যে সেমাই, ফিরনি ও বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
এই আয়োজনের উদ্যোক্তা এবং আজাদ জনতা উন্নয়ন পার্টি (AJUP)-এর প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর ব্যক্তিগত কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে তিনি ফোনের মাধ্যমে সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বার্তা দেন।
অংশগ্রহণকারীদের একজন জানান, “আমরা আগেও এখানে এসেছিলাম, যখন মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল। আজ প্রথমবার ঈদের নামাজ আদায় করতে পেরে খুব ভালো লাগছে।”
আরেকজন মুসল্লি বলেন, “পুরো আয়োজনটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে ছিল এবং কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি হয়নি।”
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ‘বাবরি মসজিদ’ নামটি ভারতীয় মুসলমানদের হৃদয়ে গভীর ক্ষত ও আবেগের সঙ্গে জড়িত।
বিষয় : ভারত

শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রস্তাবিত ‘বাবরি মসজিদ’ প্রকল্পের জমিতে প্রথমবারের মতো ঈদের নামাজ আদায় করা হয়েছে। এতে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা ও প্রতিবেশী ঝাড়খণ্ড থেকে হাজারো মুসল্লি অংশ নেন।
পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গায় প্রস্তাবিত ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণস্থলে প্রথমবারের মতো ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল থেকেই সেখানে মুসল্লিদের ঢল নামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, বীরভূম, নদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুরসহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা এবং প্রতিবেশী ঝাড়খণ্ড থেকেও বিপুল সংখ্যক মানুষ নামাজে অংশ নিতে আসেন।
নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরকে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে উপস্থিতদের মধ্যে সেমাই, ফিরনি ও বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
এই আয়োজনের উদ্যোক্তা এবং আজাদ জনতা উন্নয়ন পার্টি (AJUP)-এর প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর ব্যক্তিগত কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে তিনি ফোনের মাধ্যমে সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বার্তা দেন।
অংশগ্রহণকারীদের একজন জানান, “আমরা আগেও এখানে এসেছিলাম, যখন মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল। আজ প্রথমবার ঈদের নামাজ আদায় করতে পেরে খুব ভালো লাগছে।”
আরেকজন মুসল্লি বলেন, “পুরো আয়োজনটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে ছিল এবং কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি হয়নি।”
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ‘বাবরি মসজিদ’ নামটি ভারতীয় মুসলমানদের হৃদয়ে গভীর ক্ষত ও আবেগের সঙ্গে জড়িত।

আপনার মতামত লিখুন