সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
কওমী টাইমস

দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনা নিরসনে সংলাপের তাগিদ: আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকে স্বাগত জানাল কাবুল

আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় মতভেদ ও সীমানা উত্তেজনা নিরসনে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক দেশগুলোর কূটনৈতিক মধ্যস্থতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে তালেবান নেতৃত্বাধীন আফগান সরকার। কাবুলের পক্ষ থেকে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে যে, তারা সংঘাতের বদলে পারস্পরিক সংলাপ ও গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে শান্তির পথেই সকল সমস্যা সমাধানে বিশ্বাসী।দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার রাজনৈতিক ও সীমান্ত সংকট নিরসনে কূটনৈতিক তৎপরতা নতুন মোড় নিয়েছে। আফগান সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কাবুল কোনো ধরনের সামরিক সংঘাত বা যুদ্ধের পক্ষে নয়; বরং প্রতিবেশীদের সাথে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আলোচনার টেবিলে বসে সকল বিরোধ নিষ্পত্তি করতেই তারা আগ্রহী।সম্প্রতি গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে আফগান সরকারের আনুষ্ঠানিক মুখপাত্র তেহরান ও ইসলামাবাদের সাথে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কাবুলের এই নীতিগত অবস্থান ব্যক্ত করেন। তিনি নিশ্চিত করেন যে, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার তৈরি হওয়া দূরত্ব কমিয়ে আনতে এবং বিদ্যমান জটিলতার রাজনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), তুরস্ক এবং বেইজিং সক্রিয় কূটনৈতিক আলোচনা ও মধ্যস্থতা চালিয়ে যাচ্ছে।আফগান মুখপাত্র আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অংশীদারদের এই নিরপেক্ষ ভূমিকা ও প্রচেষ্টার উচ্চ প্রশংসা করেন। মুসলিম বিশ্বের সুহৃদ দেশগুলো এবং আঞ্চলিক পরাশক্তিগুলোর এই ইতিবাচক উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন, দীর্ঘমেয়াদি সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা এবং সামগ্রিক উম্মাহর স্বার্থে যেকোনো গঠনমূলক পদক্ষেপে সহযোগিতা করতে কাবুল প্রস্তুত রয়েছে।বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসলামিক উম্মাহর সমৃদ্ধি ও মধ্য এশিয়ার বাণিজ্য পথ উন্মুক্ত রাখতে দুই প্রতিবেশী মুসলিম দেশের সংঘাত এড়িয়ে চলা অপরিহার্য। এই সংকট নিরসনে কাতার ও তুরস্কের মতো দেশের মধ্যস্থতা সার্বিক নিরাপত্তা ও মুসলিম বিশ্বের ঐক্যের দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনা নিরসনে সংলাপের তাগিদ: আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকে স্বাগত জানাল কাবুল