যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ত্যাগের মহিমায় রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে পবিত্র ঈদ উল আযহা উদযাপিত হচ্ছে। ঈদের দিন সকালে হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে শত শত মুসল্লির সঙ্গে ঈদের প্রধান জামাতে একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নামাজ শেষে তারা একে অপরের সাথে কুশল ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ৭টায় কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদ উল আযহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রধান এই ঈদ জামাতে দেশের শীর্ষ অভিভাবক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেন। তাদের পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের সম্মানিত বিচারপতিবৃন্দ, মন্ত্রিপরিষদের সম্মানিত সদস্যবর্গ, সরকারের উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা এই জামাতে নামাজ আদায় করেন। জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক। নামাজ শেষে এক আবেগঘন পরিবেশে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ সর্বস্তরের মুসল্লিরা দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাতে হাত তোলেন।
এবারের ঈদ জামাতে নারী মুসল্লিদের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সাড়ে তিন হাজার নারীসহ সর্বমোট প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের সুব্যবস্থা করা হয়। নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশপথ, ওজু করার স্থান এবং নামাজের সংরক্ষিত জায়গা নিশ্চিত করা হয়েছিল, যা নারী মুসল্লিদের স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ আদায়ে দারুণ ভূমিকা রাখে।
ভোর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সর্বস্তরের সাধারণ মুসল্লিরা আনন্দঘন পরিবেশে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের উদ্দেশ্যে রওনা হন। জামাত শুরুর নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা আগে থেকেই ঈদগাহের প্রবেশমুখে মুসল্লিদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে ছিল ত্রিমাত্রিক ও কঠোর ব্যবস্থা। প্রতিটি মুসল্লিকে মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ের মাধ্যমে তিন ধাপে তল্লাশি পার হয়ে ঈদগাহ মাঠে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই কড়া নজরদারির মধ্যেই জামাত শুরুর আগেই পুরো ঈদগাহ ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। এছাড়া মুসল্লিদের জরুরি চিকিৎসাসেবা দিতে মাঠে নিয়োজিত ছিল বিশেষ মেডিকেল টিম এবং পর্যাপ্ত ওজুখানার ব্যবস্থা।
বিষয় : জাতীয় ঈদগাহ

বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬
যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ত্যাগের মহিমায় রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে পবিত্র ঈদ উল আযহা উদযাপিত হচ্ছে। ঈদের দিন সকালে হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে শত শত মুসল্লির সঙ্গে ঈদের প্রধান জামাতে একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নামাজ শেষে তারা একে অপরের সাথে কুশল ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ৭টায় কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদ উল আযহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রধান এই ঈদ জামাতে দেশের শীর্ষ অভিভাবক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেন। তাদের পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের সম্মানিত বিচারপতিবৃন্দ, মন্ত্রিপরিষদের সম্মানিত সদস্যবর্গ, সরকারের উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা এই জামাতে নামাজ আদায় করেন। জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক। নামাজ শেষে এক আবেগঘন পরিবেশে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ সর্বস্তরের মুসল্লিরা দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাতে হাত তোলেন।
এবারের ঈদ জামাতে নারী মুসল্লিদের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সাড়ে তিন হাজার নারীসহ সর্বমোট প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের সুব্যবস্থা করা হয়। নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশপথ, ওজু করার স্থান এবং নামাজের সংরক্ষিত জায়গা নিশ্চিত করা হয়েছিল, যা নারী মুসল্লিদের স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ আদায়ে দারুণ ভূমিকা রাখে।
ভোর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সর্বস্তরের সাধারণ মুসল্লিরা আনন্দঘন পরিবেশে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের উদ্দেশ্যে রওনা হন। জামাত শুরুর নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা আগে থেকেই ঈদগাহের প্রবেশমুখে মুসল্লিদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে ছিল ত্রিমাত্রিক ও কঠোর ব্যবস্থা। প্রতিটি মুসল্লিকে মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ের মাধ্যমে তিন ধাপে তল্লাশি পার হয়ে ঈদগাহ মাঠে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই কড়া নজরদারির মধ্যেই জামাত শুরুর আগেই পুরো ঈদগাহ ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। এছাড়া মুসল্লিদের জরুরি চিকিৎসাসেবা দিতে মাঠে নিয়োজিত ছিল বিশেষ মেডিকেল টিম এবং পর্যাপ্ত ওজুখানার ব্যবস্থা।

আপনার মতামত লিখুন